Wednesday, May 31, 2017

___অনেক কিছু জানার আছে__ পবিত্র রমজানের ফজিলত ও মর্যাদা সম্পর্কে কিছু হাদিস। রোজা রাখার কিছু ফজিলতসমুহ। ___অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু হাদিস__

রোজার ফজিলতফারসি শব্দ রোজার আরবি অর্থ হচ্ছে সওম, বহুবচনে সিয়াম। সওম বা সিয়ামের বাংলা অর্থ বিরত থাকা। ইসলামী শরীয়তে সওমহল আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশে নিয়তসহ সুবহে সাদিকের শুরু থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থাকা। ২য় হিজরীর শাবান মাসে মদীনায় রোজা ফরজ সংক্রান্ত আয়াত নাজিল হয় æহে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো যেভাবে তা ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যাতে তোমরা সংযমী হও”। (সূরা বাকারা, আয়াত-১৮৩)।বাকারার ১৮৫ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা আরও বলেছেন, æতোমাদেরমধ্যে যে ব্যক্তি সেই মাসকে পায় সে যেন রোজা রাখে”।পবিত্র রমজানের ফজিলত ও মর্যাদা সম্পর্কে হাদিসের কিতাবগুলোতে অনেকহাদিস বর্ণিত হয়েছে। এর ভেতর থেকে কিছু হাদিস এখানে উল্লেখ করা হলো- প্রিয় নবীজি (সা.) এর প্রিয় সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন, রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, যখন রমজান মাস আসেআসমানের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবংদোজখের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়। (বুখারী, মুসলিম)হাদিসে এসেছে, হযরত সাহ্ল ইবনে সা’দ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম (সা.) এরশাদ করেছেন,বেহেশতের ৮টি দরজা রয়েছে। এর মধ্যে ১টি দরজার নাম রাইয়ান। রোজাদার ব্যতিত আর কেউ ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। (বুখারী, মুসলিম)হাদিস বিশারদ সাহাবী হযরত আবুহুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেছেন, হুজুর (সা.) বলেছেন,ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের নিয়তে রমজানমাসের রোজা রাখবে তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসের রাতে এবাদত করে তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের নিয়তে কদরের রাতে ইবাদত করেকাটাবে তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। (বুখারী, মুসলিম)হাদিসে আরো এসেছে, রাসুল (সা.) বলেন, আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেছেন,ছাড়া আদম সন্তানের প্রত্যেকটি কাজই তার নিজের জন্য। তবে রোজা আমার জন্য। আমি নিজেই এর পুরস্কার দেব। রোজা (জাহান্নামের আজাব থেকে বাঁচার জন্য) ঢাল স্বরুপ। তোমাদের কেউ রোজা রেখে অশ্লীল কথাবার্তায় ও ঝগড়া বিবাদে যেন লিপ্তনা হয়। কেউ তার সঙ্গে গালমন্দ বা ঝগড়া বিবাদ করলে শুধু বলবে, আমি রোজাদার। সেই মহান সত্তার কসম যার করতলগত মুহাম্মদের জীবন, আল্লাহর কাছে রোজাদারের মুখের গন্ধ কস্তুরীর সুঘ্রানের চেয়েও উওম। রোজাদারের খুশির বিষয় ২টি- যখন সে ইফতার করে তখন একবার খুশির কারণ হয়। আর একবার যখন সে তার রবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রোজার বিনিময় লাভ করবে তখন খুশির কারণ হবে। (বুখারী)।অপর একটি হাদিস হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন, রাসুলে পাক (সা.) বলেছেন,রোজা এবং কোরআন (কেয়ামতের দিন) আল্লাহর কাছে বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোজা বলবে, হে পরওয়ারদিগার! আমি তাকে (রমজানের) দিনে পানাহার ও প্রবৃত্তি থেকে বাধা দিয়েছি। সুতরাং তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। কোরআন বলবে, আমি তাকে রাতের বেলায় নিদ্রা হতে বাধা দিয়েছি। সুতরাং আমার সুপারিশ তার ব্যাপারে কবুল করুন। অতএব, উভয়ের সুপারিশই কবুল করা হবে (এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে)। (বায়হাকী)হাদিস শরীফে আরো এসেছে, হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, যখন রমজানের প্রথম রাত আসে শয়তান ও অবাধ্য জিনদের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করা হয়। দোজখের দরজাগুলো বন্ধকরে দেওয়া হয়। অতপর এর কোনো দরজাই খোলা হয় না। বেহেশতের দরজাগুলো খুলেদেওয়া হয়। অতপর এর কোনো দরজাই বন্ধ করা হয় না। এ মাসে এক আহ্বানকারী আহ্বান করতে থাকে, হে ভালোর অন্বেষণকারী! অগ্রসর হও। হে মন্দের অন্বেষণকারী! থামো। আল্লাহ তায়ালা এমাসে বহু ব্যক্তিকে দোযখ থেকে মুক্তি দেন। আর এটা এ মাসের প্রতি রাতেই হয়ে থাকে। (তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ)।হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, যখন রমজান মাস উপস্থিত হতো রাসুল (সা.) সমস্ত কয়েদিকে মুক্তি দিতেন এবং প্রত্যেক প্রার্থনাকারীকে দান করতেন। (বায়হাকী)হাদিসের বইয়ে আরো পাওয়া যায়, নবী করীম (সা.) বলেছেন, কেউ যদি (রোজা রেখেও) মিথ্যা কথা বলা ও খারাপ কাজ পরিত্যাগ না করে তবে তার শুধু পানাহার ত্যাগ করা (অর্থাৎ উপবাস ও তৃষ্ণার্ত থাকা) আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। (বুখারী)পবিত্র রমজান মাস মহান আল্লাহর সঙ্গে প্রিয় বান্দার প্রেম বিনিময়ের সবচেয়ে উত্তম সময়। এই মাসেপবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। তাই এ মাসের ফজিলত ও মর্যাদা বেড়ে গেছে আরো বহুগুণ। রমজানের ফজিলত নিয়ে আরোঅনেক হাদিস বিভিন্ন সাহাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে।হযরত সালমান ফারসী (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, একবার রাসুল (সা.) আমাদের শাবান মাসের শেষ তারিখে ভাষণদান করলেন এবং বললেন, হে মানবমণ্ডলী! তোমাদের প্রতি ছায়া বিস্তার করেছে এক মহান মাস, মোবারক মাস। এটি এমন মাসযাতে একটি রাত রয়েছে যা হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। আল্লাহ তায়ালা এই মাসের রোজাগুলোকে করেছেন (তোমাদের ওপর) ফরজ আর রাতে নামাজ পড়াকে তোমাদের জন্য করেছেন নফল। এই মাসে যে ব্যক্তি আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশে ১টি নফল আমল করল সে ওই ব্যক্তির সমান হলো, যে অন্য মাসে ১টি ফরজ আদায় করলো। আর যে ব্যক্তি এই মাসে ১টি ফরজ আদায় করলো সে ওই ব্যক্তির সমান হলো, যে অন্য মাসে ৭০টি ফরজ আদায় করলো। এটা ধৈর্য্যের মাস। আর ধৈর্য্যের সওয়াব হলো বেহেশত। এটা সহানুভূতি প্রদর্শনের মাস। এটা সেই মাস যে মাসে মুমিন বান্দার রিজিক বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এ মাসে যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে তা তার জন্য গুনাহ মাফের এবং দোযখের আগুন থেকে মুক্তিরকারণ হবে। এছাড়া তার ছওয়াব হবে রোজাদার ব্যক্তির সমান।অথচ রোজাদার ব্যক্তির সওয়াব কমবে না। এসব শুনে সাহাবীরা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! আমাদের প্রত্যেক ব্যক্তি তো এমন সামর্থ রাখেনা যে রোজাদারকে (তৃপ্তি সহকারে) ইফতার করাবে? রাসুল (সা.) বললেন, আল্লাহ পাক এই ছওয়াব দান করবেন যে রোজাদারকে ইফতার করায় এক চুমুক দুধ দিয়ে, অথবা একটি খেজুর দিয়ে, অথবা এক চুমুক পানি দিয়ে। আর যেব্যক্তি কোনো রোজাদারকে তৃপ্তির সঙ্গে খাওয়ায় আল্লাহ তায়ালা তাকে হাউজে কাউছার থেকে পানি পান করাবেন যার পর সে পুনরায় তৃষ্ণার্ত হবে না জান্নাতে প্রবেশ করা পর্যন্ত। এটা এমন পবিত্র মাসের প্রথম দিক রহমত, মাঝের দিক মাগফিরাত, আর শেষ দিক হচ্ছে দোযখ থেকে মুক্তির। যে ব্যক্তি এই মাসে আপন অধীনস্থ দাস-দাসীদের কাজের বোঝা হালকা করে দেবে মহান আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন এবং তাকে দোযখ থেকে মুক্তি দান করবেন। (বায়হাকী)প্রিয় নবীর প্রিয় সাহাবী হযরত আবু ওবায়দা (রা.) রমজানের গুরুত্ব সম্পর্কে আরেকটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, হুজুর (সা.) এরশাদ করেছেন, রোজা মানুষের জন্য ঢালস্বরুপ যতক্ষণ পর্যন্ত তা ফেড়ে না ফেলা হয় (অর্থাৎ রোজা মানুষের জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ হবে যতক্ষণ পর্যন্ত তা নিয়ম অনুযায়ীপালন করা হয়)। (ইবনে মাজাহ, নাসাঈ)সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে এ সম্পর্কে আরেকটি বর্ণনা এসেছে। তিনি বলেছেন, হুজুর (সা.) এরশাদ করেছেন, অনেক রোজাদার ব্যক্তি এমন রয়েছে যাদের রোজার বিনিময়ে অনাহারে থাকা ব্যতিত আর কিছুই লাভ হয় না। আবার অনেক রাত জাগরণকারী এমন রয়েছে যাদের রাত জাগার কষ্ট ছাড়া আর কিছুই লাভ হয় না। (নেক আমল যদি এখলাস ও আন্তরিকতার সঙ্গে না হয়ে লোক দেখানোর উদ্দেশে হয় তাহলে এর বিনিময়ে কোনো সওয়াব পাওয়া যায় না)। (ইবনে মাজাহ, নাসাঈ)হযরত আবু হুরায়রা (রা.) আরো বলেছেন, নবী করীম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে শরীয়ত সম্মত কোনো কারণ ছাড়া রমজানের একটি রোজাও ভাঙে সে রমজানের বাইরে সারাজীবন রোজা রাখলেও এর বদলা হবে না। (তিরমিযী, আবু দাউদ) রমজানের ফজিলত সম্পর্কে বিখ্যাত সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, নবী করীম (সা.) বলেছেন, রমজানের জন্য বেহেশত সাজানো হয় বছরের প্রথম থেকে পরবর্তী বছর পর্যন্ত। তিনি বলেন, যখন রমজান মাসের প্রথম দিন উপস্থিত হয় বেহেশতের গাছের পাতা হতে আরশের নিচে বড় বড় চোখ বিশিষ্ট হুরদের প্রতি বিশেষ হাওয়া প্রবাহিত হয়। তখন তারা বলে, হে পালনকর্তা! আপনার বান্দাদের মধ্য হতে আমাদের জন্য এমন স্বামী নির্দিষ্ট করুন যাদের দেখে আমাদের চোখ জুড়াবে এবং আমাদের দেখে তাদেরচোখ জুড়াবে। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে পবিত্র রমজানের ফজিলত জেনে বেশি বেশিনেক আমল করার তৌফিক দান করুন।
Share:

দূর্যোগের এই মুহূর্তে আপনার অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গেছে ফ্রি৩০টাকা। আপনজনের সাথে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রক্ষায় পাশে আছে গ্রামীণফোন।

আসসালামু আলাইকুম,আসা করি সবাই ভালো আছেন।গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে সাইক্লোন ‘মোরা’য় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ঘূর্ণিঝড় আক্রান্ত এলাকায় সব গ্রামীণফোন প্রি-পেইড নম্বরে পৌঁছে যাচ্ছে ৩০ টাকা ব্যালেন্স। চেক করতে ডায়াল করুন *566#দুর্যোগে আপনজনের সাথে যোগাযোগ থাকুক নিরবচ্ছিন্ন।যেসব যায়গায় প্রযোজ্যঃকক্সবাজার | টেকনাফ | সেন্ট মার্টিন | কুতুবদিয়া | হাতিয়া | সন্দ্বীপ | মহেশখালী | আনোয়ারা | বাশখালি | পতেঙ্গা | চকোরিয়া | সুবর্ণচর | পেকুয়া
Share:

(মেগা অফার) রবি সিম দিচ্ছে ১৩ টাকায় ১জিবি ইন্টারনেট।

রবি গ্রাহকদের জন্য ননস্টপ ধামাকা অফার।রবির বর্তমানেঅনেক গুলো অফার আছে যেগুলো অনেকেই​ জানেন।যারাএই অফার সম্পর্কে জানেন তাদের জন্য আমার এই টিউননা। যারা এখনও এই অফারের সমন্ধে জানেন না তাদেরজন্যই​ শুধু আমার এই টিউন। ১৩৳ Recharge এ রবি গ্রাহকরাপাচ্ছেন ৩ দিন মেয়াদি ১ জিবি ইন্টারনেট সাথে আরোপাচ্ছেন ৪৫ এম্বি এবং ৩০ দিনের ফেছবুক প্যাক।প্রথমেইবলে রাখি এটি সবাই পাবেন না।*৯৯৯# ডায়েল করে যদিনিচের মত দেখায় তাহলে আপনি পাবেন।আর যদি আমারদেয়া Screenshot এর মত কিছু না দেখতেপারেন তবে শুধু শুধুRecharge করবেন না।প্রথমে *৯৯৯# ডায়াল করুন।নিচের মত আসলে “n” লিখেsend করুন।4 এর মত আপনারও 13 tk Recharge-e 1GB*আপনাকে শুধু ১৩৳ Recharge করতে হবে প্রথমে আপনিপাবেন ৪৫ এম্বি এবং ১৫-২০ মিনিট এর মধ্যেই আপনি ১জিবি পেয়ে যাবেন যার মেয়াদ হবে ৩ দিন এবং এটি ২৪ঘন্টাই ব্যবহার করতে পারবেন।আমি এপর্যন্ত ৩ বার নিয়েছি আজ আবার নিলাম।
Share:

জে‌নে‌নিন রমজান মা‌সের কিছু গুরত্বপূর্ন ফ‌জিলত ।

মাহে রমযান বছরের বাকি এগার মাস অপেক্ষা অধিক মর্যাদাশীল ও বরকতপূর্ণ মাস।এ মাসের বিশেষত্ব অনেক।এ মাসেই মানুষ ও জিন জাতির মুক্তির সনদ কুরআন মজীদ একত্রে লাওহে মাহফূযথেকে প্রথম আসমানে বাইতুল ইযযতে অবতীর্ণ হয় এবং রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট সর্বপ্রথম এ মাসেই ওহী অবতীর্ণ হয়।কুরআন মজীদে ইরশাদ হয়েছে- (তরজমা)‘রমযান মাসই হল সে মাস যাতে নাযিল করাহয়েছে কুরআন,যা মানুষের জন্য হেদায়াত এবং সত্যপথযাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট পথনির্দেশ।-সূরা বাকারা ১৮৫ ২. এ মাসে রহমতের দরজা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।হাদীস শরীফে এসেছে-‘রমযান মাস শুরু হলেই রহমতের দরজা খুলে দেওয়া হয়।’-সহীহ মুসলিম,হাদীস ১০৭৯/২ ৩. অন্য এক হাদীসে এ মাসের ফযীলত বর্ণিত হয়েছে যে,‘রমযান মাসের শুভাগমন উপলক্ষে জান্নাতের দরজাসমুহ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।আর শয়তানকে শৃংখলাবদ্ধ করা হয়।’-সহীহ বুখারী, হাদীস ১৮৯৯;সহীহ মুসলিম, হাদীস ১০৭৯/১ ৪. এ মাস জাহান্নাম থেকে নাজাত লাভের মাস।সুতরাং বেশি বেশি ইবাদত ও ইস্তেগফারের মাধ্যমে মুক্তির পরওয়ানা লাভ করার এটিই সুবর্ণ সুযোগ।হাদীস শরীফে এসেছে-‘আল্লাহ তাআলা প্রত্যহ ইফতারের সময় অসংখ্য ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন।’-মুসনাদে আহমদ হাদীস ২১৬৯৮ ৫. ব্যবসায়ী মহলের একটি বিশেষ মৌসুম থাকে যখন তাদের ব্যবসা হয় খুব জমজমাট ও লাভজনক।সে মৌসুমে বৎসরের অন্য সময়ের চেয়েঅনেক বেশি আয় হয়।আখেরাতের ব্যবসায়ীদের জন্য আখেরাতের সওদা করার উত্তম মৌসুম হল এই রমযান মাস।কেননা এ মাসে প্রতিটি আমলের অনেক গুণ বেশি ছওয়াব পাওয়া যায়।নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-‘রমযানের ওমরা হজ্জ সমতুল্য।’-জামে তিরমিযী, হাদীস ৯৩৯; সুনানে আবুদাউদ, হাদীস ১৯৮৬ অন্য এক বর্ণনায় (যা সনদের দিক থেকে দুর্বল) বিষয়টি এভাবে বর্ণিত হয়েছে যে,‘রমযান মাসে যে ব্যক্তি একটি নফল আদায় করল সে যেন অন্য মাসে একটি ফযর আদায় করল।আর যে এ মাসে একটি ফরয আদায় করল সে যেন অন্য মাসে সত্তরটি ফরয আদায় করল।-শুআবুল ঈমান ৩/৩০৫-৩০৬ অর্থাৎ এ মাসে নফল আদায় করলে অন্য মাসের ফরযের ন্যায় ছওয়াব হয়।আর এ মাসের এক ফরযে অন্য মাসের ৭০ ফরযের সমান ছওয়াব পাওয়া যায়।আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমযান মাসের উছিলায় মাফ করে দেন………… (আমিন)
Share:

[Mega Post] আপনে কিফেসবুক হ্যাকের ভয়ে আছেন????? দূর এই সব ছারুন!!!, এ দিকে আসুন

আসলে শখের ফেসবুক আইডি যদি হ্যাক হয়।এটা অনেক কষ্ট ও শ্রম দেয়।যেকারনে একটু বাড়তি সিকিউরিটি দেওয়া প্রয়োজন আপনার ফেববুুকে। আমি একটা কথা রাখি যারা যানেন না শুধু তাদের জন্য এই পোস্ট। তাই কেউ জেনে থাকলে খারাপ মন্তব্য করবেন না। এতে টিওনার দের মন খারাপ হয়। এখন আসল কথায় আসি।যাই হোক দিয়ে দিন আপনারফেসবুকে এক্সট্রা সিকিউরিটি।কীভাবে করবেন-??★প্রথমে আপনার ফেসবুকে লগইন করুন।★তারপর আপনার ফেসবুকে Setting অপশনে যান।★সেখান থেকে Security তে ক্লিক করুন।★দেখবেন নিচের ছবির মত পেজ আসবে।★সেখান থেকে Login Approvals এ ক্লিক করুন।★তারপর নিচের ছবির মতো অপশনে টিক চিহ্ন দিন,মানে ওকে করুন।তারপর আপনার ফোন নাম্বার দিন,আগে দেওয়া থাকলে আর দেওয়া লাগবে না।আপনার ফোনে কোড জেনারেট করুন। তারপর সেইকোড আপনার ফেসবুকে দিন।পরবর্তীতে আপনার ফেসবুকে নতুন কোন ব্রাউজারদিয়ে লগইন করতে চাইলে আপনার ফোনে একটি কোডআসবে, সেটা দিয়ে লগইন করতে হবে। অন্যথায়ফেসবুকে লগইন করতে পারবে কেউ।ব্যাস হয়ে গেলো আপনার ফেসবুক নিরাপদ।আরেকটা কথা আপনার ফেসবুকে ২ টি মেইল যোগকরবেন অযথা অ্যাপে যাবেন না, রিকুয়েস্টপাঠাবেন না।
Share:

রোজা রেখে যাদের গ্যাসের সমস্যা হচ্ছে তারা এই টিপ্সটি ফলো করুন। [

হাই সবাই কেমন আছেন ।আশাকরি খুব ভালোআছেন।রোজা রাখার কারনে আমাদের অনেকের গ্যাসের সমস্যা হচ্ছে। তাই আমরা সবাই এই পরামর্শ গুলো মেনে চলব।মানুষ যে কর্মই করুক না কেন তার প্রধান উদ্দেশ্য কিন্তু খাওয়া। কিন্তু অনেকেই আছেন এই কাজের ব্যস্ততায় খাওয়ার কথা ভুলে বসে থাকেন। সকালে তাড়াহুড়ো করে বের হতে গিয়ে সকালের নাস্তা না করা বা দুপুরেকাজের ব্যস্ততায় বিকেল গড়িয়ে খাবার খাওয়ার মতো কাজ অনেকেই অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন। এই অভ্যাসের পরিণতি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা। খাওয়ার সময় এবং খাবার একটু এদিক সেদিক হলেই প্রচণ্ড ব্যথা হতে থাকে যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে।এই বিষয়টি মোটেও অবহেলা করার মতো নয়।কারণ অবহেলার কারণেই সাধারণ গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা মারাত্মক আলসারের আকার ধারণ করে। তাই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাকে অবহেলা নয়।নিয়ম মেনে চলে এবং ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে সমস্যার সমাধান করা উচিত। তবে গ্যাস্ট্রিকের সাধারণ ব্যথা সমস্যার সমাধান কিন্তু আপনি ঘরেই করে নিতে পারেন। আজকে শিখে নিন এমনই কার্যকরী খুবই সহজ কিছু ঘরোয়া সমাধান।১) দারুচিনির ব্যবহারদারুচিনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানে বিশেষভাবে কার্যকরী। দারুচিনি অ্যাসিডিটি, পেটে ব্যথা এবং পেটের গ্যাসের সমস্যা সমাধান করে তাৎক্ষণিক ভাবেই।– কফি, ওটমিল কিংবা গরম দুধে দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন, খুবদ্রুত ফলাফল পাবেন। তবে যদি দুধে সমস্যা থাকে তাহলে দুধ খাবেন না।– চাইলে পানিতে দারুচিনি গুঁড়ো ফুটিয়ে ছেঁকে মধু মিশিয়ে চায়ের মতো পান করতে পারেন। এতেও সমস্যার উপশম হবে।২) বেকিং সোডার ব্যবহারবেকিং সোডার অ্যাসিডিক উপাদান পাকস্থলীর অতিরিক্তি অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, গ্যাস দূর করেগ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধানে কাজকরে।– ১/৪ চা চামচ বেকিং সোডা ১ গ্লাস পানিতে ভালো করে গুলে নিন।– এই মিশ্রণটি পেটে সমস্যা অনুভূত হওয়ার সময়ে পান করে নিন। এতে দ্রুত ভালো ফলাফল পাবেন।৩) আদার ব্যবহারআদা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। আদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান প্রদাহ ও গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা উপশমে কাজ করে।– ২ কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ আদা কুচিএকটু ছেঁচে দিয়ে ফুটাতে থাকুন।– পানি শুকিয়ে ১ কাপ হয়ে এলে এতে ১-২ চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন, বেশ ভালো ও দ্রুত ফল পাবেন।– চাইলে শুধু আদা লবণ দিয়ে চিবিয়ে খেয়ে দেখতে পারেন। এতেও অনেক উপকার হবে।
Share:

Tuesday, May 30, 2017

এয়ারটেল সিমের ইউএসএসডি কোড গুলি দেখে নিন

আজ আমি নিয়ে এসেছি এয়ারটেল সিমের ইউএসএসডি কোড :এয়ারটেল সিমের ইউএসএসডি কোড,সংরক্ষণে রাখুন ॥ জরুরী প্রয়োজনের হয়তোপাবেন নাব্যালেন্স চেক: *778#সিম নম্বর প্রদর্শন:*121*6*3#প্যাকেজ দেখুন:*121*8#মিনিট চেক করতে :*778*5#বা*778*8#এসএমএস চেক করতে: *778*2#এমএমএস চেক করতে:*222*13#DATA (MB) চেক করতে:*778*39#বা*778*4#কলব্যাক অনুরোধ করতে: *121*5#নেট সেটিং করতে: *140*7#(অন) মিস কল অ্যালার্ট: *121*3*4#
Share:

৩০০ এমবি ২৯ মাত্র টাকা। এয়ারটেল গ্রাহকেরা এই সুবিধা পাবেন।

এখন আপনার এয়ারটেল সংযোগে মাত্র ২৯ টাকায় পাচ্ছেন ৩০০ এমবি ইন্টারনেট।অফারটি পেতে আপনাকে ডায়াল করতে হবে *123*025# ।অফারটি সীমিত সময়ের জন্য।
Share:

Tomar Lagi তোমার লাগি Shafiq Tuhin Lekha songs

Song: Tomar LagiLyric: Shafiq TuhinTune: Shafiq TuhinMusic Arrangement: Bappa MazumderTomar Lagiতোমার লাগি একই কাতারে সরকারি বিরোধী দল পাড়ার মোড়ে টেল্ডুলকারও শিষ বাজায় ছেড়ে ব্যাট বল তোমার লাগি খাদ্য দ্রব্যে দেয়না তো কেউ ফরমালিন জাকির হোসেন তবলা ছেড়ে বাজায় এখন ম্যান্ডোলিনতোমার লাগি পাগলা গারদে নেই আর এখন পাগলামি তোমার লাগি অবুঝ খোকা হয়ে গেছি এই আমি তোমার লাগি ঘড়ির কাটা উল্টো পথে চলে পাগল মন মনরে মন শুধু তোমার কথা বলেতোমার লাগি যুদ্ধ ছেড়ে আল-কায়েদা আর তালেবান কাঁধে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গাইছে দ্যাখো প্রেমের গান তোমার লাগি ঐ বখাটেরাও করেনা আর ইভটিজিং অকারণে হয় না দেশে ঘন ঘন লোড শেডিংতোমার লাগি প্রেমের মিছিলে চলছে দলে দলে তোমার লাগি কবিতা লেখেন আজও নির্মুলেন্দু গুণ তোমার লাগি শহর জুড়ে হয়নাতো নৃশংশ খুন তোমার লাগি ঐ সিলটিরাও কয় কথা সাধু ভাষায়সন্ন্যাসীরাও ধ্যান ভেঙে ঐ চেয়ে থাকে তোমার আশায় তোমার লাগি পাগলা গারদে নেই আর এখন পাগলামি তোমার লাগিঅবুঝ খোকা হয়ে গেছি এই আমি তোমার লাগি ঐ পলেটিশিয়ান যায়না রসাতলে
Share:

Quran Poro Islamic Welcome Tune Song

শিল্পী : আরোশি, পূণ্য, সারা , মুনিবা, তোয়া, মাঈশা , তিউশি, সেমন্তি, মাহফুজবিল্লাহ শাহী, শাহীনুর রহমান, হাসান আল বান্নাহ, আল-আমীন সাদ, সাইদ সুমন, আঃ মুকিত ভুইয়া, গোলাম মাওলা, রবিউল ইসলাম শিল্প।কথা : বিলাল হোসাইন নুরীসুর : মাহফুজ বিল্লাহ শাহীধ্বনি মিশ্রণ : জয়নাল আবেদীন একাত্তপ্রযোজনায় : সা রে গা মা একাডেমিপরিবেশনায় : মাই সাউন্ডএই গানটি আপনার মোবাইলে সেট করতে পারেন নিচে কোড দেয়া হল:WELCOME TUNE CODE:GP : 6617689AIRTEL : 6617689BANGLA LINK : 612437TeleTalk : 6617689গ্রামীনফোনের গ্রাহকরা এই গানটি ওয়েলকামটিউন সেট করতে মেসেজ অপশনে গিয়ে WT লিখে স্পেস দিয়ে 6617689 টাইপ করে পাঠিয়ে দিন 4000 নাম্বারেবাংলালিংক গ্রাহকরা এই গানটি আমারটিউন সেট করতে মেসেজ অপশনে গিয়ে down লিখে স্পেস না দিয়ে 612437 টাইপ করে পাঠিয়ে দিন 2222 নাম্বারেএয়ারটেল গ্রাহকরা এই গানটি কলারটিউন সেট করতে মেসেজ অপশনে গিয়ে CT লিখে স্পেস দিয়ে 6617689 টাইপ করে পাঠিয়ে দিন 3123 নাম্বারে
Share:

Rajneeti 2017 Bangla Movie Official Teaser Ft. Shakib khan , Apu Biswas HD*Exclusive*

Rajneeti 2017 Bangla Movie Teaser Shakib Khan.mp4 HD Mobile Bangla HindiEnglish Video Download, bangla full song,Rajneeti 2017 Bangla Movie Teaser Shakib Khan.mp4 3gp download,mp4 avi bangla movie download,full movie Rajneeti 2017 Bangla Movie Teaser Shakib Khan.mp4 clear print download,master print download, Rajneeti 2017 Bangla Movie Teaser Shakib Khan.mp4 full movie official print download,Rajniti Bangla Movie By Shakib Khan , Apu clean download Rajniti Bangla Movie By Shakib Khan , Apu, mp3 album download mp3 song full album zip file download Rajniti Bangla Movie By Shakib Khan , Apu, Rajneeti 2017 Bangla MovieTeaser Shakib Khan.mp4 mp4 downloadDownload Rajneeti 2017 Bangla Movie Teaser Shakib Khan.mp4 PC HD Video Rajniti Bangla Movie By Shakib Khan , Apu, HD print high quality download,low quality 2014,2013,2010,2011,2012,2015,2016 full download,Music mp3full mp3 download now,CD rip downloadRajneeti 2017 Bangla Movie Teaser Shakib Khan.mp4 Welcome Tune Code,Caller tune,Teletune,Ichche Tune ,Gp wtCode full lyrics


http://bdlove24.com/video/view/55498324
Share:

[love tips]জেনে নিন প্রেম ভালোবাসা নিয়ে গুণীজনদেররেখে যাওয়া কিছু বানী

আসুন জেনে নেই প্রেমভালোবাসা নিয়ে গুণীজনদেররেখে যাওয়া কিছু বানী।প্রথমেই বলে নেই এগুলু আমারলেখা নয়। আমার প্রায়প্রত্যেকটি লেখাই অনলাইনথেকে সংগ্রহ করা। যাই হোকচলুন জেনে নেই।১)বারবার একই ব্যাক্তিরপ্রেমে পড়া সার্থক প্রেমেরনিদর্শন। (ব্রোটন)২)প্রেম হল মানসিক ব্যাধি।(প্লুটো)৩)প্রেম হল ধীর প্রশান্ত ওচিরন্তন। (কাজী নজরুল ইসলাম)৪)সবকিছুর শুরু, মধ্য এবং অন্তইহচ্ছে প্রেম। (নফডেয়ার)৫)যৌবনে যার প্রেমএলোনা তার জীবন বৃথা। (শংকর)৬)একমাত্র প্রেমইবিয়েকে পবিত্র করতে পারে।আর একমাত্র অকৃত্রিমবিয়ে হচ্ছে সেটাই,যেটা প্রেমেরদ্বারা পবিত্রকৃত। (লিও টলষ্টল)৭)ভালবাসার কোন অর্থবা পরিমাণ নেই। (কাজী নজরুলইসলাম)৮)ভালবাসা দিয়েই কেবলভালবাসার ঋণ পরিশোধকরা যায়। (আলেকজেন্ডারব্রাকেন)৯)অন্ধভাবে কাউকে ভালবাসলে তারফল শুভ হতে পারেনা। (কারলাইন)১০)যে ভালবাসে কিন্তু প্রকাশকরে কম সে ভালবাসারক্ষেত্রে প্রকৃত। (জর্জ ডেবিটসন)১১)গভীর ভালবাসার কোনছিদ্রপথ নেই। (জর্জ হেইড)১২)ভালবাসার নদীতে জোয়ারভাটা আছে। (জন হে)১৩)ভালবাসা হচ্ছে জীবনেরবন্ধু। (জেমস হাওয়েল)১৪)ভালবাসা হৃদয়েরদরজা মুহুর্তেই খুলে দেয়। (টমাসমিল্টন)১৫)ভালবাসা দিয়ে মরুভুমিতে ফুলফোটানো যায়। (ডেভিসবস)১৬)ভালবাসা এমনএকটি প্লাটফর্ম যেখানে সবমানুষ দাড়াতে পারে। (টমাসমিল্টন)১৭)মানুষের জীবন হলো একটি ফুল,আর ভালবাসা হলো মধুস্বরুপ।(ভিক্টর হোগো)১৮)পাখিরা বাসা বাধে লতা পাতা দিয়ে,আর মানুষবাধে ভালবাসা দিয়ে।(মুঃ ইসহাক কোরেশী)১৯)একমাত্রভালবাসা সারাতে পারে সবরোগ। (গতিয়ে)২০)যাকে ভালবাসতাকে চোখের আড়াল করোনা।(বঙ্কিম চন্দ্র)২১)ভালবাসতে শেখ,ভালবাসা দিতে শেখ।তাহলে তোমারজীবনে ভালবাসার অভারহবেনা। (টমাস কুলার)২২)ভালবাসার প্রতিদানেইভালবাসা পাওয়া যায়।২৩)তুমি অপরকে ভালনা বাসলে,অপরেরভালবাসা পেতে পারনা।২৪) যদি কেউআপনাকে ভালবাসে ,তবে কোন কিছুই তাকে আপনারথেকে দূরে সরাতে পারবে না !আর যদি ভালবাসার অভিনয়করে , যাবার সময় কোন কিছুইতাকে ধরে রাখতে পারবে না!
Share:

[লাইফ স্টাইল] সত্যিকারের ভদ্রমেয়ের কিছু বৈশিষ্ট্য--

ভদ্রমেয়েরা হচ্ছে সমাজের সৌন্দর্য।এমন অনেকপুরুষ আছেন যারা ভদ্রমেয়ে বিয়ে করবেন এইভেবে বিয়েই করছেন না, অথচবিয়ের বয়সযাচ্ছে পেরিয়ে। আসুন কিছু কমনবৈশিষ্ট্যদেখে চিনে নেই সত্যিকারের ভদ্রমেয়েঃ---[/colour]১) ভদ্র মেয়েরা সর্বপ্রথম তাদেরপোশাক নিয়ে খুবসচেতন থাকে। এমন কিছুপরে না যাতে করেবাহিরের কেউ চোখতুলে তাকাতে সাহস করে।অনেকেবোরখাপরতেস্বাচ্ছন্দ্যবোধকরে।২) ভদ্র মেয়েরা প্রেমের ব্যাপারনিয়ে খুবসিরিয়াস থাকে। তারা সচারচরপ্রেমে জড়াতেচায় না, কিন্তুযদি কারো সাথে প্রেমে জড়িয়েতাহলে মন প্রাণদিয়ে চেষ্টা করে তা টিকিয়ে র৩) ভদ্র মেয়েরা সবসময় বন্ধু, পরিবারএবংবয়ফ্রেন্ডকে আলাদাভাবে গুরুত্বদেয়। একটিরজন্য অপরটির উপর প্রভাব পড়ুকতা তারা চায় না।যার জন্য তাদেরঝামেলা পোহাতে হয় বেশি।৪) ভদ্র মেয়েদের রাগ একটু বেশি।যার উপররেগে যায় তাকে মুখের উপর সববলে দেয়।মনে কোনও রকম রাগ,হিংসে লুকিয়ে রাখে না।এতে অনেকেরকাছে ঝগড়াটে উপাধিওপেয়ে বসে।৫) ভদ্র মেয়েদের রাগেরঝামেলা পোহাতে হয়বিশেষ করে তাদের বয়ফ্রেন্ডকে।এরা রেগে থাকলেঅযথা বয়ফ্রেন্ডকে ঝাড়ে।পরবর্তীতে নিজেদেরভুল বুঝতে পেরে সরি বলে।যে মেয়ে তারবয়ফ্রেন্ডকে সরি বলে তাহলে বুঝতেবয়ফ্রেন্ডকে খুববেশি ভালোবাসে।৬) ভদ্র মেয়েরা সাধারণতফেসবুকে ছবি আপলোডদেয় না। যদি দেয়তাহলে প্রাইভেসি দিয়ে রাখে।ফেসবুকে কতিপয় লুলু পুরুষথেকে তারা ১০০ হাতদূরে থাকে।৭) ভদ্র মেয়েদের বন্ধু/বান্ধবেরসংখ্যা খুব সীমিতথাকে।৮) ভদ্র মেয়েরা আড্ডা বাজিতে খুবএকটা যেতে চায় না। যার জন্যতাদের বন্ধু/বান্ধবথেকে ভাব্বায়ালি/আনকালচারখেতাব পেতে হয়।৯) ভদ্র মেয়েদের কবিতা লেখারপ্রতি আগ্রহবেশি। তারা তাদেরলেখা কবিতা সচরাচর কাছেরমানুষ ছাড়া কাউকে দেখাতে চায়না।১০) ভদ্র মেয়েরা সাধারণঘরকুনো স্বভাবেরবেশি হয়।১১) ভদ্র মেয়েদেরকাছে পরিবারের সম্মানটুকু সবারআগে। তারা পরিবারের সম্মানেরবিরুদ্ধে কোনওকাজ কখনও করে না।
Share:

কিভাবে বুঝবেন আপনার (মেয়ে/বোন/ অন্য কোন আপনজন) প্রেমে পড়েছে

প্রেমে পড়ার লক্ষ্যন:১. ঘন ঘন আয়না দেখবে২. উদাস হয়ে জানালারদিকে তাকিয়ে থাকবে৩. হঠাত্ করে শারীরিকপরিবর্তন ঘটবে৪. রূপচর্চায়বেশি মনোযোগী ওযত্নবান হবে৫. বারন করা সত্যেওবিদ্যালয়ে যাবে৬. বৃষ্টির দিনেওবিদ্যালয়ে যাবে যতইকষ্ট হোক৭.একা একা থাকতে বেশি পছন্দকরবে৮. TV তে প্রেমেরছবি বা রোমান্টিকছবি বেশি দেখবে৯. নিত্য নতুন মডেল ওআকর্ষনীয় পোশাকপড়তে ভালবাসবে১০. সব সময় মুখখোলা রাখারচেষ্টা করবে মুখোশথাকা সত্যেও
Share:

[Personal Tips] প্রেমের সম্পর্কে জড়াতে মেয়েরা ভয় পান যে ৬ টি কারণে

অনেক মেয়েই আছেন যারা প্রেমের সম্পর্কে জড়াতে অনেক বেশি ভয় পেয়ে থাকেন। অনেকের মুখেই শোনা যায় প্রেমের প্রতি অনীহার বাক্য, ‘কেন প্রেম করবো? কী হবে সম্পর্কে জড়ালে?’ ইত্যাদি। কেউ কেউ আবার এই ভয় নিয়েই সম্পর্কে জড়িয়ে থাকেন। তবে মন থেকে ভয় সম্পূর্ণভাবে তাড়াতেও পারেন না। ভয় নিয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর ফলে প্রমের সম্পর্কটিও তেমন সফল হয় না। এতে করে ক্ষতি হয় দুপক্ষেরই।.কিন্তু কী নিয়ে এই ভয়? কেনই বা এই সকল ভয়? কেন ভয় পান মেয়েরা সম্পর্কে জড়াতে? অনেক বিষয় রয়েছে যা মেয়েদের বাঁধা দিয়ে থাকে। মনের মধ্যে তৈরি করে দ্বিধা দ্বন্দ্বের। যে কারণে মেয়েরা প্রেমের সম্পর্কের দিকে এক পা এগোলে দু পা পিছিয়ে যান। জানতে চানকী সেই ভয়? চলুন তবে দেখে নেয়া যাক।ভুল মানুষের সাথে প্রেমের ভয়মেয়েরা সব চাইতে বেশি ভয় পান ভুল মানুষের সাথে প্রেমকে। দেখা গেলো অনেক চিন্তা ভাবনা করেই প্রেমের সম্পর্কে জড়ালেন কিন্তু পরবর্তীতে সেই মানুষটিই ভুল মানুষহিসেবে জীবনে ঝড় তুলে দিয়ে গেলেন। এই ধরণের ভয়ে মেয়েরা প্রেমের সম্পর্কে জড়াতে চান না। কারণ ভুল মানুষের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে কষ্টপাওয়ার থেকে একাকি জীবন অনেক আনন্দের।.স্বাধীনতা হারানোর ভয়স্বভাবত কারণেই ছেলেরা মেয়েদের উপর কর্তিত্ব খাটাতে বেশি পছন্দ করেন। সব কাজেই নিজের প্রেমিকের খবরদারী এবং সব কাজে বাঁধা পাওয়ার ভয়ে অনেক মেয়ের মন থেকে প্রেমের ইচ্ছাই চলে যায়। নিজের স্বাধীনতা হারানোর ভয়ের কারণে অনেকেই প্রেম করতে চান না।.বন্ধু হারানোর ভয়ওই ছেলের সাথে কথা বলবে না, বন্ধুদের আড্ডায় বেশি যাবে না, ঘরেথাকো, বন্ধুদের সাথে খুব বেশি মিশবে না ইত্যাদি কথার পাশাপাশি সারাক্ষণ একসাথে থাকার কারণে বন্ধু বান্ধব হারিয়ে হায় জীবন থেকে। নিজের একলা সময়েও কোনো বন্ধুর কাছে যাওয়া সম্ভব হয় না তখন। এই ধরণের বন্ধু হারানোর ভয়েও অনেক মেয়ে প্রেমেরসম্পর্কে জড়াতেচান না।.পরিবারের ভয়মেয়েদের প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোতে পিছিয়ে জাওয়ার অন্য একটি কারণ হচ্ছে পরিবারের ভয়। একটি ছেলের তুলনায় একটি মেয়ে এই দিক থেকে অনেক বেশি অসহায়। মেয়েটি তার পরিবারের কাছে বাঁধা। যদি পরিবারের মানুষজনের মত না থাকে তবে মেয়েটির কিছুই করার থাকে না। শুধু কষ্ট পাওয়া ছাড়া। অনেক ছেলেই পরিবারকে মানিয়ে নিতে পারেন কিন্তু মেয়েরা অনেক ক্ষেত্রেই পারেন না। এই ভয়ের কারণেই মেয়েরা পিছিয়ে আসেন সম্পর্কে জড়ানোর থেকে।.আপত্তিকর ঘটনার শিকার হওয়ার ভয়ইদানিংকার প্রেমের সম্পর্ক অনেক ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র দেহ সর্বস্ব। বলতে বা সুন্তে খারাপ লাগলেও এটিই আমাদের সমাজের বর্তমান দৃশ্য। অনেক সময় নিজের প্রেমিকের দ্বারাও অনেক মেয়েরা শোষিত হন। এই ধরণের আপত্তিকর ঘটনার ভয়েও অনেক মেয়েরা প্রেমের সম্পর্কে জড়াতে ভয় পান।.ভয়াবহ কিছু হওয়ার ভয়ইদানীং পত্রিকার পাতা খুললেই প্রেমের সম্পর্কে প্রত্যাখ্যান কিংবা প্রেমের সম্পর্কচ্ছেদের ফলে মেয়েদের ওপরে নানা অত্যাচারেরঘটনা চোখে পড়ে। এই সকল কারনেও অনেকমেয়ে রয়েছেন যারা বলতে গেলে ছেলেদের এড়িয়েই চলেন। প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর কথা ভাবতেও পারেননা এই ভয়ে।
Share:

[Personal Tips] যখন একই সঙ্গে ভালোবাসেন দুজনকে...

ভাবছেন একই সঙ্গে দুজনকে কী করে ভালোবাসা সম্ভব? মানুষের মন বড় বিচিত্র জিনিস। মনে করে দেখুন তো, এমন ঘটনা কি আপনি কখনোই শোনেননি যে, একটি ছেলে বা মেয়ে একাধিক জনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ধরে রেখেছে? নিশ্চয়ই শুনেছেন। বিশেষ করে এখনকার সময়ে, যখন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠতে এবং ভেঙে যেতে মোটেও সময় লাগে না, একাধিক প্রেমে জড়িয়ে যাওয়া অহরহ ঘটে থাকে। আদতে কি এটা ঠিক? এটা উচিত কি অনুচিত, সে তর্কে আমরা না যাই, তবে এটা অবশ্যই জানা যেতে পারে, কেমন পরিস্থিতিতে মানুষ এ ধরনের দ্বিচারণেজড়িয়ে পড়ে এবং তখন আসলে কী করা উচিত।কেন এমন হয়মানুষ মরে গেল পচে যায় আর বেঁচে থাকলেবদলায় - এ প্রবাদসম বাক্যটির সঙ্গে নিশ্চয়ই আপনি অপরিচিত নন! একজনের মানুষের প্রতি আরেকজনের ভালো লাগাও প্রতিনিয়তই বদলে যায়। ..কখনো এই ভালো লাগা বাড়তে থাকে আবার কখনোবা কমে যায়। কখনো আবার ভালো লেগে যায় অন্য কাউকে! বেশির ভাগ সময়েই এই মন পরিবর্তনের কারণেই মানুষ হয়ে ওঠে দ্বিচারী, গড়ে তোলে একাধিক জনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক। আসুন জেনে নিই এর পেছনের কিছু কারণ।.স্বপ্নসঙ্গীর খোঁজপ্রতিটি মানুষই তার মনের মানুষ নিয়ে কিছু স্বপ্ন নিজের অন্তরে পুষে রাখে। কিন্তু একজনের মাঝেই সব গুণাগুণ পাওয়া সম্ভব নয়। হয়তো কারো সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেম করার পর সে যদি অন্য কারো মধ্য না-পাওয়া গুণগুলোর খোঁজ পায় তাহলে তার প্রতিও আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। তখন দুজন মানুষকেই ধরে রাখার প্রবণতা ব্যক্তিটির মধ্যে দেখা দেয়।.একাধিক প্রেমে জড়িয়ে পড়ার এটি একটি অন্যতম কারণ।.বেছে নিতে না পারাএটা প্রেমের শুরুর দিকের সমস্যা। যখন একজন মানুষের একাধিক সুযোগ থাকে, তখন এটা প্রকট আকার ধারণ করে। যেমন ধরুন, একজন ছেলে বা মেয়েকে দুজন মানুষ পছন্দ করে। তারা দুজনই সমান যোগ্যতা রাখে এবং সমান আকর্ষণীয়। বেশির ভাগ সময়েই দেখা যায় যে ওই ছেলেটি বা মেয়েটি দুজনের মধ্যে কাউকে বেছে নিতে না পেরে দুজনের সঙ্গেই .সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।.ফিরিয়ে দিতে না পারাএকজনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকার পরও অনেকের আরেকজনকে ভালো লেগে যায়। কিন্তু প্রথম জনকে ফিরিয়ে দিতে ও তারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগে। এই দোলাচল থেকেও অনেকে একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।.কী করবেন?আপনি কি একই সঙ্গে দুজন মানুষের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন? সমাজ এটাকে খারাপ নজরে দেখলেও আপনি হয়তো তা বুঝে উঠতে পারছেন না। আপনার কাছে ব্যাপারটি নেতিবাচক না মনে হলেও এ ধরনের দ্বিচারণের কিন্তু ভবিষ্যত্ অন্ধকার, এটা আপনাকে মানতেই হবে! তাই সময় থাকতেই নিজেকে সামলে নেয়া উচিত।.*.-নিজেকে প্রশ্ন করুন, নিজের মনকে বোঝার চেষ্টা করুন। নিজের সাথে কথা বলে ঠিক করুন আপনি আসলে কী চান এবং কাকে চান! নিজের মনের কথা শুনুন।.*.-নিজের ভবিষ্যত্ নিয়ে সবাই চিন্তা করে, এটা খারাপ কিছু নয়। আপনি খুব ভালো করে ভেবে দেখুন, কার সঙ্গে আপনি ভবিষ্যতেও ভালোভাবে থাকতে পারবেন। এবং একমাত্র তার সঙ্গেই আপনার সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যান।.*.-সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে প্রয়োজনে কাউন্সিলিং করতে পারেন। অথবা এমন কারো পরামর্শ নিন যিনি আপনাকে খুব ভালো করে চেনেন এবং বোঝেন।
Share:

[লাইফ স্টাইল] পুরুষ কখন বিরক্ত হয় জানেন?

পুরুষ কখন বিরক্তহয় জানেন?যখন কেউ তার পৌরুষবা ক্ষমতা বা দুর্বলতা নিয়ে খোঁচা দেয়।আর সেইবিষয়গুলো সবনারীরইজেনে থাকা ভালো।৬টি কথায়পুরুষরা বিরক্ত হয়১. তোমারচেয়ে আমি বেশি উপার্জনকরি।২. অফিসে কি বসেরঝাড়ি খেয়েছ?৩. বিয়েরআগে তুমি কতজনেরসঙ্গে প্রেম করেছ?৪. তুমি তো মায়েরআঁচলধরে থাকা ছেলে।৫. তুমি খুবঝগড়াটে স্বভাবের।৬. ছাত্রজীবনে খালি খারাপছবি দেখেছ, তাই না?
Share:

উপকূলে এবার ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত

আরো শক্তিশালী হয়ে বাংলাদেশ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোরা। সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। একই সঙ্গে মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার,নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং এগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোও ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।আর উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং এগুলোর দ্বীপ ও চর থাকবে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায়।
Share:

কিভাবে ফেসবুক প্রোফাইল এর হিডেন করা প্রাইভেট ফটো গুলো দেখবেন যারা জানেন না তাদের জন্য।

আজকে আমি আপনাদের জন্যনিয়ে এসেছি নতুন একটি ট্রিক্স।এটাহইত অনেকে খুজছিলেন কিভাবে ফেসবুক এর প্রাইভেট ফটোগুলোকে দেখা যায়।.আশলে এটা আগে যেতকিন্তু ফেসবুক এখন এটা ঠিক করেফেলেছে।কিন্তু নতুন একটি উপায়ে এইকাজটি করা যাবে এখন।.তো অনেক কথা বল্লাম।চলুন সুরু করা যাক আশল কাজ।.১।প্রথমে এটি করার জন্য আপনার অবশ্যয় Chrome Browser লাগবে।Chrome Browser ছাড়া এটি হবেনা।.২।এরপর এক্সটেন্সান এ গিয়েpicturemate এই এক্সটেন্সান টি ডাউনলোড করুন।.৩। ডাউনলোড করার পর এখন যেকোনো একটি ফ্রেন্ড এর প্রোফাইল এ ঢুকুন। আপনি ফ্রেন্ড এর প্রোফাইল এই ঢুকবেন অন্য কোন পেজ এ থাকলে হবেনা।.৪।এরপর ব্রাউজার এর উপরপিকচারমেট এর একটি আইকন আসবে সেটিতে ক্লিক করুন কিছখুন অপেক্ষা করুন।.৫।যদি আপনার ফ্রেন্ড এর কোনহিডেন পিকচার থেকে থাকে তাহলে সেটি সেখানে নোটিফিকেশান এর মত শো করবে।.৬।সেখান থেকে আপনি ফ্রী উইথঅ্যাড এটিতে ক্লিক করুন। যদি আপনি অ্যাড ছাড়া দেখতে ছান তাহলে আপনাকে প্র ভার্সন টাকা দিয়ে কিনতে হবে।আমার মনে হইনা কেউ টাকা দিয়ে সেটি কিনবে সুতরাং রেগুলার ভার্সন এ দেখুন।.৭।এরপর একটি অ্যাড শো করবে। সেটি স্কিপ করুন।.৮।বাস কাজ সেস।এখন আপনারফ্রেন্ড এর সকল হিডেন ফটো সহ সব ফটো
Share:

দুর্যোগ ও বিপর্যয়ে সময় যে সকল দোয়া পড়ললে মুক্তি মিলবে।।

আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিম ইরশাদ করেন, ‘এবংআমি অবশ্যই তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্যএবং আমরা সবাই তাঁরই সান্নিধ্যেফিরে যাব।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৫৫-১৫৬)তাই যে কোনো দুর্যোগ, বিপর্যয়, ভয় ও জান-মালের ক্ষতিতে বিচলিত না হয়ে ধৈর্যধারণ করা ঈমানদারের লক্ষণ। কেননা এগুলো আল্লাহ তআলার পক্ষ থেকে বান্দারজন্য পরীক্ষাস্বরূপ। যে দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় আল্লাহ তাআলার নিকট সাহায্য লাভে দোয়াশিখিয়েছেন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতের জন্যআল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন, যেন তাঁর উম্মতকে দুর্যোগ ও বিপর্যয় দিয়ে এক সঙ্গে ধ্বংস করে দেয়া না হয়। এ সব বিপদকালীন সময়ে বিশ্বনবি বেশি বেশি তাওবা ও ইসতেগফার করতেন এবং অন্যদেরকেও তা পড়তে নির্দেশ দিতেন। যা তুলে ধরা হলো-উচ্চারণ : ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ।’ (বুখারি ও মুসলিম)অর্থ : ‘আল্লাহ তাআলা ছাড়া কোনো শক্তি এবং ভরসা নেই।’তাছাড়া বিপদাপদে পড়লে দোয়া ইউনুস পড়ার কথাও হাদিসে উল্লেখকরা হয়েছে-উচ্চারণ- লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনজ জ্বালিমিন। (সুরা আম্বিয়া : আয়াত ৮৭)অর্থ : আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি নিশ্চয় আমি অপরাধের অন্তর্ভূক্ত।সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত- দুনিয়ার যাবতীয় দুর্যোগ, বিপর্যয় ও ভয়ের সময় আল্লাহ তাআলার দরবারে তাওবা ও ইসতিগফারকরব। আল্লাহ তাআলা উম্মতে মুসলিমাহকে বিপদাপদের মুহূর্তেতাওবা ও ইসতেগফার করার মাধ্যমে তাঁর নিকট প্রার্থনা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
Share:

নতুন সাইবার আইন আনছে চীন বিস্তারিত…

সাইবার সন্ত্রাস ও হ্যাকিংয়ের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি লড়াইয়ে বৃহস্পতিবার ‘বিতর্কিত’ একটি আইনপ্রণয়ন করতে যাচ্ছে চীন।এই আইনে দেশটিতে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলো ডেটা নজরদারি ও স্টোরেজ বিষয়ে কঠোর নীতিমালায় পড়বে, এ তথ্য প্রকাশকরেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা শিনহুয়া।রয়টার্স-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালের নভেম্বরে পাস হওয়া এই আইনে অনলাইন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যসংগ্রহ ও বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়। সেই সঙ্গে অপব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে তার তথ্য মুছে দেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়, বলা হয়েছে রয়টার্স-এর প্রতিবেদনে।সোমবার বিস্তারিত কোনো তথ্য না দিয়ে চীনা সংবাদ সংস্থাটি বলে, “যারা এই বিধিমালা অমান্য করবে ওব্যাক্তিগত তথ্য লঙ্ঘন করবে তারা বড় জরিমানার সম্মুখীন হবে।”এখন পর্যন্ত চীনা ডেটা খাতে কোনো সর্বোচ্চ ডেটা সুরক্ষা ফ্রেমওয়ার্ক নেই, এই খাত শিথিল কিছু আইনের মাধ্যমে চলছে।এদিকে, চীনের নতুন এই আইন বিদেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে হুমকির মুখে ফেলবে বলে দাবি দেশটির বাইরের সমালোচকদের।চলতি বছর মার্চে বৈদিশিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য চীনের অর্থনীতিতে প্রবেশের দরজা খোলা রাখা দেশটির অব্যাহত রাখা উচিত বলে মত দেন অ্যাপল প্রধান টিম কুক। সে সময় চীন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় চীনা ডেভেলপমেন্ট ফোরাম-এর এক অনুষ্ঠানে কুক বলেন, “আমি মনে করিচীনের নিজেদের উন্মুক্ত রাখা আরপারলে দরজাটা আরও প্রশস্ত করা গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও বলেন, “বাস্তবতা হচ্ছে যেসব দেশগুলো বদ্ধ, এতে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে, এটি তাদের জনগণের জন্য ভালো নয়।”
Share:

[ইসলামের কথা] রাতজেগে ইবাদত করার ফজিলত।

আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ও মাহমুদরহ……….আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা.থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীমসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জীবিতকালে কোন ব্যক্তি স্বপ্নদেখলে তা নবী করীম সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লাম-এরখিদমতে বর্ণনা করত। এতে আমারমনে আকাঙ্খা জাগল যে, আমি কোনস্বপ্ন দেখলে তা নবী করীমসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বর্ণনা করব। তখন আমি যুবকছিলাম। নবী করীম সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লাম -এরসময়ে আমি মসজিদে ঘুমাতাম।আমি স্বপ্নে দেখলাম, যেন দুজনফেরেশতা আমাকে ধরে জাহান্নামেরদিকে নিয়ে চলেছেন। তা যেন কুপেরপাড় বাঁধানোর ন্যায় পাড় বাঁধানো।তাঁতে দুটি খুটি রয়েছে এবং এরমধ্যে রয়েছে এমন কতক লোক, যাদেরআমি চিনতে পারলাম। তখনআমি বলতে লাগলাম, আমি জাহান্নামথেকে আল্লাহর নিকট পানাহ চাই।তিনি বলেন, তখন অন্য একজনফেরেশতা আমাদের সংগে মিলিতহলেন। তিনি আমাকে বললেন, ভয়পেয়ো না। আমি এ স্বপ্ন ((আমার বোনউম্মুল মু’মিনীন) হাফসা রা. -এরকাছে বর্ণনা করলাম। এরপর হাফসা রা.তা নবী করীম সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটবর্ণনা করলেন। তখন তিনি বললেনbr /> আব্দুল্লাহ কতই ভাল লোক ! যদি রাতজেগে সে সালাত (তাহাজ্জুদ) আদায়করত ! এরপর থেকে আবদুল্লাহ রা. খুব অল্পসময়ই ঘুমাতেন।
Share:

[ইসলামের কথা] এমন ১০ টা কাজ যা করলে বিপদ পতিতহবে

এমন ১০ টা কাজ যা করলে বিপদ পতিত হবে_________রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যখন আমার উম্মাত ১০টা কাজ করবে, তখন তাদের উপর বিপদ নেমে আসবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলো - হে রাসূল সা. কি কি? তিনি বললেন,১. যখন রাস্ট্রীয় সম্পদকে ব্যক্তিগতসম্পত্তি মনে করা হবে।২. যখন আমানত হিসেবে রক্ষিত সম্পদকে লুটের মাল হিসাবে গ্রহণ করা হবে অর্থাৎ আত্মসাৎ করা হবে।৩. যাকাতকে জরিমানার মতো মনে করা হবে।৪. স্বামী যখন স্ত্রীর আনুগত্য করবে এবং মায়ের অবাধ্য হবে।৫. বন্ধুর প্রতি সদাচারী ও পিতার সাথেদুর্ব্যবহারকারী হবে।৬. মসজিদে হৈ চৈ হবে।৭. জনগণের নেতা হবে সেই ব্যক্তি যে তাদের মধ্যেকার সবচেয়ে নিকৃষ্ট চরিত্রের অধিকারী।৮. মানুষকে তার ক্ষতির আশংকায় সম্মান করা হবে।৯. গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের হিড়িক পড়ে যাবে।১০. উম্মাতের পরবর্তীরা পূর্ববর্তীদেরকে অভিশাপ দেবে তখন আগুনে বাতাস আসবে, মাটির ধস ও দেহের বিকৃতি ঘটবে।[তিরমিযী]
Share:

[ইসলামের কথা] সকল সূরার নামের বাংলা অর্থ

০১ ফাতিহা-সূচনা০২ বাক্বারাহ -গাভী০৩ আলে ইমরান -ইমরানের পরিবার০৪ নিসা -নারীজাতি০৫ মায়িদাহ -খাদ্যপরিবেশিত টেবিল০৬ আন'আম -গৃহপালিত পশু০৭ আ'রাফ -উচ্চস্থানসমূহ০৮ আনফাল -যুদ্ধলব্ধ সম্পদ০৯ তাওবা -অনুশোচনা১০ ইউনূস -একজন নবীর নাম১১ হুদ - একজন নবীর নাম১২ ইউসুফ - একজন নবীর নাম১৩ রা'দ - বজ্রনাদ১৪ ইব্রাহীম - একজন নবীর নাম১৫ হিজর -পাথুরে পাহাড়১৬ নাহল -মৌমাছি১৭ বনী ইসরাইল - ইসরাইলের বংশধর/ ইহুদীজাতি১৮ কাহফ -গুহা১৯ মারইয়াম - ঈসা (আ) এর মাতার নাম২০ ত্ব-হা - দুটি আরবি হরফ২১ আম্বিয়া -নবীগণ২২ হজ্জ - মহাসম্মেলন২৩ মু'মিনুন -বিশ্বাসীগণ২৪ নূর - জ্যোতি২৫ ফুরক্বান -পার্থক্যকারী২৬ শু'আরা -কবিগণ২৭ নামল -পিপীলিকা২৮ ক্বাসাস - কাহিনী২৯ আনকাবূত -মাকড়সা৩০ রূম - রোমান জাতি৩১ লুকমান - একজন নবীর নাম৩২ সাজদাহ -সিজদা৩৩ আহযাব -সংযুক্ত শক্তিসমূহ৩৪ সাবা - একটি নগরের নাম৩৫ ফাতির -আদিস্রষ্টা৩৬ ইয়াসিন - দুটি আরবি হরফ৩৭ সাফ্ফাত - সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো৩৮ সোয়াদ - একটি আরবি হরফ৩৯ যুমার - দলবদ্ধ জনতা৪০ মুমিন -বিশ্বাসী৪১ ফুসসিলাত (হামীম সিজদাহ)-সুস্পষ্টবিবরণ৪২ শূরা -পরামর্শ৪৩ যুখরূফ -স্বর্ণালংকার৪৪ দুখান -ধোঁয়া৪৫ জাছিয়াহ -নতজানু৪৬ আহক্বাফ -বালুর পাহাড়৪৭ মুহাম্মদ -সর্বশেষ নবী ও রাসূলের নাম৪৮ ফাত্হ -বিজয়৪৯ হুজুরাত -বাসগৃহসমূহ৫০ ক্বাফ -একটি আরবি হরফ৫১ যারিয়াত - বিক্ষেপকারী৫২ তূর - পর্বত৫৩ নাজম - তারকা৫৪ ক্বামার -চাঁদ৫৫ আর-রাহমান -পরম করুণাময়৫৬ ওয়াক্বিয়া - অবশ্যম্ভাবী৫৭ হাদীদ -লৌহ৫৮ মুজাদিলাহ - অনুযোগকারী নারী৫৯ হাশর -মহাসমাবেশ৬০ মুমতাহানা -পরীক্ষাসাপেক্ষ নারী৬১ সাফ -সারিবদ্ধ সৈন্যদল৬২ জুমুআহ -সম্মেলন৬৩ মুনাফিকুন -ভণ্ড৬৪ তাগাবুন -মোহ অপসারণ৬৫ তালাক - বিচ্ছেদ৬৬ তাহরীম -নিষিদ্ধকর৬৭ মূলক -সার্বভৌম কর্তৃত্ব৬৮ ক্বালাম -কলম৬৯ হাক্ক্বাহ –নিশ্চিত সত্য৭০ মা'আরিজ -উন্নয়নের সোপান ৭১ নূহ -একজন নবীর নাম৭২ জ্বিন -জ্বিনজাতি৭৩ মুযযাম্মিল - বস্ত্রাচ্ছাদনক নারী৭৪ মুদাসসির -পোশাক পরিহিত৭৫ ক্বিয়ামাহ -পুনরুত্থান৭৬ ইনসান -মানবজাতি৭৭ মুরসালাত -প্রেরিত পুরুষগণ৭৮ নাবা -মহাসংবাদ৭৯ নাযিয়াত - প্রচেষ্টাকারী৮০ 'আবাসা - তিনি ভ্রুকুটি করলেন৮১ তাকবীর - অন্ধকারাচ্ছন্ন৮২ ইনফিত্বার -বিদীর্ণ করন৮৩ মুতাফ্ফিফীন - প্রবঞ্চনা করা৮৪ ইনশিক্বাক্ব - চূর্ণবিচূর্ণ করণ৮৫ বুরূজ -নক্ষত্রপুঞ্জ৮৬ ত্বারিক্ব -রাতের আগন্তুক৮৭ আ'লা -সর্বোন্নত৮৮ গ্বাশিয়াহ্ - বিহ্বলকারী ঘটনা৮৯ ফাজর -ভোর৯০ বালাদ -নগর৯১ শামস -সূর্য৯২ লাইল -রাত্রি৯৩ দ্বোহা -পূর্বাহ্ন৯৪ ইনশিরাহ -প্রশস্তকরণ৯৫ তীন -ডুমুরজাতীয় ফল৯৬ আলাক -রক্তপিণ্ড৯৭ ক্বদর -মহিমান্বিত৯৮ বাইয়্যিনাহ -সুস্পষ্ট প্রমাণ৯৯ যিলযাল -ভূকম্পন১০০ আদিয়াত -অভিযাত্রী১০১ ক্বারি'আহ -মহাপ্রলয়১০২ তাকাছুর -প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা১০৩ 'আসর -বিকালবেলা১০৪ হুমাযাহ - পরনিন্দাকারী১০৫ ফীল -হাতি১০৬ ক্বুরাইশ - একটি গোত্রের নাম১০৭ মা'ঊন -ছোটখাট সাহায্য সহযোগিতা১০৮ কাওসার -প্রাচুর্য১০৯ কাফিরূন - অবিশ্বাসীগণ১১০ নাসর -সাহায্য১১১ লাহাব -জ্বলন্ত অঙ্গার১১২ ইখলাস -একত্ব১১৩ ফালাক্ব - নিশিভোর
Share:

গবেষকদের চোখে বিয়ের ১০ উপকারিতা

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রায় প্রত্যেকটিমানুষের জীবনে কম বেশি বিয়ের বাসনা থাকে। অনেকে আবেগের তাড়নায় নির্দিষ্ট সময়ের আগেই বিয়ে করে ফেলেন। আবার অনেকে মনে করেন বিয়ে করা একটি বাড়তি ঝামেলা। এর চেয়ে অন্যকোন উপায়ে জৈবিক চাহিদা মেটানোই উত্তম।আসলে বিয়ে করা ভালো না খারাপ নাকি এটি একটি ঝামেলার কাজ তা নিয়ে সাধারণের মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব থাকলেও গবেষকরা বলছেন, বিয়ে করাই উত্তম। বিয়ের অনেকগুলো উপকারিতা রয়েছে।১.পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশেই দেখা যায় বিয়ে না করেই বান্ধবির সঙ্গে এক ছাদের নিচে বসবাস করছেন এবং সন্তানও নিচ্ছেন। তবে গবেষকরা বিয়ে না করে বান্ধবির সঙ্গে রাত কাটানোর পক্ষে নয়। তারা বলছেন এমনটি না করে বিয়ে করে পারিবারিবকভাবে জীবনযাপন করা উত্তম। তাতে মানসিক শান্তি আসে এবং সন্তানদের মানুষ করে তুলতে সহজ হয়।২.বিয়ের পরে নারী ও পুরুষ উভয়েই স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সচেতন হন। উভয়েই নিয়মিত ব্যায়াম করেন এবং শরীরের যত্ন নেন।৩. সেক্স সম্পর্কিত বিভিন্ন রোগের হাত থেকে মুক্ত থাকেন বিবাহিত দম্পতি। এইডসসহ বিভিন্ন ধরনের যৌন ব্যাধির সম্ভাবনা থাকে না।৪.বিয়ের পরে স্বামী-স্ত্রী সর্বদাআনন্দে থাকেন। এছাড়া তারা সেক্স করেওঅনেক মজা পান এবং শারীরিকভাবেও অনেক সুস্থ থাকে।৫. সম্প্রতি একটি গবেষণায়দেখা গেছে, বিবাহিত দম্পতির অ্যালকোহলের প্রতি কোন আকর্ষণ থাকেনা। কারণ তারা মানসিকভাবে খুব কমসময়ই অসুস্থ থাকে।৬.বিবাহিত নারী ও পুরুষ বেশি বেশি অর্থ উপার্জন করে এবং সে অনুযায়ী ব্যয় করে। তাছাড়া তাদের সমাজের কাছে অন্য ধরণের একটি গ্রহণযোগ্যতা থাকে।৭.বিবাহিত দম্পতিরা সন্তান সহজভাবেই লালন-পালন করতে পারে। তারা সবকিছু একে অপরকে সহযোগিতা করে বলে অন্যান্য ক্ষেত্রেও তাদের কম ঝামেলায় পড়তে হয়।৮.তাছাড়া বিয়ের পর মানুষের জীবনযাত্রার মানও বদলে যায়। আগের চেয়ে তারা উন্নতমানের জীবনযাত্রার প্রতি আকৃষ্ট হয়।৯.বিয়ের পর নারী ও পুরুষ উভয়েই আজীবনের জন্যে একজন সঙ্গী খুঁজে পায়। তার সাথে সুখ দুঃখের সমস্ত বিষয় শেয়ার করতে পারে।১০.তাছাড়া দাম্পত্য জীবনে মানুষ মানসিকভাবে অনেকটা শান্তিতে থাকে। এজন্য তারা বিভিন্ন রোগের হাত থেকেও মুক্তি পায়।
Share:

কিভাবে একজন নারীরস্তন্যে চুমা খাবেন ?

বেশিরভাগ পুরুষ এটা অনুমানকরেতে পারেনাbr /> যখন কোন পুরুষ তার সঙ্গীর স্তন্যে যৌনউত্তেজনা আনতে চান তখনতারা সরাসরি নিপলে (স্তন্যেরবোটা) চলে যান। পুরুষমুলতঃ এভাবে মনে করেন – ‘যেহেতুস্তন্যের বোটাই মুল উত্তেজক অংশতাই শুধু শুধু অন্য অঞ্চলে সময় নষ্ট কেন?’এটা মোটেও ভাল বুদ্ধি নয়।নারীরা আরো অনেক বেশি জটিল।নারীরা আশ্চার্যজনক কিছুঘটতে যাচ্ছে কিছুক্ষনের মধ্যে সেইআশায় থাকতে বেশি পছন্দ করে।টেনশান এবং এক্সাইটমেন্ট তাদেরবেশী পরিমানে উত্তেজিত করে।নারী তার যায়গার সর্বচ্চঅবস্থানে গিয়ে মজা অনুভব করে।যৌন মিলনের সময় একসাথে শুরুনা হয়ে ক্রমশঃ উত্তেজনা সৃষ্টি হোকএটা নারীর প্রত্যাশা।নারী কিভাবে চায় এটা?যখন আপনি স্তন্যে চুমা খাচেছন,এটা অতি উত্তম আপনি যদি স্তন্যেরভিত্তি (বেইস – নিপলথেকে সর্বচ্চো দূরে) থেকে শুরু করেন।চুমা, লেহন এবং স্পর্শ সবকিছুইথাকবে স্তন্যের ভিত্তির আশ-পাশঘেসে। তারপর আস্তে আস্তে পুর্নবৃত্তে সাপের মত চারপাশ ঘুর্নন পরিপুর্নকরুন। অতঃপর আরেকটু উপরেরদিকে পুনরার বৃত্তাকারে চুমা, লেহনএবং স্পর্শ করে অন্য ঘুর্নন বলয়তৈরি করুন।এভাবে আস্তে আস্তে স্তন্যেরবোটার দিকে আসুন।আপনি যত বেশি সময় নিয়ে বোটারকাছাকাছি আসবেন ততবেশি সে উত্তেজিত হবে। এ অবস্থায়বেশিরভাগ নারী তার এক্সপ্রেশানদিয়ে আহ্ববান করবে তার স্তন্যেরবোটা আপনার মুখে নেয়ার জন্য।এমনকি কেউ কেউ হাত দিয়ে আপনারমাথা টেনে তার বোটা চোষার জন্যচাপ সৃষ্টি করতে পারে।ধর্য্য ধরুন। এখনি মুখে স্তন্যেরবোটা নিবেন না। স্তন্যের বোটারকাছাকাছি আপনার সিঙারচালিয়ে যান। তাকে আরো ক্ষুধার্তকরে তুলুন।স্তন্যের বোটায় পৌছারআগে বোটার পাশের বাদামী রঙেরঅঞ্চল (এ্যরুলা) জুড়ে পুর্বের ন্যায় চুমা,লেহন এবং স্পর্শ করুন।এখানে কিছুটা সাবধান তারপ্রয়োজন আছে। খেয়াল রাখবেনস্তন্যের বোটায় যেন কোনছোয়া না লাগে।এবার স্তন্যের বোটা!প্রথমে জিহ্বা দিয়ে একবার লেহনকরুন। এবার হালকা ফু দিন লেহনকৃতঅঞ্চলে। এটি ঠান্ডা গরম যুক্তএকপ্রকার অনুভুতি জাগাবে তারস্তন্যে, যা অনেক নারী পছন্দ করেন।এর পুনরাবৃত্তি পুরা বোটা জুড়ে করুন।এবার কিছুক্ষনের জন্য স্তন্যেরবোটাটি মুখের ভিতর পুরে রাখুনএবং জিহ্বা দিয়ে ভেতরথেকে লেহন করুন।এখন সময় চরম চোষার!স্তন্যের বোটা আপনার মুখের ভিতরথাকা অবস্থায় আপনার ঠোটদিয়ে চাপ দিতে থাকুন। তারপরক্রমশঃ আপনার ঠোটের চাপকমিয়ে বোটা ছেড়ে দিন।এবং পুনরায় পুর্বেরকাজগুলো (বোটা মুখে নেওয়া,চোষা এবং ঠোট দিয়ে চাপ দেওয়া)।এবার আবার বোটা ছেড়ে পুর্বেরন্যায় সমস্ত স্তন্য জুড়ে আপনার তান্ডবচালান। তারপর আবার বোটায়ফিরে আসুন।হাতের ব্যবহারbr /> যখন আপনার মুখ তার স্তনে কাজকরছে তখন আপিনি হালকা করে হাতদিয়ে অন্য স্তনে ক্রমাগত চাপদিতে পারেন। লক্ষ্য রাখবেন অনেকনারী চায় এক স্তন্যে সমস্ত কর্মকান্ডশেষে অন্য স্তন্যের সিঙার চালু হোক।তাই আপনার সঙ্গীকে অবশ্যইজিজ্ঞেস করে নিন তার কি রকম চাই?কিছু গুরুত্বপুর্ন কথাbr /> *কখনো দাত দিয়ে স্তন্যে বা বোটায়কামড় দিবেন না। বেশিরভাগনারী এটা মোটেও পছন্দ করেনা।এতে বরং তার আগ্রহ মরে যায়।*কখনো এমন জোরে হাতের চাপদিবেন না যাতে আপনারসঙ্গী ব্যথা অনুভব করে।*কখনো স্তন্যের বোটা টুইষ্ট (রেডিওরনব এর মত ঘুরানো) করবেন না।*আপনি তাকে কানে কানে বলতেপারেন আপনি তার স্তন্য যুগল কত্তবেশি পছন্দ করেন। বলতে পারেনতোমার স্তন্যেরবোটা মুখে নিয়ে মনে হল আমি অমৃতচুষছি।*শুধু স্তন্যে থেমে থাকবেন না। দুইস্তন্যের মাঝের অংশটিতেও চুমা দিনএবং লেহন করুন মাঝে মাঝে।*তার কাছ থেকে তার মন্তব্যজিজ্ঞেস করুন। তার ভাললাগা/খারাপলাগার কথা শুনুন।পরিশিষ্ট: আমাদেরসবগুলো পোষ্টে শুধুমাত্র বৈধসম্পর্কের কথা বলা হয়। দয়করে অবৈধসম্পর্ক থেকে দূরে থাকুন। বিয়ে করেইশিখতে হবে যৌনতা –তা আমরা বলছি না।আবিবাহিতরা এখন শিখে রাখুন যেনবাস্তব জীবনে এর প্রয়োগ করে উপকৃতহতে পারেন।শুধুমাত্র শালীন এবং গঠনমুলক মন্তব্যগ্রহনযোগ্য।
Share:

Monday, May 29, 2017

৮ উপায়ে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ বাঁচান

যত দিন যাচ্ছে, স্মার্টফোনের ইন্টার্নাল স্টোরেজ বেড়েই চলেছে। কিন্তু, তা সত্ত্বেও অ্যাপের বহর যেভাবে বাড়ছে, তাতে ইন্টার্নাল স্টোরেজ সবসময়ই কম মনে হয়। কিন্তু, অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ইন্টার্নাল স্টোরেজ বাঁচানোর কিছু পদ্ধতি আছে। যা ফলো করলে একসঙ্গে অনেকটাই জায়গা বাঁচিয়ে নেওয়া যাবে।অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ বাড়ানোর ৮টি পদ্ধতি রইল পাঠকদের জন্য।ক্যাশে ও ডেটা ক্লিয়ার: ফোনের অ্যাপ ম্যানেজারে যান। সেখানে গিয়ে অ্যাপগুলি সিলেক্ট করুন। তারপর তার ডেটা ও ক্যাশে ডিলিট করুন। এতে পুরোনোঅ্যাপ পছন্দ মুছে গেলেও একসঙ্গে অনেক GB বেঁচে যায়। তবে মনে রাখবেন, অ্যাপ ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ক্যাশে বাড়বে এবং আপডেটের সঙ্গে সঙ্গে ডেটা সাইজ বাড়বে।পুরোনো ডাউনলোড ডিলিট: অনেক সময়ই আমরা বহু ফাইল ডাউনলোডের পর তা ডিলিট করতে ভুলে যায়। এর ফলে ওই ফাইলগুলি জায়গা নিয়ে বসে থাকে। তাই একদিন সময় করে ডাউনলোডস ফোল্ডারে যান। পুরোনো অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলি সিলেক্ট করে দিন ডিলিট টিপে। দেখবেন, অনেকটা হালকা হবে ফোনটি!SD কার্ডে অ্যাপ ইনস্টল: সবসময় স্মার্টফোনের OS-এর উপর চাপ কেন দেবেন? কিছু অ্যাপ মাইক্রো SD কার্ডে পাঠিয়ে দিন। এতে জায়গাও বাঁচবে এবং স্মার্টফোনটি দ্রুত কাজও করবে।স্মার্ট স্টোরেজ: পিক্সেল বা নেক্সাস জাতীয় স্মার্টফোনগুলিতে স্মার্ট স্টোরেজ থাকে। যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পুরোনো ফাইলের অনলাইন ব্যাকআপ বানিয়ে তা ডিলিট করে দেয়।গুগল ফটোস: সাধারণ গ্যালারি স্টোরেজ না বাড়িয়ে গুগল ফটোসে ফটো ব্যাকআপ করাই যেতে পারে। এর মাধ্যমে যখন ইচ্ছাফটো দেখতেও পারবেন পাশাপাশি এডিটও করতে পারবেন। বাড়তি পাওনা গ্যালারি স্টোরেজ কমবে।ডকুমেন্টস সেভ করতে ক্লাউড স্টোরেজ: ডকুমেন্টস ফোনে সেভ না করে ক্লাউডে করা যায়। এর ফলে তা হারানোর আশঙ্কা যেমন থাকে না। একইসঙ্গে ফোনের জায়গাও বাঁচে। ড্রপবক্স, গুগল ড্রাইভের মতো ক্লাউড স্টোরেজ যথেষ্ট জনপ্রিয়।লাইট অ্যাপ ব্যবহার করুন: ফেসবুক, মেসেঞ্জারের মতো অ্যাপগুলির কিন্তু লাইট ভার্সন রয়েছে। এর ফলে আপনার স্মার্টফোনের স্টোরেজ বাড়ে এবং OS-ওফাস্ট কাজ করে।ডিভাইসের ওয়েস্ট স্ক্যান করান: সি ক্লিনারের নাম নিশ্চয়ই জানেন। এছাড়াও রয়েছে ডিস্ক ইউসেজ বা স্টোরেজ অ্যানালাইজার-এর মতো অ্যাপ। যা আপনার মোবাইলের অতিরিক্ত ওয়েস্টকে মুছে দেয়। এর ফলে স্টোরেজও বাঁচে।
Share:

বছরের শেষের দিকে বাজারে আসছে অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ভার্সন

অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ভার্সন এ বছরের শেষের দিকে বাজারে আসছে যাকে অ্যান্ড্রয়েডের “ও” নামে অভিহিত করা হচ্ছে। কেউ কেউ ধারণা করছেন এর নাম হবে অ্যান্ড্রয়েডের ওরিও। এমনটায় খবর প্রকাশ করেছে গুগল কর্তৃপক্ষ । আপাতত গুগলের কোড নেম অনুযায়ী অ্যান্ড্রয়েড ও-তে নতুন যেসব ফিচার থাকবে তার সমন্ধে একটা ধারণা দিয়েছেন গুগলের এক মুখপাত্র। অ্যান্ড্রয়েড ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভিপি ডেভ বার্কি অ্যান্ড্রয়েডের নতুন সংস্করণ সম্পর্কে একটি ভাসা ভাসা ধারণা দিয়েছেন। তিনি একে ফ্লুইড এক্সপিরিয়েন্স নামে অভিহিত করেছেন।ডেভ বার্কির ভাষ্যমতে, নতুন সংস্করণে অন্তত চারটি নতুন ফিচার বা সুবিধা যুক্ত হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে- পিকচার ইন পিকচার, নোটিফিকেশন ডটস, স্মার্ট টেক্সট সিলেকশন এবং অটোফিল।পিকচার ইন পিকচার ফিচারটিকেই ধরা হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। এটার মূল সুবিধা হচ্ছে ভিডিও চলাকালীন আপনি ফোনে আলাদা ভাবে অন্য কাজও করতে পারবেন। যেমন ধরা যাক, আপনি একটি টিউটোরিয়ালের ভিডিও দেখছেন। সেটি থেকে যদি আপনার কোন নোট নিতে হয়, তবে আপনি সেটা করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি ভিডিও দেখার পাশাপাশি ওয়ার্ডে কিংবা মেসেঞ্জার খুলে নোট নিতে পারবেন। অথবা একসঙ্গে দুটি ভিডিও চালাতে পারবেন। নোটিফিকেশন ডটস ফিচারে আপনি আপনার মোবাইলের ওপরের দিকে নোটিফিকেশনের সাব টাইটেলও দেখতে পারবেন।অটোফিল ফিচারে এখন থেকে আর নতুন কোনো অ্যাপে সাইন আপ করতে আপনাকে আপনার তথ্য বা নাম ও অন্যান্য তথ্য বারবার টাইপ করতে হবে না। আপনি আপনার ফোনে যে তথ্য একবার টাইপ করেছেন, সে তথ্য আপনাকে আর পুনরায় টাইপ করতে হবে না।আরস্মার্ট টেক্সট সিলেকশন ফিচারে আপনি আরো সহজে টেক্সট নির্বাচন করতে পারবেন। এখন আর টেক্সট সিলেক্ট করে সেটাকে স্ক্রোল করতে হবে না। শুধুমাত্র দুইবার ক্লিক করলেই টেক্সট সিলেকশন চলে আসবে। ব্যস, এরপর আপনি আপনার প্রয়োজনীয় টেক্সট সিলেক্ট করে কপি করে নিন। ডেভেলপাররা এখন থেকেই চাইলে এর উন্নয়নে কাজ করতে পারবেন।সবদিক বিবেচনা করলে অ্যান্ড্রয়েডের নতুন এই সংস্করণ চমক রাখছে অনেক।
Share:

[ইসলামের কথা] যে গুনাহ আল্লাহ কখনোই ক্ষমা করবেন না

মানুষ চলার পথে অনেক ভুল করে থাকে। জেনে কিংবা না বুঝে মানুষ মাঝে মাঝে এমন কিছু ভুল করে, যা মহান আল্লাহ তায়ালা কখনোই ক্ষমা করবে না। কি সেই পাপ? কি সেই ঘৃণ্য কাজ?চলুন এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে কি আছে তা জেনে আসি।আল্লাহ তায়ালা আল কোরআনের সূরা নিসার ৪৮ নম্বা আয়াতে ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করা ক্ষমা করেন না। এ ছাড়া অন্যান্য অপরাধ ক্ষমা করেন। যে আল্লাহর শরিক করে, সে এক মহাপাপ করে।এমনিভাবে ১১৬ নং আয়াতে ইরশাদ করেন, কেউ আল্লাহর শরিক করিলে সে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট হয়। শিরক হচ্ছে আল্লাহ তায়ালার সত্তা ও গুণাবলী সম্পর্কে যেসব বিশ্বাসের কথা বলা হয়েছে তেমন কোনো বিশ্বাসসৃষ্ট বস্তুর ইবাদত, মহব্বত ও সম্মান প্রদর্শনের লক্ষ্যে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে আল্লাহর সমতুল্য মনে না করা। যারা আল্লাহর সঙ্গে শরিক করে তাদের মুশরিক বলে। তারা চিরকাল জাহান্নামে থাকবে।আর আল্লাাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনের সুরা শুআরা-৯৭-৯৮ আয়াতে মুশরিক সম্পর্কে বলেছেন, মুশরিকরা জাহান্নামে পৌঁছে বলবে, আল্লাহর শপথ! আমরা তো পথভষ্ট্র ও বিভ্রান্তিতেই ছিলাম, যখন আমরা তোমাদিগকে জগৎসমূহেরপ্রতিপালকের সমকক্ষ গণ্য করতাম।সুরা লুকমানের ১৩নং আয়াতে হজরত লুকমান স্বীয় পুত্রকে উপদেশ দানের সময় বলেন হে বৎস! আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক কর না। নিশ্চয়ই আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা মহাঅন্যায়। ১৫নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন যদি তোমার মাতা-পিতা আমার সঙ্গে এমন কোনো বিষয়কে শরিক করতে পীড়াপীড়ি করে যার জ্ঞান তোমার নেই তাহলে তুমি তাদের কথা মানবে না। এই আয়াতদ্বয়েরব্যাখ্যায় তাফসিরে মাআরিফু কোরআন।এ বলা হয়েছে হজরত লুকমান হাকিমের জ্ঞানগর্ভ বাণীসমূহের মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আকিদাসমূহ পরিশুদ্ধ করা। তন্মধ্যে সর্বপ্রথম কথা হলো কোনো প্রকারের অংশীদার স্থির না করে আল্লাহ পাককে গোটা বিশ্বের স্রষ্টা ও প্রভু বলে বিশ্বাস করা। সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহ তায়ালা ব্যতীত অন্য কাউকে উপাসনা-আরাধনায় অংশীদার স্থাপন না করা। কারণ আল্লাহ তায়ালার কোনো সৃষ্ট বস্তুকে স্রষ্টার মর্যাদা সম্পন্ন মনে করার মতো গুরুতর অপরাধ দুনিয়াতেআর কিছুই হতে পারে না। ইসলামে সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার ত্যাগের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতাপ্রকাশ করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু শিরক এমন এক জঘন্য অপরাধ, যা মাতা-পিতার নির্দেশ তো দূরের কথা বাধ্য করলেও তা মানা কারো পক্ষেই জায়েজ হবে না। বরং তখন তা প্রত্যাখ্যান করা আবশ্যকই বটে।মোটকথা শিরক এমন একটি মারাÍক অপরাধ যামৃত্যুর আগে খাঁটি অন্তরে তওবা না করলে আল্লাহ তায়ালা কখনো ক্ষমা করবেন না। তাই আমাদের দৈনন্দিন জীবনেসব কাজকর্মে একটু সচেতনতা বোধ জাগিয়ে রেখে চলতে হবে। যেন আমরা শিরকের মতো ভয়াবহ জঘন্য পাপ থেকে বেঁচে থাকতে পারি। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে যেন তৌফিক দান করেন, আমরা যেন এই পাপের কাজ থেকে বিরতথাকতে পারি।
Share:

[ইসলামের কথা] জেনেনিন যে কারণগুলোর জন্য অজু ভেঙে যায়

অনেক মানুষই বলে থাকেন অজুর পর হাঁটুর উপরে কাপড় উঠে গেলে ওযু ভেঙে যায়। এ কারণে অনেককে নতুন করে অজু করতেও দেখা যায়। আসলে এ ব্যাপারে কোরআন কিংবা হাদিস কি বলছে আমরা কি জানি? চলুন যেনে নিইে আসলে কি কি কারণে অজু ভেঙে যায়।ব্যাপক উপকারিতার স্বার্থে অজু ভঙ্গের কারণ সাতটি উল্লেখ করা হলো-১। বেহুশ, পাগল বা অচেতন হলে।২। প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে কোনো কিছু বের হলে অজু ভেঙ্গে যাবে; সেটা প্রস্রাব-পায়খানা, রক্ত, বায়ু, ক্রিমি যাই হোক না কেন।৩। শরীরের কোনো জায়গা থেকে রক্ত,পুঁজ বা পানি ইত্যাদি বের হয়ে গড়িয়ে গেলে।৪। মুখভরে বমি করল অজু ভেঙ্গে যাবে। মুখভরে বমি করার অর্থ হল এত পরিমান বমি আসা যে মুখে সেটা আটকিয়ে রাখা কষ্টকর হয়। আর কিছুক্ষণের মধ্যে একিভাবের কারণে অল্প অল্প করে কয়েকবার বমি করে আর সেটার সমষ্টিগত পরিমান যদি মুখভরে বমির সমপরিমান হয় তাহলেওঅজু ভেঙ্গে যাবে। আর এমনিতে সামান্য পরিমান বমি যা মুখভরে বমির সমপরিমান হয় না তাতে অজু ভাংবে না।৫। থথুতে রক্তের পরিমান যদি থুথুর সমপরিমান বা থুথু থেকে বেশি হয় তাহলে অজু ভেংগে যাবে।৬। নামাজের মধ্য এরকম শব্দ করে হাসা যে পাশে কেউ থাকলে সে শুনতে পাবে এরকমশব্দ করে হাসলেও অজু ভেঙ্গে যাবে। আর যদি এরকম শব্দ করে হাসে যে শুধু নিজে শুনতে পায় পাশে কেউ থাকলে সে শুনতে পাবে না তাহলে অজু ভাঙ্গবে না বাকি নামাজ ভেঙ্গে যাবে। আর যদি এরকমভাবে হাসে যে হাসির শব্দ অন্য লোক শুনতে পাবেই না এমনকি নিজেও শুনতে পায় না তাহলে এতে অজু বা নামাজ কোনোটাই ভাঙ্গবে না।৭। ঘুমালে অজু ভেঙ্গে যাবে। কেউ যদি কোন কিছুতে ঠেস দিয়ে এমনভাবে ঘুমায়যে ঠেস দেয়া বস্তুটি সরিয়ে নিলে সে পড়ে যাবে। এক্ষেত্রে মলদ্বার যদি আসন থেকে উঠা থাকে তাহলে সর্বসম্মত মতে অজু ভেংগে যাবে। আর যদি মলদ্বার আসনের সাথে ভালভাবে চাপা অবস্থায় থাকে যে বায়ু নির্গত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না তাহলে অধিকাংশ ফকীহদের মতে অজু ভাঙ্গবে না।এই হল অজু ভাঙ্গার প্রধান ও মৌলিক কারণসমূহ। এছাড়া আরো কিছু শাখাগত কারণ রয়েছে যেমন- স্ত্রীলোকের স্তন থেকে দুধ ছাড়া অন্য কিছু বের হয়ে আসলে এবং ব্যাথা অনুভুত হলে, যৌনিতে আঙ্গুল প্রবেশ করালে অজু ভেঙ্গে যাবে। বাকি এসব সচারাচর হয় না।
Share:

[ইসলামের কথা] পবিত্র রমযানের ৩০ রোজার ৩০ টি প্রার্থনা

হে আল্লাহ ! আমার আজকের রোজাকে প্রকৃতরোজাদারদের রোজা হিসেবে গ্রহণ কর। আমার নামাজকে কবুল কর প্রকৃত নামাজীদের নামাজ হিসেবে। আমাকে জাগিয়ে তোলো গাফিলতির ঘুম থেকে। হে জগত সমূহের প্রতিপালক! এদিনে আমার সব গুনাহ মাফ করে দাও। ক্ষমা করে দাও আমার যাবতীয় অপরাধ। হে অপরাধীদের অপরাধ ক্ষমাকারী।২য় রমজানের দোয়াاليوم الثّاني : اَللّـهُمَّ قَرِّبْني فيهِ اِلى مَرْضاتِكَ، وَجَنِّبْني فيهِ مِنْ سَخَطِكَ وَنَقِماتِكَ، وَوَفِّقْني فيهِ لِقِرآءَةِ ايـاتِكَ بِرَحْمَتِكَ يا اَرْحَمَ الرّاحِمينَ .হে আল্লাহ! তোমার রহমতের উসিলায় আজ আমাকে তোমার সন্তুষ্টির কাছাকাছি নিয়ে যাও। দূরে সরিয়ে দাও তোমার ক্রোধ আর গজব থেকে । আমাকে তৌফিক দাও তোমার পবিত্র কোরআনের আয়াত তেলাওয়াত করার । হে দয়াবানদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়াময়।৩য় রমজানের দোয়াاليوم الثّالث : اَللّـهُمَّ ارْزُقْني فيهِ الذِّهْنَ وَالتَّنْبيهَ، وَباعِدْني فيهِ مِنَ السَّفاهَةِ وَالَّتمْويهِ، وَاجْعَلْ لى نَصيباً مِنْ كُلِّ خَيْر تُنْزِلُ فيهِ، بِجُودِكَ يا اَجْوَدَ الاَْجْوَدينَ .হে আল্লাহ ! আজকের দিনে আমাকে সচেতনতাও বিচক্ষণতা দান কর। আমাকে দূরে রাখ অজ্ঞতা , নির্বুদ্ধিতা ও ভ্রান্ত কাজ-কর্ম থেকে। এ দিনে যত ধরণের কল্যাণ দান করবে তার প্রত্যেকটি থেকেতোমার দয়ার উসিলায় আমাকে উপকৃত কর।হে দানশীলদের মধ্যে সর্বোত্তম দানশীল।৪র্থ রমজানের দোয়াاليوم الرّابع : اَللّـهُمَّ قَوِّني فيهِ عَلى اِقامَةِ اَمْرِكَ، وَاَذِقْني فيهِ حَلاوَةَ ذِكْرِكَ، وَاَوْزِعْني فيهِ لاَِداءِ شُكْرِكَ بِكَرَمِكَ، وَاحْفَظْني فيهِ بِحِفْظِكَ وَسَتْرِكَ، يا اَبْصَرَ النّاظِرينَ .হে আল্লাহ ! এ দিনে আমাকে তোমার নির্দেশ পালনের শক্তি দাও। তোমার জিকিরের মাধুর্য আমাকে আস্বাদন করাও। তোমার অপার করুণার মাধ্যমে আমাকে তোমার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের জন্য প্রস্তুত কর । হে দৃষ্টিমানদের মধ্যেশ্রেষ্ঠ দৃষ্টিমান। আমাকে এ দিনে তোমারই আশ্রয় ও হেফাজতে রক্ষা কর।৫ম রমজানের দোয়াاليوم الخامس : اَللّـهُمَّ اجْعَلْني فيهِ مِنْ الْمُسْتَغْفِرينَ، وَاجْعَلْني فيهِ مِنْ عِبادِكَ الصّالِحينَ اْلقانِتينَ، وَاجْعَلني فيهِ مِنْ اَوْلِيائِكَ الْمُقَرَّبينَ، بِرَأْفَتِكَ يا اَرْحَمَ الرّاحِمينَ .হে আল্লাহ ! এই দিনে আমাকে ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর। আমাকে শামিল কর তোমার সৎ ও অনুগত বান্দাদের কাতারে । হে আল্লাহ ! মেহেরবানী করে আমাকে তোমার নৈকট্যলাভকারী বন্ধু হিসেবে গ্রহণ কর। হে দয়াবানদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়াবান ।৬ষ্ঠ রমজানের দোয়াاليوم السّادس : اَللّـهُمَّ لا تَخْذُلْني فيهِ لِتَعَرُّضِ مَعْصِيَتِكَ، وَلاتَضْرِبْني بِسِياطِ نَقِمَتِكَ، وَزَحْزِحْني فيهِ مِنْ مُوجِباتِ سَخَطِكَ، بِمَنِّكَ وَاَياديكَ يا مُنْتَهى رَغْبَةِ الرّاغِبينَ .হে আল্লাহ ! তোমার নির্দেশ অমান্য করার কারণে এ দিনে আমায় লাঞ্চিত ও অপদস্থ করোনা । তোমার ক্রোধের চাবুক দিয়ে আমাকে শাস্তি দিওনা । সৃষ্টির প্রতি তোমার অসীম অনুগ্রহ আর নিয়ামতের শপথ করে বলছি তোমার ক্রোধ সৃষ্টিকারী কাজ থেকে আমাকে দূরে রাখো। হে আবেদনকারীদের আবেদন কবুলের চূড়ান্ত উৎস ।৭ম রমজানের দোয়াاليوم السّابع : اَللّـهُمَّ اَعِنّي فِيهِ عَلى صِيامِهِ وَقِيامِهِ، وَجَنِّبْني فيهِ مِنْ هَفَواتِهِ وَآثامِهِ، وَارْزُقْني فيهِ ذِكْرَكَ بِدَوامِهِ، بِتَوْفيقِكَ يا هادِيَ الْمُضِلّينَ .হে আল্লাহ ! এ দিনে আমাকে রোজা পালন ও নামাজ কায়েমে সাহায্য কর । আমাকে অন্যায় কাজ ও সব গুনাহ থেকে রক্ষা করো । তোমার তৌফিক ও শক্তিতে সবসময় আমাকে তোমার স্মরণে থাকার সুযোগ দাও । হে পথ হারাদের পথ প্রদর্শনকারী ।৮ম রমজানের দোয়াاليوم الثّامن : اَللّـهُمَّ ارْزُقْني فيهِ رَحْمَةَ الاَْيْتامِ، وَاِطْعامَ اَلطَّعامِ، وَاِفْشاءَ السَّلامِ، وَصُحْبَةَ الْكِرامِ، بِطَولِكَ يا مَلْجَاَ الاْمِلينَ .হে আল্লাহ ! তোমার উদারতার উসিলায় এ দিনে আমাকে এতিমদের প্রতি দয়া করার, ক্ষুধার্তদের খাদ্য দান করার, শান্তিপ্রতিষ্ঠা করার ও সৎ ব্যক্তিদের সাহায্য লাভ করার তৌফিক দাও । হে আকাক্সখাকারীদের আশ্রয়স্থল ।৯ম রমজানের দোয়াاليوم التّاسع : اَللّـهُمَّ اجْعَلْ لي فيهِ نَصيباً مِنْ رَحْمَتِكَ الْواسِعَةِ، وَاهْدِني فيهِ لِبَراهينِكَ السّاطِعَةِ، وَخُذْ بِناصِيَتي اِلى مَرْضاتِكَ الْجامِعَةِ، بِمَحَبَّتِكَ يا اَمَلَ الْمُشْتاقينَ .হে আল্লাহ ! এদিনে আমাকে তোমার রহমতেরঅধিকারী কর । আমাকে পরিচালিত কর তোমার উজ্জ্বল প্রমাণের দিকে । হে আগ্রহীদের লক্ষ্যস্থল । তোমার ভালোবাসা ও মহব্বতের উসিলায় আমাকে তোমার পূর্ণাঙ্গ সন্তুষ্টির দিকে নিয়ে যাও ।১০ম রমজানের দোয়াاليوم العاشر : اَللّـهُمَّ اجْعَلْني فيهِ مِنَ الْمُتَوَكِّلينَ عَلَيْكَ، وَاجْعَلْني فيهِ مِنَ الْفائِزينَ لَدَيْكَ، وَاجْعَلْني فيهِ مِنَ الْمُقَرَّبينَاِلَيْكَ، بِاِحْسانِكَ يا غايَةَ الطّالِبينَ .হে আল্লাহ ! তোমার প্রতি যারা ভরসা করেছে আমাকে সেই ভরসাকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর । তোমার অনুগ্রহের মাধ্যমে আমাকে শামিল করো সফলকামদের মধ্যে এবং আমাকে তোমার নৈকট্যলাভকারী বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত করে নাও । হে অনুসন্ধানকারীদের শেষ গন্তব্য ।১১তম রমজানের দোয়াاليوم الحادي عشر : اَللّـهُمَّ حَبِّبْ اِلَيَّ فيهِ الاِْحْسانَ، وَكَرِّهْ اِلَيَّ فيهِ الْفُسُوقَ وَالْعِصْيانَ، وَحَرِّمْ عَلَيَّ فيهِ السَّخَطَ وَالنّيرانَ بِعَوْنِكَ يا غِياثَ الْمُسْتَغيثينَ .হে আল্লাহ ! এ দিনে সৎ কাজকে আমার কাছে প্রিয় করে দাও আর অন্যায় ও নাফরমানীকে অপছন্দনীয় কর । তোমার অনুগ্রহের উসিলায় আমার জন্য তোমার ক্রোধ ও যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি হারাম করে দাও । হে আবেদনকারীদের আবেদন শ্রবণকারী ।১২ তম রমজানের দোয়াاليوم الثّاني عشر : اَللّـهُمَّ زَيِّنّي فيهِ بِالسِّتْرِ وَالْعَفافِ، وَاسْتُرْني فيهِ بِلِباسِ الْقُنُوعِ وَالْكَفافِ، وَاحْمِلْني فيهِ عَلَى الْعَدْلِ وَالاِْنْصافِ، وَآمِنّي فيهِ مِنْ كُلِّ ما اَخافُ، بِعِصْمَتِكَ يا عِصْمَةَ الْخائِفينَ .হে আল্লাহ ! এদিনে আমাকে আত্মিক পবিত্রতার অলঙ্কারে ভূষিত কর । অল্পেতুষ্টি ও পরিতৃপ্তির পোশাকে আবৃত্ত কর । ন্যায় ও ইনসাফে আমাকে সুসজ্জিত কর । তোমার পবিত্রতার উসিলায় আমাকে ভীতিকর সবকিছু থেকে নিরাপদে রাখ । হে খোদা ভীরুদের রক্ষাকারী ।১৩ তম রমজানের দোয়াاليوم الثّالث عشر : اَللّـهُمَّ طَهِّرْني فيهِ مِنَ الدَّنَسِ وَالاَْقْذارِ، وَصَبِّرْني فيهِ عَلى كائِناتِ الاَْقْدارِ، وَوَفِّقْني فيهِ لِلتُّقى وَصُحْبَةِ الاَْبْرارِ، بِعَوْنِكَ يا قُرَّةَ عَيْنِ الْمَساكينَ .হে আল্লাহ ! এদিনে আমাকে কলুষতা ও অপবিত্রতা থেকে পবিত্র কর । যা কিছু তকদীর অনুযায়ী হয় তা মেনে চলার ধৈর্য আমাকে দান কর । তোমার বিশেষ অনুগ্রহে আমাকে তাকওয়া অর্জন এবং সৎকর্মশীলদের সাহচর্যে থাকার তৌফিক দাও । হে অসহায়দের আশ্রয়দাতা ।১৪ তম রমজানের দোয়াاليوم الرّابع عشر : اَللّـهُمَّ لا تُؤاخِذْني فيهِ بِالْعَثَراتِ، وَاَقِلْني فيهِ مِنَ الْخَطايا وَالْهَفَواتِ، وَلا تَجْعَلْني فيهِ غَرَضاً لِلْبَلايا وَالاْفاتِ، بِعِزَّتِكَ يا عِزَّ الْمُسْلِمينَ .হে আল্লাহ ! এদিনে আমাকে আমার ভ্রান্তির জন্যে জিজ্ঞাসাবাদ করো না । আমার দোষ-ত্রুটিকে হিসেবের মধ্যে ধরো না ।তোমার মর্যাদার উসিলায় আমাকে বিপদ-আপদ ও দুর্যোগের লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত করো না । হে মুসলমানদের মর্যাদা দানকারী।১৫ তম রমজানের দোয়াاليوم الخامس عشر : اَللّـهُمَّ ارْزُقْني فيهِ طاعَةَ الْخاشِعينَ، وَاشْرَحْ فيهِ صَدْري بِاِنابَةِ الُْمخْبِتينَ، بِاَمانِكَ يا اَمانَ الْخائِفينَ .হে আল্লাহ ! এদিনে আমাকে তোমার বিনয়ীবান্দাদের মতো আনুগত্য করার তৌফিক দাও । তোমার আশ্রয় ও হেফাজতের উসিলায় আমার অন্তরকে প্রশস্ত করে খোদাভীরু ও বিনয়ী বান্দাদের অন্তরে পরিণত কর । হে খোদাভীরু মুত্তাকীদের আশ্রয়দাতা ।১৬ তম রমজানের দোয়াاليوم السّادس عشر : اَللّـهُمَّ وَفِّقْني فيهِ لِمُوافَقَةِ الاَْبْرارِ، وَجَنِّبْني فيهِ مُرافَقَةَ الاَْشْرارِ، وَآوِني فيهِ بِرَحْمَتِكَ اِلى دارِ الْقَـرارِ، بِاِلهِيَّتِكَ يا اِلـهَ الْعالَمينَ .হে আল্লাহ ! এ দিনে আমাকে তোমার সৎবান্দাদের সাহচর্য লাভের তৌফিক দাও। আমাকে মন্দ লোকদের সাথে বন্ধুত্ব থেকে দূরে সরিয়ে রাখো। তোমার খোদায়ীত্বের শপথ করে বলছি, আমাকে তোমার রহমতের বেহেশতে স্থান দাও। হে জগতসমূহের প্রতিপালক।১৭ তম রমজানের দোয়াاليوم السّابع عشر : اَللّـهُمَّ اهْدِني فيهِ لِصالِحِ الاَْعْمالِ، وَاقْضِ لي فيهِ الْحَوائِجَ وَالاْمالَ، يا مَنْ لا يَحْتاجُ اِلَى التَّفْسيرِ وَالسُّؤالِ، يا عالِماً بِما في صُدُورِ الْعالَمينَ، صَلِّ عَلى مُحَمَّد وَآلِهِ الطّاهِرينَ .হে আল্লাহ ! এ দিনে আমাকে সৎকাজের দিকে পরিচালিত কর। হে মহান সত্ত্বা যার কাছে প্রয়োজনের কথা বলার ও ব্যাখ্যা দেয়ার দরকার হয় না । আমার সব প্রয়োজন ও আশা-আকাক্সখা পূরণ করে দাও। হে তাবত দুনিয়ার রহস্যজ্ঞানী ! হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এবং তাঁর পবিত্র বংশধরদের ওপর রহমত বষর্ণ কর।১৮ তম রমজানের দোয়াاليوم الثّامن عشر : اَللّـهُمَّ نَبِّهْني فيهِ لِبَرَكاتِ اَسْحارِهِ، وَنَوِّرْ فيهِ قَلْبي بِضياءِ اَنْوارِهِ، وَخُذْ بِكُلِّ اَعْضائي اِلَى اتِّباعِ آثارِهِ، بِنُورِكَ يا مُنَوِّرَ قُلُوبِ الْعارِفينَ .হে আল্লাহ ! এ দিনে আমাকে সেহরীর বরকতের উসিলায় সচেতন ও জাগ্রত করে তোল। সেহরীর নূরের ঔজ্জ্বল্যে আমার অন্তরকে আলোকিত করে দাও। তোমার নূরেরউসিলায় আমার প্রত্যেক অঙ্গ প্রত্যঙ্গে তোমার নূরের প্রভাব বিকশিত কর। হে সাধকদের অন্তর আলোকিতকারী !১৯ তম রমজানের দোয়াاليوم التّاسع عشر : اَللّـهُمَّ وَفِّرْ فيهِ حَظّي مِنْ بَرَكاتِهِ، وَسَهِّلْ سَبيلي اِلى خَيْراتِهِ، وَلا تَحْرِمْني قَبُولَ حَسَناتِهِ، يا هادِياً اِلَى الْحَقِّ الْمُبينِ .হে আল্লাহ ! আমাকে এ মাসের বরকতের অধিকারী কর। এর কল্যাণ অজর্নের পথ আমার জন্য সহজ করে দাও। এ মাসের কল্যাণ লাভ থে
Share:

[ইসলামের কথা] জেনেনিন কোন ঘরে শয়তান প্রবেশ করতে পারে না

[ইসলামের কথা] জেনেনিন কোন ঘরে শয়তান প্রবেশ করতে পারে না
Share:

[ইসলামের কথা] বিসমিল্লাহ্‌ কথার অর্থ

বিসমিল্লাহ আল্লাহর প্রতি ভালবাসা ও নির্ভরতার প্রতীক।বিসমিল্লাহ শয়তানকে বিতাড়িত করার প্রতীক।বিসমিল্লাহ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা বিধানকারী।বিসমিল্লাহ কর্মসমূহকে সৌন্দর্যমন্ডিত করে।বিসমিল্লাহ পবিত্র কোরআনের সূরা সমূহের মুকুট।বিসমিল্লাহ পুলসিরাত অতিক্রম করার লাইসেন্স।বিসমিল্লাহ নরকের অগ্নিশিখা সমূহকে নির্বাপিত করে।বিসমিল্লাহ ব্যাথাসমূহের নিরাময়ক।বিসমিল্লাহ সমস্যাসমূহ সমাধানের চাবিকাঠি।বিসমিল্লাহ কোরআনের চাবিকাঠি।বিসমিল্লাহ আল্লাহ তা’ আলার মহিমান্বিত নাম।বিসমিল্লাহ প্রতিটি আসমানী গ্রন্থেরসূচনায় রয়েছে।বিসমিল্লাহ মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে।বিসমিল্লাহ আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ নাম।বিসমিল্লাহ মানুষের আত্মিক রোগ সমূহের নিরাময়ক।বিসমিল্লাহ আল্লাহর দাসত্ব এবং তার প্রতি নির্ভরশীলতার প্রতীক।বিসমিল্লাহ আসমানের তালা সমূহের চাবি।আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি কাজ কথাবার্তা, খাওয়া দাওয়া, লেখাপড়া, ভ্রমন, ঘুমানো ইত্যদি আল্লাহর নামে শুরু করা এবং তা দ্বারা সুবাসিত করা কতই না উত্তম।
Share:

মেয়েদেরকে যে ম্যাসেজে পাঠালে উত্তর আসবেই

সে যুগ চলে গেছেযখন পাতার পর পাতা লেখা হয়ে যেত বিরহের ব্যাথায় কিংবা প্রথম প্রেমের একটু সাড়া পাওয়ার তাগিদে অপর পাশের উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হত দিনের পর দিন এখন সবইবুড়ো আঙুলের ক্ষণিকের ছোঁয়ার অপেক্ষা ব্যস চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই মনের কথাটি থাকিবে না মনে সংগোপনে তা চলে যাবে তার কাছে ৷ কিন্তু উত্তর মিলবে কিনা এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আজও সেই অপেক্ষাই ভরসা প্রেমিকের দলের নারীদের মনের হদিশ পাওয়া কিন্তু সহজ কথা নয় । কিন্তু প্রেমেরমোক্ষম বাণটি চালানোর আগে কিছু কৌশল তো অবলম্বন করতে পারেন যাতে অন্তত মেসেজের মাধ্যমে উত্তর পাওয়ার পথটি আরও সুগম হয় এবংতা যাতে আপনার অনুকূল হয় তেমনই কিছু সূত্র মিলেছে বিশেষজ্ঞদের থেকে —১/ প্রেমের ক্ষেত্রে প্রথম দর্শন খুবই গুরুত্বপূর্ণএই বিষয়টি একেবারেই হেলাফেলা করবেন নাআর এক্ষেত্রে আপনার হাতিয়ার হবে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচারসেটি যেন অবশ্যই আকর্ষণীয় হয়আপনার সেরা দিকগুলি যেন সেখানে প্রতিফলিত হয়২/ মেয়েদের সবচেয়ে বেশি অপছন্দের নিজের ভাললাগার মানুষটির পাশে অন্য কোনও সুন্দরী নারীকে দেখাএমনটা হলে মেয়েরা অতিরিক্ত সচেতন হয়ে পড়েনআর প্রেমিকের ক্ষেত্রে বাড়তি যত্নশীল হয়ে পড়েন৩/ অধিকাংশ মেয়েরাই সংবেদনশীল পুরুষ পছন্দ করেনযারা মানুষের পাশাপাশি অন্যান্য পশুপাখিদের প্রতিও উদার হতে পারেনতাই বাড়িতে পোষ্য থাকলে তার সঙ্গে নিজের একটি সুন্দর ছবি আপলোড করতেই পারেন৪/ ভুল করে ঠিক কাজটা করতেই পারেন ফোনে ভুল নম্বর ডায়াল করে কিংবা ভুল মেসেজ পাঠিয়ে কত সম্পর্কই না ঠিক হয়ে গিয়েছে আপনি একবার চেষ্টা করে দেখতেই পারেন এই মিষ্টি ভুলটা করে৫/ সম্পর্ক তৈরি করার ক্ষেত্রে দুষ্টু-মিষ্টি মেসেজের তুলনা নেই আজকাল মেসেঞ্জার,হোয়াটসঅ্যাপে তো হামেশাই এমন বার্তা পাওয়া যায় ! তবে মহিলাদের পাঠানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই শালীনতা বজায় রাখবেন
Share:

Nobir Jiboni By Tofazzal Hossain Bangla Waz 2017 Full Mp3 Download

Nobir Jiboni By Tofazzal Hossain.mp3 Lyrics Free Download Nobir Jiboni By Tofazzal Hossain.mp3 ,2017 2018 2016 Download Nobir Jiboni By Tofazzal Hossain.mp3 bangla full song BanglaWaz 2017 New Islami Waz Nobir Jiboni By Tofazzal Hossain.mp3 song Video download 3gp,mp4 avi bangla movie downloadDownload Nobir Jiboni By Tofazzal Hossain.mp3 songs 192 kbps 64 kbps Bangla Waz 2017 New Islami Waz, Bangla Waz 2017 New Islami Waz mp3 album download , mp3 song full album Bangla Waz 2017 New Islami Waz zip file downloadNobir Jiboni By Tofazzal Hossain.mp3 Welcome Tune Code mp4 download , PC HD Download, new high quality download,low quality 2014,2013,2010,2011,2012,2015,2016 full download,Music video download now, Music mp3 full mp3 download now, CD rip downloadNobir Jiboni By Tofazzal Hossain.mp3 Video Song Download DVDrip Vcdscam webrip Dvdscam download now, 3gp,mp4,avi,mkv download now,full HD Download,new movie 3gp mp4 avi mkv download,full HD 3gp PC Mp4 3gp download,Non retail download game,software,ringtone,Grameenphone Welcome Tune Code, Caller tune,Teletune,Ichche Tune ,Gp wt Code

http://bdlove24.com/music/view/55483120
Share:

Tumi Hina Durbeen (Short Film) by Tahsan n Nadia

https://bdupload.info/z4qn6exe3pnz
Share:

জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেতে ফজরের ওমাগরিব নামাজের পর ছোট্ট এই দোয়াটি পাঠ করুন

জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেতে ফজরের ও মাগরিব নামাজের পর ছোট্ট এই দোয়াটি পাঠ করুনআমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা মাগারিবের নামাজ শেষ করে নফল আমল না করেই মসজিদ থেকে বেরিয়ে আসেন। আবার অনেকেই বিভিন্ন নফল আমলে মগ্ন থাকেন। তবে যারা কোন নফল ইবাদত জানেন না। তারা ছোট্ট এই দোয়াটি জেনে নিয়তিম পাঠ করবেন।দোয়াটি হলো : (সাত বার) اللَّهُمَّ أَجِرْنِى مِنَ النَّارِবাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাআজিরনি মিনান নার।অর্থ : “হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দাওফজিলত ও পড়ার নিয়ম : হজরত মুসলিম ইবনে হারেস তামিমি [রা.] বলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কানে কানে বললেন, যখন মাগরিবের নামাজের সালাম ফেরাবে, তখন কারো সঙ্গে কথা বলার আগে এই দোয়াটি সাত বার পড়বে।যদি তুমি পড় আর ওই রাতেই তুমি মারা যাও তাহলে তোমার জাহান্নাম থেকে মুক্তির ফায়সালা লিখে দেয়া হবে।ফজরের নামাজের পরও এ দোয়াটিএকই নিয়মে সাতবার পড়বে।যদি তুমি পড়ে থাক আর ওই দিনেই তুমি মারা যাও তাহলে তোমার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির ফায়সালা লিখে দেয়া হবে। [আবু দাউদ-৫০৮১ নাসায়ি সুনানে কুবরা-৯৯৩৯ সহি ইবনে হিব্বান-২০২২]
Share:

কবর দৈনিক পাঁচটি জিনিস মানুষের কাছে অনুরোধ করে।

মানুষের কাছে অনুরোধ করে?–১. আমি একাকী ঘর, সংগী নিয়েএসো?–উঃ- সংগী হলো কোরআন!–২.আমি অন্ধকার ঘর, বাতি নিয়েএসো?–উঃ- বাতি হলো রাতের নামাজ!–৩. আমি মাটির ঘর, বিছানা নিয়েএসো?–উঃ- বিছানা হলো নেক আমল!–৪. আমি সাপ বিচ্ছুর ঘর, বিষেরঔষধনিয়ে এসো?–উঃ- ঔষধ হলো দান সদকা!–৫. আমি প্রশ্নের ঘর, উত্তরনিয়েএসো?–উঃ- উত্তর হলো কলেমা ও জিকির!–………..ধন্যবাদ সবাইকে……….
Share:

কুফরী কি? কোন কাজ মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়? কুফরীর প্রকারভেদ সম্পর্কে জানি আমরা

কুফরী কি? কোন কাজ মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়? কুফরীর প্রকারভেদ সম্পর্কে জানি আমরা।মে ০৫, ২০১৭আসসালামুআলাইকুম।সবাই কেমন আছেন?আল্লাহর রহমতে আমি ভাল আছি।কুফরীর সংজ্ঞা :কুফরীর আভিধানিক অর্থ আবৃত করা ও গোপন করা। আর শরীয়তেরপরিভাষায় ঈমানের বিপরীত অবস্থানকে কুফরী বলা হয়।কেননা কুফরীহচ্ছে আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি ঈমান না রাখা, চাই তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্নকরা হোক কিংবা না হোক। বরং তাদের ব্যাপারে কোন প্রকার সংশয় ওসন্দেহ, উপেক্ষা কিংবা ঈর্ষা, অহংকার কিংবা রাসূলেরঅনুসরণের প্রতিবন্ধককোন প্রবৃত্তির অনুসরণ কুফরীর হুকুমে কোন পরিবর্তন আনয়নকরবেনা। যদিও তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্নকারী বড় কাফির হিসাবেবিবেচিত। অনুরূপভাবে ঐ অস্বীকারকারী ও বড় কাফির, যে অন্তরেরাসূলগণের সত্যতার প্রতি বিশ্বাস রাখা সত্ত্বেও হিংসাবশতঃ মিথ্যা সাব্যস্তকরে থাকে। [মাজমু আল ফাতওয়া,৩৩৫]কুফরীর প্রকারভেদ :কুফুরী দুই প্রকার ।প্রথম প্রকার : বড় কুফরীএ প্রকারের কুফুরী মুসলমান ব্যক্তিকে মুসলিম মিল্লাত থেকে বেরকরে দেয়। এটি আবার পাঁচ ভাগে বিভক্ত:১* মিথ্যা প্রতিপন্ন করার কুফরী:এর দলীল আল্লাহর বাণী:ﻭَﻣَﻦْ ﺃَﻇْﻠَﻢُ ﻣِﻤَّﻦِ ﺍﻓْﺘَﺮَﻯ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻛَﺬِﺑًﺎ ﺃَﻭْ ﻛَﺬَّﺏَ ﺑِﺎﻟْﺤَﻖِّ ﻟَﻤَّﺎ ﺟَﺎﺀَﻩُ ﺃَﻟَﻴْﺲَ ﻓِﻲ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻣَﺜْﻮًﻯ ﻟِﻠْﻜَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ ﴿৬৮ ﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻌﻨﻜﺒﻮﺕ‘যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা কথা রচনা করে, অথবা তার কাছে সত্য আসারপর তাকে অস্বীকার করে, তার চেয়ে অধিক যালিম আর কে? জাহান্নামইকি এইসব কাফিরের আবাস নয়? [সূরা আনকাবুত, ৬৮]২* মনে বিশ্বাস রেখেও অস্বীকার অহংকারশতঃ কুফরী:এর দলীল আল্লাহর বাণী:ﻭَﺇِﺫْ ﻗُﻠْﻨَﺎ ﻟِﻠْﻤَﻠَﺎﺋِﻜَﺔِ ﺍﺳْﺠُﺪُﻭﺍ ﻟِﺂَﺩَﻡَ ﻓَﺴَﺠَﺪُﻭﺍ ﺇِﻟَّﺎ ﺇِﺑْﻠِﻴﺲَ ﺃَﺑَﻰ ﻭَﺍﺳْﺘَﻜْﺒَﺮَ ﻭَﻛَﺎﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻜَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ ﴿ ৩৪ ﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ‘যখন আমি ফেরেশতাদের বললাম, আদমকে সেজদা কর, তখনইবলীস ব্যতীত সকলেই সিজদা করল, সে অমান্য করল ও অহংকার করল।সুতরাং সে কাফিরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল। [সূরাবাকারা ২:৩৪]৩* সংশয়জনিত কুফুরী:একে ধারণাজনিত কুফরী ও বলা হয়। এর দলীল আল্লাহ তাআলার বাণী:ﻭَﺩَﺧَﻞَ ﺟَﻨَّﺘَﻪُ ﻭَﻫُﻮَ ﻇَﺎﻟِﻢٌ ﻟِﻨَﻔْﺴِﻪِ ﻗَﺎﻝَ ﻣَﺎ ﺃَﻇُﻦُّ ﺃَﻥْ ﺗَﺒِﻴﺪَ ﻫَﺬِﻩِ ﺃَﺑَﺪًﺍ ﴿ ৩৫ ﴾ ﻭَﻣَﺎ ﺃَﻇُﻦُّ ﺍﻟﺴَّﺎﻋَﺔَ ﻗَﺎﺋِﻤَﺔً ﻭَﻟَﺌِﻦْ ﺭُﺩِﺩْﺕُﺇِﻟَﻰ ﺭَﺑِّﻲ ﻟَﺄَﺟِﺪَﻥَّ ﺧَﻴْﺮًﺍ ﻣِﻨْﻬَﺎ ﻣُﻨْﻘَﻠَﺒًﺎ ﴿ ৩৬﴾ ﻗَﺎﻝَ ﻟَﻪُ ﺻَﺎﺣِﺒُﻪُ ﻭَﻫُﻮَ ﻳُﺤَﺎﻭِﺭُﻩُ ﺃَﻛَﻔَﺮْﺕَ ﺑِﺎﻟَّﺬِﻱ ﺧَﻠَﻘَﻚَ ﻣِﻦْ ﺗُﺮَﺍﺏٍ ﺛُﻢَّﻣِﻦْ ﻧُﻄْﻔَﺔٍ ﺛُﻢَّ ﺳَﻮَّﺍﻙَ ﺭَﺟُﻠًﺎ ﴿ ৩৭ ﴾ ﻟَﻜِﻨَّﺎ ﻫُﻮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺭَﺑِّﻲ ﻭَﻟَﺎ ﺃُﺷْﺮِﻙُ ﺑِﺮَﺑِّﻲ ﺃَﺣَﺪًﺍ ﴿ ৩৮ ﴾ ﺳﻮﺭﺓﺍﻟﻜﻬﻒ‘নিজের প্রতি জুলুম করে সে তার বাগানে প্রবেশ করল। সে বলল,আমার মনে হয়না যে, এ বাগান কখনও ধ্বংস হয়ে যাবে। আর আমি মনেকরিনা যে, কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। আর যদি আমার পালনকর্তারকাছেআমাকে পৌঁছে দেয়া হয়ই, তবে তো আমি নিশ্চয়ই এর চেয়ে উৎকৃষ্টস্থান পাব। তদুত্তরে তার সাথী তাকে বলল, তুমি কি তাকে অস্বীকারকরছ, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, অতঃপর পূর্ণাঙ্গকরেছেন তোমাকে মানবাকৃতিতে?কিন্তু আল্লাহই আমার পালনকর্তা এবংআমি কাউকে আমার পালনকর্তার সাথে শরীক করিনা। [সূরা কাহাফ,৩৫-৩৮]৪* উপেক্ষা প্রদর্শন ও মুখ ফিরিয়ে নেয়ার কুফরী:এর দলীল আল্লাহর বাণী:ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮُﻭﺍ ﻋَﻤَّﺎ ﺃُﻧْﺬِﺭُﻭﺍ ﻣُﻌْﺮِﺿُﻮﻥَ ﴿ ৩﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻷﺣﻘﺎﻑ‘আর কাফিররা যে বিষয়ে তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে, তা থেকে মুখফিরিয়ে নেয়। [সূরা আহক্বাফ,০৩]৫* নিফাকী ও কপটতার কুফরী:এর দলীল হল:ﺫَﻟِﻚَ ﺑِﺄَﻧَّﻬُﻢْ ﺁَﻣَﻨُﻮﺍ ﺛُﻢَّ ﻛَﻔَﺮُﻭﺍ ﻓَﻄُﺒِﻊَ ﻋَﻠَﻰ ﻗُﻠُﻮﺑِﻬِﻢْﻓَﻬُﻢْ ﻟَﺎ ﻳَﻔْﻘَﻬُﻮﻥَ ﴿ ৩﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻤﻨﺎﻓﻘﻮﻥএটা এজন্যে যে, তারা ঈমান আনবার পর কুফরী করেছে। ফলে তাদেরঅন্তরে মোহর মেরে দেয়া হয়েছে। অতএব তারা বুঝে না। [সূরামুনাফিকুন, ০৩]দ্বিতীয় প্রকার: ছোট কুফরীএ প্রকারের কুফরী মুসলিম মিল্লাত থেকে বহিস্কৃত করেনা। একে‘আমলী কুফরী’ ও বলা হয়। ছোট কুফরী দ্বারা সে সব গোনাহেরকাজকেই বুঝানো হয়েছে, কুরআনও সুন্নায় যাকে কুফরী নামেঅভিহিত করা হয়েছে। এ ধরনের কুফুরী বড় কুফরীর সমপর্যায়েরনামে। যেমন আল্লাহর নিয়ামতের কুফরী করা যা নিম্নোক্ত আয়াতেউল্লেখ করা হয়েছে।ﻭَﺿَﺮَﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﺜَﻠًﺎ ﻗَﺮْﻳَﺔً ﻛَﺎﻧَﺖْ ﺁَﻣِﻨَﺔً ﻣُﻄْﻤَﺌِﻨَّﺔً ﻳَﺄْﺗِﻴﻬَﺎ ﺭِﺯْﻗُﻬَﺎ ﺭَﻏَﺪًﺍ ﻣِﻦْ ﻛُﻞِّ ﻣَﻜَﺎﻥٍ ﻓَﻜَﻔَﺮَﺕْ ﺑِﺄَﻧْﻌُﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﺄَﺫَﺍﻗَﻬَﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُﻟِﺒَﺎﺱَ ﺍﻟْﺠُﻮﻉِ ﻭَﺍﻟْﺨَﻮْﻑِ ﺑِﻤَﺎ ﻛَﺎﻧُﻮﺍ ﻳَﺼْﻨَﻌُﻮﻥَ ﴿ ১১২﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻨﺤﻞ‘আল্লাহ দৃষ্টান্ত দিয়েছেন এমন এক জনপদের, যা ছিল নিরাপদও নিশ্চিন্ত।তথায় প্রত্যেক স্থান হতে আসত প্রচুর রিযিক ও জীবিকা। অতঃপর সেজনপদের লোকেরা আল্লাহর নেয়ামতের প্রতি অকৃতজ্ঞা প্রকাশকরল।’ [সূরা নাহল, ১১২]এক মুসলমান অপর মুসলমানের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়াও এ ধরনেরকুফরীর অন্তর্গত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:ﺳِﺒَﺎﺏُ ﺍﻟﻤُﺴْﻠﻢِ ﻓُﺴُﻮْﻕٌ ﻭَﻗِﺘَﺎﻟُﻪُ ﻛُﻔْﺮٌ .‘কোন মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী কাজ। আর তার সাথে যুদ্ধ করাকুফুরী। [বুখারী , মুসলিম]তিনি আরো বলেন:ﻟَﺎ ﺗَﺮْﺟِﻌُﻮْﺍ ﺑَﻌْﺪِﻱْ ﻛُﻔَّﺎﺭﺍً , ﻳَﻀْﺮِﺏُ ﺑَﻌْﻀُﻜُﻢْ ﺭِﻗَﺎﺏَﺑَﻌْﺾٍ .‘আমার পর তোমরা পুনরায় কাফির হয়ে যেওনা, যাতে তোমরা একেঅপরের গর্দান উড়িয়ে দেবে। [বুখারী, মুসলিম]গায়রুল্লাহর নামে কসম ও এ কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম বলেন:ﻣَﻦْ ﺣَﻠَﻒَ ﺑِﻐَﻴْﺮِ ﺍﻟﻠﻪِ ﻛَﻔَﺮَ ﺃﻭْ ﺃﺷْﺮَﻙَ .‘যে ব্যক্তি গায়রুল্লাহর নামে কসম করল। সে কুফরী কিংবা শিরক করল।[তিরমিযী, হাকেম]কবীরা গোনাহে লিপ্ত ব্যক্তিকে আল্লাহ মুমিন হিসাবে গণ্যকরেছেন। তিনি বলেন:ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁَﻣَﻨُﻮﺍ ﻛُﺘِﺐَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢُ ﺍﻟْﻘِﺼَﺎﺹُ ﻓِﻲﺍﻟْﻘَﺘْﻠَﻰ ﴿ ১৭৮﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ‘হে ঈমানদার গণ! তোমাদের উপর নিহতদের ব্যাপারে ক্বিসাস গ্রহণ করাফরয করা হয়েছে।’ [সূরা বাকারা, ১৭৮]এখানে হত্যাকারীকে ঈমানদারদের দল থেকে বের করে দেয়া হয়নি।বরং তাকে ক্বিসাসের অলী তথা ক্বিসাস গ্রহণকারীর ভাই হিসাবে গণ্য করাহয়েছে। আল্লাহ বলেন:…. ﻓَﻤَﻦْ ﻋُﻔِﻲَ ﻟَﻪُ ﻣِﻦْ ﺃَﺧِﻴﻪِ ﺷَﻲْﺀٌ ﻓَﺎﺗِّﺒَﺎﻉٌ ﺑِﺎﻟْﻤَﻌْﺮُﻭﻑِ ﻭَﺃَﺩَﺍﺀٌ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺑِﺈِﺣْﺴَﺎﻥٍ …. ﴿ ১৭৮ ﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ‘অত:পর হত্যাকারীকে তার(নিহত)ভাইয়ের তরফ থেকে যদি কিছুটামাফকরে দেয়া হয়, তবে (নিহতের ওয়ারিসগণ) প্রচলিত নিয়মেরঅনুসরণকরবে এবং (হত্যাকারী) উত্তমভাবে তাকে তা প্রদান করবে। ’ [সূরা বাকারা,১৭৮]নিঃসন্দেহে ভাইদ্বারা এখানে দ্বীনী ভাই বুঝানো উদ্দেশ্য। অন্যআয়াতে আল্লাহ বলেন:ﻭَﺇِﻥْ ﻃَﺎﺋِﻔَﺘَﺎﻥِ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﺍﻗْﺘَﺘَﻠُﻮﺍ ﻓَﺄَﺻْﻠِﺤُﻮﺍﺑَﻴْﻨَﻬُﻤَﺎ ﴿ ৯ ﴾‘মুমিনদরে দুই দল দ্বন্দ্বে লিপ্ত হলে তোমরা তাদের মধ্যেমীমাংসা করে দাও। [সূরা হুজরাত, ০৯]এর পরের আয়াতে আল্লাহ বলেন:ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨُﻮﻥَ ﺇِﺧْﻮَﺓٌ ﻓَﺄَﺻْﻠِﺤُﻮﺍ ﺑَﻴْﻦَ ﺃَﺧَﻮَﻳْﻜُﻢْ ﴿ ১০ ﴾‘মুমিনরা তো পরস্পর ভাইÑভাই, অতএব তোমরা তোমাদের দু‘ভাইয়েরমধ্যে মীমাংসা কর’। [সূরা হুজরাত, ১০]সার কথা:১# বড় কুফরী ইসলামী মিল্লাতথেকে বের করে দেয় এবংআমলসমূহ নষ্ট করে দেয়। পক্ষান্তরে ছোট কুফরী ইসলামীমিল্লাত থেকে বের করেনা এবং আমল ও নষ্ট করে না। তবে তাতদনুযায়ী আমলে ত্রুটি সৃষ্টি করে এবং লিপ্ত ব্যক্তিকে শাস্তিরমুখোমুখি করে।২# বড় কুফরীতে লিপ্ত ব্যক্তি চিরস্থায়ী ভাবে জাহান্নামে অবস্থানকরবে। কিন্তু ছোট কুফরীর কাজে লিপ্ত ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশকরলেও তাতে চিরস্থায়ীভাবে অবস্থান করবেনা। বরং কখনো আল্লাহতাকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। ফলে সে মোটেই জাহান্নামেপ্রবেশ করবেনা।৩# বড় কুফরীতে লিপ্ত হলে ব্যক্তির জান মাল মুসলমানদের জন্য বৈধহয়ে যায়। অথচ ছোট কুফরীতে লিপ্ত হলে জান মাল বৈধ হয়না।৪# বড় কুফরীর ফলে মুমিন ও অত্র কুফরীতে লিপ্ত ব্যক্তির মধ্যেপ্রকৃত শত্রুতা সৃষ্টি হওয়া অপরিহার্য হয়ে যায়। তাই সে ব্যাক্তি যতনিকটাত্বীয়ই হোক না কেন, তাকে ভালবাসা ও তার সাথে বন্ধত্ব স্থাপনকরা মুমিনদের জন্য কখনোই বৈধনয়। পক্ষান্তরে ছোট কুফরীতেলিপ্ত ব্যক্তির সাথে বন্ধুত্ব স্থাপনে কোন বাধা নেই। বরং তার মধ্যেযতটুকু ঈমান রয়েছে সে পরিমান তাকে ভালবাসা ও তার সাথে বন্ধুত্ব করাউচিত এবং যতটুকু নাফরমানী তার মধ্যে আছে, তার প্রতি ততটুকু পরিমান ঘৃণাও বিদ্বেষভাব পোষণ ক
Share:

মনের আশা - আকাঙ্ক্ষা পূরণে যেভাবে দোয়া করবেন

মানুষ জাগতিক বিপদাপদ তথা প্রয়োজনে আল্লাহরনিকট দোয়া করে। কারো দোয়া সঙ্গে সঙ্গে কবুলহয়ে যায়; আবার কারো দোয়া অনেক দেরিতে কবুলহয়; আবার কারো দোয়ার পরিণাম পরকালে প্রদানকরা হবে। কিন্তু দোয়া করার আগে দোয়া কবুলেরপরিবেশ তৈরি করতে হবে। যেভাবে দোয়া করলেআল্লাহ তাআলা বান্দার দোয়া কবুল করবেন।আল্লাহ তাআলা এ সব বিষয় কুরআনে মানুষকেজানিয়ে দিয়েছেন।কিভাবে দোয়া করলে আল্লাহ তাআলা বান্দারআবেদন কবুল করবেন। বান্দা কিভাবে উত্তম ফলাফললাভ করবেন এ প্রসঙ্গে আল্লাহতাআলা কুরআনুলকারিমের সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা প্রদান করেছেন।দোয়া কবুলে বান্দাকে অবশ্যই কুরআন-সুন্নাহরনির্দেশিত পদ্ধতিতেই দোয়া করতে হবে। দোয়ারফলাফল লাভে সংক্ষেপে কিছু দিক-নির্দেশনাতুলে ধরা হলো->> বান্দার জন্য সব সময় আল্লাহ তাআলার দরবারেআনুগত্য, অসহায়ত্ব ও দীনতা-হীনতা প্রকাশ করেদোয়া করা উত্তম। আল্লাহ তাআলার নির্দেশও এমন।তিনি বলেন, ‘তোমরা স্বীয় প্রতিপালককে ডাককাকুতি মিনতি করে এবং অতিগোপনে। তিনি সীমাঅতিক্রমকারীদের পছন্দ করেন না। পৃথিবীকেকুসংস্কারমুক্ত ও ঠিক করার পর তাতে ফাসাদ সৃষ্টিকরো না। তাকে ডাক, ভয় ও আশা সহকারে। নিশ্চয়আল্লাহর দয়া ও করুনা সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী।(সুরা আরাফ : আয়াত ৫৫-৫৬)>> দোয়া করতে হবে পরিপূর্ণ ইখলাছ তথা একাগ্রতারসঙ্গে। কেননা আল্লাহ তাঁর বান্দাকে উদ্দেশ্য করেবলেন, ‘তিনি চিরঞ্জীব, তিনি ব্যতিত আর কোনোইলাহ নেই। অতএব তাকে ডাক (তাঁর নিকট চাও)একনিষ্ঠ ইবাদতের মাধ্যম (সুরা মুমিন : আয়াত ৬৬)>> মানুষের সব চেয়ে বড় দোয়া হলে ধৈর্য ও নামাজ।আল্লাহ তাআলা কুরআনের অনেক জায়গায় ধৈর্যএবং নামাজের মাধ্যমে তাঁর সাহায্য প্রার্থনাকরতে নির্দেশ প্রদান করেছেন। আল্লাহ বলেন,তোমরা নামাজ এবং ধৈর্যের মাধ্যমে আমার কাছেসাহায্য চাও। এবং বিনীতগণ ব্যতিত আর সকলেরনিকট নিশ্চিতভাবে উভয়টি (নামাজ ও ধৈর্য) অত্যন্তকঠিন। (সুরা বাক্বারা : আয়াত৪৫)>> প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামতাঁর উম্মতের জন্য দোয়া কবুলে চমৎকারদিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। হজরত আনাসরাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন,যখন তোমরা দোয়া করবে তখন প্রার্থিত (কাঙ্ক্ষিত)জিনিস লাভের বিষয়ে সুদৃঢ় বিশ্বাস রাখবে এবংবলবে হে আল্লাহ! যদি তুমি চাওআমাকে প্রদান কর,কেননা তোমাকে (আল্লাহ) বাধ্যকারী কেউ নেই।(বুখারি)সর্বোপরি কথা হলো-কুরআন ও হাদিসের দিক-নির্দেশনা মেনে আল্লাহতাআলার নিকট দোয়া করাই বান্দার একান্তদায়িত্ব ও কর্তব্য। বান্দা যখন সঠিক নিয়মেএকনিষ্ঠতার সঙ্গে আল্লাহ তাআলার নিকট কোনোজিনিস কামনা করে; আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাদিতে কার্পণ্য করেন না। হাদিসের ভাষায়- বরংবান্দা যখন আল্লাহ তাআলঅর নিকট কোনো কিছুপ্রার্থনা করেন; তখন আল্লাহ তাআলা বান্দাকেফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন।সুতরাং আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরআনসুন্নাহ মোতাবেক দোয়া করার তাওফিক দান করুন।বাস্তব জীবনে কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক জীবনপরিচালনার তাওফিক দান করুন। মুসলিম উম্মাহকেদুনিয়া ও পরকালের সফলতা দানকরুন। আমিন।সূত্রঃ জাগো নিউজ
Share:

আঙ্গুল ছাপের বিশেষত্ব সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে কি বলা হয়েছে?

মানুষ কি মনে করে যে, আমি (আল্লাহ) তার অস্থিসমূহ একত্রিত করব না? কেবল এই নয়, আমি তার আঙ্গুলের ডগা (আঙ্গুলের ছাপ) পর্যন্ত সন্নিবেশিত করতে সক্ষম। (কিয়ামা, ০৩ : ০৪)১৮৮০ সালে ইংল্যান্ডে স্যার ফ্রান্সিস গোল্ট আবিষ্কার করেন, পৃথিবীতে এমন কোনো ব্যক্তি পাওয়া যাবে না যার আঙ্গুলে ছাপ অন্য কোনো ব্যক্তির সাথে হুবহু মিলে যাবে। তখন থেকেই দুষ্কৃতকারীদের শনাক্ত করার ক্ষেত্রে আঙ্গুলের ছাপ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া হিসেবে সমাদৃত হয়ে আসছে।এ-কারণেই বিভিন্ন দেশ যেমন, রাশিয়া তার দেশের সকল নাগরিকের আঙ্গুলের ছাপ সংরক্ষণ করে থাকে। দুই ব্যক্তির আঙ্গুলের ছাপের পার্থক্য এতই আপেক্ষিক ও সূক্ষ্ম যে, কেবল অভিজ্ঞ ব্যক্তিই উপযুক্ত যন্ত্রপাতির মাধ্যমে তা শনাক্ত করতে পারে। এটি কোরানমাজিদের অপর এক মুজিঝা যে তা এই বাস্তবতার বর্ণনা দিয়েছে মানুষ তা ধারণা করারও বহু আগে।মূল : ড. মাজহার ইউ কাজিঅনুবাদ : মাওলানা ফয়জুল্লাহ মুজহিরিসম্পাদনা : ড. মাওলানা মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিকগ্রন্থনা : মাওলানা মিরাজ রহমান
Share:

[ইসলামের কথা] রাগ দুর করবার দোয়া না দেখলেন তো মিস করলেন|

আউযু বিল্লাহি মিনাশ শায়ত্বনিররাজিম| এইতো হয়ে গেল|
Share:

আপনার ওজন কমানোর সব থেকে কার্যকরী আয়ুর্বেদিক ওষ

ছেলেরা সাবধান! ওজনের কাঁটাউর্ধমুখী হলে বিপদকিন্তু আপনাদেরই সবথেকে বেশি।কারণ শারীরিক দিকথেকে তো বটেই সামাজিক দিকথেকেও কিন্তুঅতিরিক্ত ওজনের ছেলেদেরবেজায় অপমানিত হতেহয়। তাই আর অপেক্ষা না করেএক্ষুনি পড়ে ফেলুন এইলেখাটি। দেখবেন অল্প দিনেইওজন একেবারেনিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।ক্যালরি কত তাড়াতাড়ি বার্ন হবে,তা অনেকাংশেই নির্ভরকরে আমাদের হজম ক্ষমতার উপর।তাই তো যাদেরমেটাবলিজম বেশি, তাদের শরীরেচর্বি জমবে কম,ফলে ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে। আরযাদের হজমক্ষমতা খুব দুর্বল, বিপদ একমাত্রতাদের নিয়েই। তাই তোওজন কমাতে গেলে প্রথমে হজমক্ষমতার উন্নতিঘটানো একান্ত প্রয়োজন। না হলেযতই চেষ্টা করুন নাকেন, মন মতো ফল কিন্তু কিছুতেইপাবেন না।এই লেখায় এমন একটি ঘরোয়া ওষুধনিয়ে আলোচনা করাহবে, যা খেলে যখন আপনি ঘুমাবেনতখনও ফ্যাট বার্নহতে থাকবে। ফলে ওজন কমবেঅনেক দ্রতগতিতে। আর এই ওষুধটি যেহেতুপ্রকৃতিক উপাদান দিয়েতৈরি, তাই শরীরের উপর বিরুপপ্রভাব পড়ারও আশঙ্কাথাকবে না। তাহলে অপেক্ষাকীসের! চলুন জেনেনেওয়া যাক ওষুধটি বানানোরপদ্ধতি সম্পর্কে।উপকরণ১. পানি- হাফ গ্লাস২. লেবু- ১ টা৩. শসা- ১টা৪. অ্যালো ভেরা পানি- ১ চামচ৫. আদা- ১ চামচ৬. পার্সলে শাক- এক মুঠোএবার চলুন জেনে নেওয়া যাকওষুধটি বানানোর পদ্ধতিসম্পর্কে…১. ব্লেন্ডারে সবকটি উপকরণ দিয়েভাল করে মেশান।উপকরণ গুলি মিশে যাওয়ার পর যেমিশ্রনটি পাবেন, সেটিইখেতে হবে প্রতিদিন।২. প্রথমবার ওষুধটি খাওয়ার পরথেকেই সুফল পেতেশুরু করবেন। ১ গ্লাস খেলেই দেখবেনওজনকমতে শুরু দিয়েছে। তাই তো ওজনহ্রাসেরসবথেকে কার্যকরী আয়ুর্বেদিকওষুধ হিসেবেএটিকে চিহ্নিত করে থাকেনবিশেষজ্ঞরা।৩. শরীর থেকে সব রকমের ক্ষতিকরউপাদান বেরকরে দিতে লেবুর রসের কোনওবিকল্প হয় নাবললেই চলে।৪. হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্যকরে আদা। সেই সঙ্গেশরীরে জমে থাকা চর্বিকে গলিয়েফেলতেওগুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।৫. হজম ক্ষমতা বাড়ানোরপাশপাশি শরীরকে চাঙ্গা রাখতেশসার কোনও বিকল্প হয় না বললেইচলে। তাই তো এইওষুধটি বানাতে শসার এতপ্রয়োজন পরে।৬. এবার পার্সলে শাকের পালা। এইশাকটিতে প্রচুরপরিমাণে খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিজেন্ট রয়েছে। কিন্তুক্য়ালোরি রয়েছে একেবারে কম।তাই তো এই শাকটিনিয়মিত খেলে ওজন বাড়ার কোনওআশঙ্কাই থাকে না।কিন্তু হজম ক্ষমতা যায় বেড়ে। আরএকথা তো আরবলে দিতে হবে না যে, হজম যতভাল হবে, ওজনকমবে তত তাড়াতাড়ি।৭. চর্বি গলিয়ে দেওয়ার পাশপাশিহজম ক্ষমতার উন্নতিতেসাহায্য করে অ্যালো ভেরা।সাবধান! এই ওষুধটি খাওয়ারসময় বেশি করে জল খাবেন কিন্তু!কারণ শরীরেজলের মাত্রা কমে গেলে হজমক্ষমতাও কমতে শুরুকরবে। ফলে ওষুধটি খেয়ে কোনওলাভই হবে না।
Share:

বাংলালিংক সিমে ৩৩ টাকা রির্চাজ করে জিতে নিন ১টি 3GHandset ও ২০০ মেগাবাইট নিশ্চিত ফ্রি।

বাংলালিংক সিমে ৩৩ টাকা রির্চাজ করে জিতে নিন ১টি 3G Handset ও ২০০ মেগাবাইট নিশ্চিত ফ্রি।প্রথমে আমার সালাম নিবেন,আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন,আমি ও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি।আজকের টিউনটি হচ্চে বাংলালিংকসিমে ৩৩ টাকা রির্চাজ করে জিতে নিন ১টি 3G Handset ও ২০০ মেগাবাইট নিশ্চিত ফ্রি।আপনি যদি আপনার বাংলালিংক সিমে ৩৩ টাকা রির্চাজ করেন তাহলে নিশ্চিত ২০০ মেগাবাইট তো পাবেনই সাথে একটি আর্কষনিয় 3G Handset জিতে নেওয়ার সুযোগ রয়েচে।হ্যান্ডসেটটি জেতের জন্য আপনাকে যা যা করতে হবে তা নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো।এখন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রতি ১০ মিনিটে প্রথম ৩৩ টাকা রিচার্জকারি জিতে নিতে পারো একটি 3G হ্যান্ডসেট . আরও আছে সবার জন্য ২০০ মেগাবাইট ইন্টারনেট। এই আকর্ষণীয় অফারটি পেতে এখনই রিচার্জ করো ৩৩ টাকা।অফারটির বিস্তারিতঅফারটি বাংলালিংক প্রিপেইড এবং সি ও সিএসএস এর জন্য প্রযোজ্য।প্রথম 10 টা মিনিটের মধ্যে 33 টেরাবাইটের রিচার্জারটি 3G স্মার্টফোনটি 10 ​​টা থেকে সন্ধ্যা6 টায় বিজয়ী হবে।সমস্ত 33TK rechargers বোনাস 200MB জয় হবে।বোনাস 2 am থেকে 2 pm ব্যবহার করা যেতে পারে।ইন্টারনেট বোনাস * 1২4 * 994 # এর মাধ্যমে চেক করা যায়বোনাস বৈধতা: 3 দিন।প্রচারাভিযানের সময় 33 টাকার রিচার্জের পর ২4 ঘণ্টার মধ্যে গ্রাহকটি বিনামূল্যে 200 এমবি পাবেন।বোনাস ফরওয়ার্ড করা যাবে না।বোনাস ট্রাসেফ্রেবল নয়।হ্যান্ডসেট বিজয়ীরা প্রচারাভিযানের সময় ২4 ঘন্টার মধ্যে >হ্যান্ডসেট সংগ্রহ প্রক্রিয়ার সাথে একটি নিশ্চিতকরণএসএমএস পাবে।প্রচারাভিযানের সময় গ্রাহক শুধুমাত্র একবার এক হ্যান্ডসেট এবং 200 এমবি জয় করতে সক্ষম হবে.এটি একটি সীমিত সময়ের অফার,তাই ধেরি না করে এখুনি রির্চাজ করুন।তো আশা করি সবাই পোস্টটি বুঝতে পেরেচেন, পোস্টটি যদি আপনার কাছে ভালো লাগে ও অন্যের উপকারে আসবে বলেমনে করেন তাহলে অবশ্যই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ সময় নিয়ে পোস্টটি পোড়ার জন্য।ভালো থাকবেন সুস্হ থাকবেন,পরিবর্তেপোস্টে আবার দেখা হবে।আল্লাহ হাফেজ।
Share:

Sunday, May 28, 2017

[Mega Post] Droid Vpn দিয়ে Gp Sim এআপনারা আবারও Free Internet & Download করতে পারবেন With 1mbps Speed

সবাই কেমন আছেন আশা করি ভালো জিপি সিমে আনলিমিটেড ফ্রিনেট চালাতে নিচের দেওয়া ভিডিওটি দেখুন ১০০% কাজ করবে।

লিঙ্ক = https://youtu.be/JY5-NnlvKIg
Share:

[ইসলামের কথা] যে (১০ দশটি) আযকার যিকির প্রতিদিন করলে মৃত্যুর পর জান্নাত

(১) প্রতিদিন ১০০ বার সুবহান আল্লাহ্ পাঠ করলে ১০০০ সাওয়াব লিখা হয় এবং ১০০০ গুনাহ মাফ করা হয়।[সহীহ মুসলিম-৪/২০৭৩](২) 'আলহামদুলিল্লাহ' মীযানের পাল্লাকে ভারী করে দেয় এবং সর্বোত্তম দোআ’। [তিরমিযী-৫/৪৬২,ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯,হাকিম-১/৫০৩,সহীহ আল জামে’-১/৩৬২](৩) 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' সর্বোত্তম যিকর। [তিরমিযী-৫/৪৬২,ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯,হাকিম-১/৫০৩,সহীহ আল জামে’-১/৩৬২](৪) 'সুবহান আল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর' এই কালিমাগুলি আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় এবং নবী (সঃ) বলেনঃ পৃথিবীর সমস্ত জিনিসের চইতে আমার নিকট অধিক প্রিয়। [ সহীহ মুসলিম -৩/১৬৮৫, ৪/২০৭২](৫) যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী' প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমান (সগীরা) গুনাহ থাকলে ও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। [সহীহ আল-বুখারী-৭/১৬৮,সহীহ মুসলিম-৪/২০৭১](৬) নবী (সঃ) বলেনঃ 'সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহী সুবহানাল্লিল আযীম' এই কালীমাগুলি জিহ্বায় উচ্চারনে সহজ , মীযানের পাল্লায় ভারী ,দয়াময় আল্লাহর নিকট প্রিয় । [সহিহ আল- বুখারী-৭/১৬৮,সহীহ মুসলিম-৪/২০৭২](৭) যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহিল আযীমিওয়াবি হামদিহী' পাঠ করবে প্রতিবারে তার জন্য জান্নাতে একটি করে (জান্নাতী) খেজুর গাছ রোপন করা হবে । [আত-তিরমিযী-৫/৫১১,আল-হাকীম-১/৫০১, সহীহ আল-জামে’-৫/৫৩১, সহীহ আত-তিরমিজী-৩/১৬০](৮) নবী (সঃ) বলেনঃ 'লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' হচ্ছে জান্নাতের গুপ্তধন সমুহের মধ্যে একটি গুপ্তধন। [ সহীহ আল-বুখারী -১১/২১৩, সহীহ মুসলিম-৪/২০৭৬](৯) নবী (সঃ) বলেনঃ 'সুবহান আল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' এই কালীমাগুলি হচ্ছে “অবশিষ্ট নেকআ’মল সমুহ” । [ আহমাদ (সহীহ)-৫১৩, মাজমাউজ জাওয়াঈদ-১/২৯৭ ](১০) নবী (সঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দুরুদ পাঠ করবে আল্লাহ তাআ’লা তার প্রতি দশ বার রহমত বরষন করবেন- "আল্লাহুম্মা সাল্লি ’আলা মুহাম্মাদিঁওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদিন্ কামা সাল্লায়তা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ আল্লাহুম্মা বারিক ’আলা মুহাম্মাদিঁওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদিন্ কামা বারাকতা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ এবং তিনি (সঃ) আরো বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি সকালে দশবার এবং বিকেলে দশবার দুরুদ পাঠ করবে সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আমার শাফায়াত পাবে ।" - [তাবারানী, মাজময়াউজ জাওয়াঈদ-১০/১২০, সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব-১/২৭৩]
Share:

[ইসলামের কথা] জুম’আর সালাতে তিন ধরনের লোক হাজির হয়

(ক) এক ধরনের লোক আছে যারা মসজিদে প্রবেশের পরতামাশা করে, তারা বিনিময়ে তামাশা ছাড়া কিছুই পাবে না।(খ) দ্বিতীয় আরেক ধরনের লোক আছে যারা জুম’আয়হাজির হয় সেখানে দু’আ মুনাজাত করে, ফলে আল্লাহযাকে চান তাকে কিছু দেন আর যাকে ইচ্ছাদেন না।(গ) তৃতীয় প্রকার লোক হল যারা জুম’আয়হাজির হয়,চুপচাপ থাকে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কারও ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে আগায় না, কাউকে কষ্ট দেয় না, তার দুই জুম’আর মধ্যবর্তী ৭ দিন সহ আরও তিনদিন যোগ করে মোট দশ দিনের গুনাহ খাতা আল্লাহ তায়ালা মাফ করে দেন।
Share:

[ইসলামের কথা] ইসলামের দৃষ্টিকোণে শিশুর যেসব নাম রাখা হারাম

শিশুর জন্মের পর তার জন্য একটি সুন্দর ইসলামী নাম রাখা প্রত্যেক মুসলিম পিতা-মাতার কর্তব্য। মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের মুসলিমদেরন্যায় বাংলাদেশের মুসলিমদের মাঝেও ইসলামী সংস্কৃতি ও মুসলিম ঐতিহ্যের সাথে মিল রেখে শিশুর নাম নির্বাচন করার আগ্রহ দেখা যায়। এজন্য তারা নবজাতকের নাম নির্বাচনে পরিচিত আলেম-ওলামাদের শরণাপন্ন হন। তবে সত্যি কথা বলতে কী এ বিষয়ে আমাদের পড়াশুনা একেবারে অপ্রতুল। তাই ইসলামী নাম রাখার আগ্রহ থাকার পরও অজ্ঞতাবশত আমরা এমনসব নাম নির্বাচন করে ফেলি যেগুলো আদৌ ইসলামী নামের আওতাভুক্ত নয়। শব্দটি আরবী অথবা কুরআনের শব্দ হলেই নামটি ইসলামী হবে তাতো নয়। কুরআনে তো পৃথিবীর নিকৃষ্টতম কাফেরদের নাম উল্লেখ আছে। ইবলিস, ফেরাউন, হামান, কারুন, আবু লাহাব ইত্যাদি নাম তো কুরআনে উল্লেখ আছে; তাই বলে কী এসব নামে নাম বা উপনাম রাখা সমীচীন হবে?ব্যক্তির নাম তার স্বভাব চরিত্রের উপর ইতিবাচক অথবা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে বর্ণিত আছে। শাইখ বকর আবু যায়েদ বলেন, ঘটনাক্রমে দেখা যায় ব্যক্তির নামের সাথে তার স্বভাব ও বৈশিষ্ট্যের মিল থাকে। এটাই আল্লাহর তা‘আলার হেকমতের দাবী। যে ব্যক্তির নামের অর্থে চপলতা রয়েছে তার চরিত্রেও চপলতা পাওয়া যায়। যার নামের মধ্যে গাম্ভীর্যতা আছে তার চরিত্রে গাম্ভীর্যতা পাওয়া যায়। খারাপ নামের অধিকারী লোকের চরিত্রও খারাপ হয়ে থাকে। ভাল নামের অধিকারী ব্যক্তির চরিত্রও ভাল হয়ে থাকে।রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কারো ভাল নাম শুনে আশাবাদী হতেন। হুদাইবিয়ার সন্ধিকালে মুসলিম ও কাফের দুইপক্ষের মধ্যে টানাপোড়নের এক পর্যায়ে আলোচনার জন্য কাফেরদের প্রতিনিধি হয়ে সুহাইল ইবনে ‘আমর নামে এক ব্যক্তি এগিয়ে এল তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুহাইল নামে আশাবাদী হয়ে বলেনbr />সুহাইল তোমাদের জন্য সহজ করে দিতে এসেছেন। সুহাইল শব্দটি সাহলুন (সহজ) শব্দের ক্ষুদ্রতানির্দেশক রূপ। যার অর্থ হচ্ছে- অতিশয় সহজকারী। বিভিন্নকবিলার ভাল অর্থবোধক নামে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশাবাদী হওয়ার নজির আছে।তিনি বলেছেন, গিফার (ক্ষমা করা) কবিলা তথা গোত্রের লোকদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দিন। আসলাম (আত্মসমর্পণকারী/শান্তিময়) কবিলা বা গোত্রের লোকদেরকে আল্লাহ শান্তি দিন।নিম্নে নবজাতকের নামের ক্ষেত্রে কিছু নীতিমালা দেয়া হলনবজাতকের নাম রাখার সময়কালের ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তিনটি বর্ণনা রয়েছে। শিশুর জন্মের পরপরই তার নাম রাখা। শিশুর জন্মের তৃতীয় দিন তার নাম রাখা। শিশুর জন্মের সপ্তম দিন তার নাম রাখা। এর থেকে এটাইপ্রতীয়মান হয় যে, ইসলাম এ বিষয়ে মুসলিমদেরকে অবকাশ দিয়েছে। যে কোনোটির উপর আমল করা যেতে পারে। এমনকি কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা কোনো কোনো নবীর নাম তাঁদের জন্মের পূর্বে রেখেছেন মর্মে উল্লেখ আছে।আল্লাহর নিকট সবচেয়ে উত্তম নাম হচ্ছে আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান। সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন – إِنَّ أَحَبَّ أَسْمَائِكُمْ إِلَى اللَّهِ عَبْدُ اللَّهِ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِঅর্থ-তোমাদের নামসমূহের মধ্যে আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় হচ্ছে- আব্দুল্লাহ (আল্লাহর বান্দা) ও আব্দুর রহমান (রহমানের বান্দা)।”এ নামদ্বয় আল্লাহর প্রিয় হওয়ার কারণ হল- এ নামদ্বয়ে আল্লাহর দাসত্বের স্বীকৃতি রয়েছে। তাছাড়া আল্লাহর সবচেয়ে সুন্দর দুটি নাম এ নামদ্বয়ের সাথে সম্বন্ধিত আছে। একই কারণে আল্লাহর অন্যান্য নামের সাথে আরবী ‘আব্দ’ (বান্দা বা দাস) শব্দটিকে সমন্ধিত করে নাম রাখাও উত্তম।যে কোনো নবীর নামে নাম রাখা ভাল। যেহেতু তাঁরা আল্লাহর মনোনীত বান্দা। হাদিসে এসেছে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- তোমরা আমার নামে নাম রাখ। আমার কুনিয়াতে (উপনামে) কুনিয়ত রেখো না। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুনিয়ত ছিল- আবুল কাসেম। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিজের সন্তানের নাম রেখেছিলেন ইব্রাহিম। কুরআনে কারীমে ২৫ জন নবী-রাসূলের নাম বর্ণিত আছে মর্মে আলেমগণ উল্লেখ করেছেন। এর থেকে পছন্দমত যে কোনো নাম নবজাতকের জন্য নির্বাচন করা যেতে পারে।ইসলামে যেসব নাম রাখা হারাম-আল্লাহর নাম নয় এমন কোনো নামের সাথে গোলাম বা আব্দ (বান্দা) শব্দটিকে সম্বন্ধ করে নাম রাখা হারাম।যেমন- আব্দুল ওজ্জা (ওজ্জার উপাসক), আব্দুশ শামস (সূর্যের উপাসক), আব্দুল কামার (চন্দ্রের উপাসক), আব্দুল মোত্তালিব (মোত্তালিবের দাস), আব্দুল কালাম (কথার দাস), আব্দুল কাবা (কাবাগৃহের দাস), আব্দুন নবী (নবীর দাস), গোলাম রসূল (রসূলের দাস), গোলাম নবী (নবীর দাস), আব্দুস শামছ (সূর্যের দাস), আব্দুল কামার (চন্দ্রের দাস), আব্দুল আলী (আলীর দাস), আব্দুল হুসাইন (হোসাইনের দাস), আব্দুল আমীর (গর্ভনরের দাস), গোলাম মুহাম্মদ (মুহাম্মদের দাস), গোলাম আবদুল কাদের (আবদুল কাদেরের দাস) গোলাম মহিউদ্দীন (মহিউদ্দীন এর দাস) ইত্যাদি। তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে দেখা যায় নামের মধ্যে ‘আব্দ’ শব্দটা থাকলেও ডাকার সময় ‘আব্দ’ শব্দটা ছাড়া ব্যক্তিকে ডাকা হয়। যেমন আব্দুর রহমানকে ডাকা হয় রহমান বলে। আব্দুর রহীমকে ডাকা হয় রহীম বলে। এটি অনুচিত। আর যদি দ্বৈত শব্দে গঠিত নাম ডাকা ভাষাভাষীদের কাছে কষ্টকর ঠেকে সেক্ষেত্রে অন্য নাম নির্বাচন করাটাই শ্রেয়। এমনকি অনেক সময় আল্লাহর নামকে বিকৃত করে ডাকার প্রবণতাও দেখা যায়। এ বিকৃতির উদ্দেশ্য যদি হয় আল্লাহকে হেয় করা তাহলে ব্যক্তির ঈমান থাকবে না। আর এই উদ্দেশ্য না থাকলেও এটি করা অনুচিত।দুই: অনুরূপভাবে যেসব নামকে কেউ কেউ আল্লাহর নাম মনে করে ভুল করেন অথচ সেগুলো আল্লাহর নাম নয় সেসব নামের সাথে আব্দ বা দাস শব্দকে সম্বন্ধিত করে নাম রাখাও হারাম। যেমন- আব্দুল মাবুদ (মাবুদ শব্দটি আল্লহর নাম হিসেবে কুরআন ও হাদীছে আসেনি; বরং আল্লাহর বিশেষণ হিসেবে এসেছে), আব্দুল মাওজুদ (মাওজুদ শব্দটি আল্লহরনাম হিসেবে কুরআন ও হাদীছে আসেনি)।তিন: মানুষ যে উপাধির উপযুক্ত নয় অথবা যে নামের মধ্যে মিথ্যাচার রয়েছে অথবা অসার দাবী রয়েছে এমন নাম রাখা হারাম।যেমন- শাহেনশাহ (জগতের বাদশাহ) বা মালিকুল মুলক (রাজাধিরাজ) নাম বা উপাধি হিসেবে নির্বাচন করা।সাইয়্যেদুন নাস (মানবজাতির নেতা) নাম রাখা।একই অর্থবোধক হওয়ার কারণে মহারাজ নাম রাখাকেও হারাম বলা হয়েছে।চার: যে নামগুলো আল্লাহর জন্য খাস সেসব নামে কোন মাখলুকের নাম রাখা বা কুনিয়ত রাখা হারাম। যেমন- আল্লাহ, আর-রহমান, আল-হাকাম, আল-খালেক ইত্যাদি। তাই এসব নামে কোন মানুষের নাম রাখা সমীচীন নয়।পক্ষান্তরে আল্লাহর নামসমূহের মধ্যে যেগুলো শুধু আল্লাহর জন্য খাস নয়; বরং সেগুলো আল্লাহর নাম হিসেবেও কুরআন হাদিসে এসেছে এবং মাখলুকের নাম হিসেবেও এসেছে সেসব নাম দিয়ে মাখলুকের নাম রাখা যেতে পারে। কুরআনেএসেছে-قَالَتِ امْرَأَةُ الْعَزِيزِঅর্থ- আলআযিযের স্ত্রী বলেছেন”[সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৫১]যেসব নাম রাখা মাকরুহ-এমন শব্দে দিয়ে নাম রাখা যার অনুপস্থিতিকে মানুষ কুলক্ষণ মনে করে। যেমন- কারো নাম যদি হয় রাবাহ (লাভবান)। কেউ যদি রাবাহকে ডাকে, আর রাবাহ বাড়ীতে না-থাকে তখন বাড়ীর লোকদেরকে বলতে হবে রাবাহ বাড়ীতে নেই। এ ধরনের বলাকে সাধারণ মানুষ কুলক্ষণ মনে করে। অনুরূপভাবে আফলাহ (সফলকাম), নাজাহ (সফলতা) ইত্যাদির নামের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ধরনের নাম রাখতে নিষেধ করেছেন। পরবর্তীতে নিষেধ না করে চুপ থেকেছেন।যেসব নামের মধ্যে আত্মস্তুতি আছে সেসব নাম রাখা মাকরুহ। যেমন, মুবারক (বরকতময়) যেন সে ব্যক্তি নিজে দাবী করছেন যে তিনি বরকতময়, হতে পারে প্রকৃত অবস্থা সম্পূর্ণ উল্টো। অনুরূপভাবে, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মহিলা সাহাবীর নাম র্বারা (পূন্যবতী) থেকে পরিবর্তন করে তার নাম দেন যয়নব। এবং বলেন: তোমরা আত্মস্তুতি করো না। আল্লাহই জানেন কে পূন্যবান।দাম্ভিক ও অহংকারী শাসকদের নামে নাম রাখা। যেমন- ফেরাউন, হামান, কারুন, ওয়ালিদ। শয়তানের নামে নাম রাখা। যেমন- ইবলিস, ওয়ালহান, আজদা, খিনজিব, হাব্বাব ইত্যাদি।যে সকল নামের অর্থ মন্দ। মানুষের স্বাভাবিক রুচিবোধ যেসব শব্দকে নাম হিসেবে ঘৃণা করে; ভদ্রতা ও শালীনতার পরিপন্থী কোন শব্দকে নাম বা কুনিয়ত হিসেবে গ্রহণ করা। যেমন, কালব (কুকুর) মুররা (তিক্ত) হারব (যুদ্ধ)।নেককার ব্যক্তিদের নামে নাম রাখাও উত্তম। এর ফলে সংশ্লিষ্ট নামের অধিকারী ব্যক্তির স্বভাবচরিত্র নবজাতকের মাঝে প্রভাব ফেলার ব্যাপারে আশাবাদী হওয়া যায়। এ ধরনের আশাবাদ ইসলামে বৈধ। এটাকে তাফাউল (تَفَاؤُلٌ) বলা হয়। নেককার ব্যক্তিদের শীর্ষস্থানে রয়েছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবায়ে কেরাম। তারপর তাবেয়ীন। তারপর তাবে-তাবেয়ীন। এরপর আলেম সমাজ।আমাদের দেশে শিশুর জন্মের পর নাম রাখা নিয়ে আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে একটা প্রতিযোগিতা দেখা যায়। দাদা একনাম রাখলে নানা অন্য একটা নাম পছন্দ করেন। বাবা-মা শিশুকে এক নামে ডাকে। খালারা বা ফুফুরা আবার ভিন্ন নামে ডাকে। এভাবে একটা বিড়ম্বনা প্রায়শঃ দেখা যায়। এ ব্যাপারে শাইখবাকর আবু যায়দ বলেন, নাম রাখা নিয়ে পিতা-মাতার মাঝে বিরোধ দেখা দিলে শিশুর পিতাই নাম রাখার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।“তোমরা তাদেরকে তাদের পিতৃপরিচয়ে ডাক। এটাই আল্লাহর কাছে ন্যায়সঙ্গত।[সূরা আহযাব ৩৩:৫]শিশুর পিতার অনুমোদন সাপেক্ষে আত্মীয়স্বজন বা অপর কোনো ব্যক্তি শিশুর নাম রাখতে পারেন। তবে যে নামটি শিশুর জন্য পছন্দ করা হয় সে নামে শিশুকে ডাকা উচিত। আর বিরোধ দেখা দিলে পিতাই পাবেন অগ্রাধিকার।কোনো ব্যক্তির প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য তাকে তার সন্তানের নাম দিয়ে গঠিত কুনিয়ত বা উপনামে ডাকা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে বড় সন্তানের নামেরপূর্বে আবু বা পিতা শব্দটি সম্বন্ধিতকরে কুনিয়ত রাখা উত্তম। যেমন- কারো বড় ছেলের নাম যদি হয় “উমর” তার কুনিয়ত হবে আবু উমর (উমরের পিতা)। এক্ষেত্রে বড় সন্তানের নাম নির্বাচন করার উদাহরণ রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্
Share:

[ইসলামের কথা] জেনেনিন কোন ঘরে শয়তান প্রবেশ করতে পারে না

বিসমিল্লাহ প্রার্থনা কবুল হওয়ার শর্ত। রাসূল(সা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে- যে দোয়া বিসমিল্লাহ দ্বারা শুরু হয়তা প্রত্যাখ্যিত হয় না। জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত একটি হাদিসে বলা হয়েছে।আরবি হাদিস-وَعَن جَابِرٍ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ، يَقُولُ: « إِذَا دَخَلَ الرَّجُلُ بَيْتَهُ، فَذَكَرَ اللهَ تَعَالَى عِنْدَ دُخُولِهِ، وَعِندَ طَعَامِهِ، قَالَ الشَّيْطَانُ لأَصْحَابِهِ: لاَ مَبِيتَ لَكُمْ وَلاَ عَشَاءَ،وَإِذَا دَخَلَ فَلَمْ يَذْكُرِ اللهَ تَعَالَى عِنْدَ دُخُولِهِ، قَالَ الشَّيْطَانُ: أدْرَكْتُمُ المَبِيتَ ؛ وَإِذَا لَمْ يَذْكُرِ اللهَ تَعَالَى عِنْدَ طَعَامِهِ، قَالَ: أدْرَكْتُم المَبِيتَوَالعَشَاءَ ». رواه مسلمবাংলা হাদিস -জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, কোন ব্যক্তি যখন নিজ বাড়িতে প্রবেশের সময় ও আহারের সময়আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করে; অর্থাৎ (বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে) তখন শয়তান তার অনুচরদেরকে বলে, আজ না তোমরা এ ঘরে রাত্রি যাপন করতে পারবে, আর না খাবার পাবে। অন্যথা যখন সে প্রবেশ কালে আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করে না (অর্থাৎ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে না), তখন শয়তান বলে, তোমরা রাত্রি যাপন করার স্থান পেলে। আর যখন আহার কালেও আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করে না (অর্থাৎ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে না), তখন সে তার চেলাদেরকে বলে, তোমরা রাত্রিযাপন স্থল ও নৈশভোজ উভয়ই পেয়ে গেলে।
Share:

[ইসলামের কথা] ইসলামের দৃষ্টিতে যিনা কি এবং এর শাস্তি

off-lineইসলামের দৃষ্টিতে যিনা করা অত্যান্ত বড় একটি পাপের কাজ, যাহা থেকে পবিত্র কোরআনে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা বার বার বিরত থাকতে বলেছেন। আজ জেনে নিন যিনা কত প্রকার ও কি কি ?ব্যভিচারীর শাস্তি কি ? ব্যভিচারীর তওবা কবুল হয় কি ?যিনা বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। নিজেরস্ত্রী বা দাসী ব্যতীত অন্য মহিলার সাথে জৈবিক চাহিদা পূরণ করাকে যৌনাঙ্গের যিনা বলে। এছাড়া চোখের যিনা হচ্ছে মাহরাম ব্যতীত অন্য মহিলার দিকে কামনার দৃষ্টি নিক্ষেপ করা।মুখের বা জিহ্বার যিনা হচ্ছে কামভাবেকথা বলা (বুখারী, ফাতহুল বারী হা/৬২৪৩, ১১/৩০)।অবিবাহিত ব্যভিচারীর শাস্তি ১০০ বেত্রাঘাত এবং বিবাহিতের শাস্তি হচ্ছে রজম (কোমর পর্যন্ত পুতে পাথর মেরে হত্যা) (ইবনু মাজাহ হা/২৫৫০ ; ইরওয়া হা/২৩৪১)।উল্লেখ্য, দেশের শাসক বা তার প্রতিনিধিই কেবল এই শাস্তি কার্যকর করতে পারেন (ফাতাওয়া লাজনা দায়িমাহ , ২২/৩৫)।যিনা-ব্যভিচার কবিরাহ গুনাহ। তওবা ব্যতীত এ গোনাহ মাফ হয় না। ব্যভিচারী ব্যক্তি ঐ গর্হিত কর্ম থেকে ফিরে এসার জন্য অনুতপ্ত হয়ে খালেছ অন্তরে তওবা করলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন ইনশাআল্লাহ (তওবা-৮২ ;ফুরকান-৬৮-৭০)।
Share:

[ইসলামের কথা] আজরাঈল (আ.) আসার সময় কেমন হয় মৃত্যু যন্ত্রণা ?

মৃত্যুর চেয়ে বড় সত্যি আর কিছু কী আছেএই পৃথিবীতে? মৃত্যু অবশ্যই আসবে, নির্দিষ্ট সময়ে, আগেও নয়, পরেও নয়। প্রাণ হরণের সময় মানুষের অবস্থা থাকেবিভিন্ন রকম। তাদের ঈমান, তাকওয়া কৃতকর্ম অনুযায়ী মৃত্যু যন্ত্রণা হয়ে থাকে। এরপর কবর হল প্রথম স্তর। কারো জন্য তা হবেজান্নাতের একটি অংশ কারো জন্য তা হবে জাহান্নামের একটি টুকরা। তবুও কিন্তু ব্যাক্তি জীবনের মোহে পড়ে আমরা বেশিরভাগ সময়েই মৃত্যুর মত অবধারিত সত্যি ভুলে গিয়ে নানান স্বার্থের দ্বন্দে জড়িয়ে পড়ি।যে কোন সেকেন্ডে যে কোন মুহূর্তেই তো একেবারে বিনা নোটিশে আসতে পারে মৃত্যু ! আর মৃত্যুর পরেই সব মুছে গিয়ে আপনার আমার নাম হবে শুধু লাশ। যার নির্দেশে মৃত্যু অবধারিত হয়, যদি অন্তত তার সাথে সম্পর্ক ভালো রাখা যায়, তার প্রতি আনুগত্যের প্রকাশ করা হয়, তাহলেই শুধু আশা করতে পারি মৃত্যু পরবর্তী জীবনে অনন্ত যন্ত্রনা আর দুর্ভোগের শিকার হতে হবেনা আমাদের । প্রত্যেক প্রাণীকে আস্বাদন করতে হবে মৃত্যু। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ বদলা প্রাপ্ত হবে। তারপর যাকে দোযখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, তার কার্যসিদ্ধি ঘটবে। আর পার্থিব জীবন ধোঁকা ছাড়া অন্য কোন সম্পদ নয়। মৃত্যুর সময় কেমন বোধ করে মানুষ? মৃত্যু এবং মৃত্যু যন্ত্রণা প্রত্যেক মানুষের জন্য অনিবার্য।মহান আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় রাসূল (সাকে মৃত্যুর স্বাদ নিতে হয়েছিলো । আরযখন তিনি মৃত্যুর কিনারায় পৌছেছিলেন, যখন তিনি মৃত্যু যন্ত্রণায় আক্রান্ত হলেন। তখন নিজের সাথে এক জগ পানি রেখেছিলেন , আর সেখান থেকে নিজের হাত ডুবিয়ে নিয়ে মুখ মুছতেন এবং বলতেন, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ইন্না লিল মাওতি লা সাকারাত, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।” -অর্থাৎ: নিশ্চয়ই মৃত্যু যন্ত্রণা বড়ই তীব্র এবং বড়ইকঠিন! যদি খোদ রাসূল(সামৃত্যু যন্ত্রণায় কাতর হন, তাহলে আমাদের কেমন হবে? অবশ্যই কঠিন। আর কাফির বা অবিশ্বাসীগণদের শাস্তি হবে সর্বোচ্চ।তাদেরকে মৃত্যুর সময় ফেরেস্তারা বলবে, বেড়িয়ে আয় হে পাপি আত্মা! আর তোদের জন্য অপেক্ষা করছে আল্লাহর শাস্তি! তবে কিছু মানুষের মৃত্যু যন্ত্রণা হবে খুবই কম। যেমন একটি পিপড়ার কামরের মত। আর তারা হলেন শহীদগণ।
Share:

[ইসলামের কথা] নামাজে মনোযোগী হবারএকটি গুরুত্তপূর্ন পদ্বতি

আমরা যখন নামাজে দাড়াই তখন শয়তান আমাদের অন্তরে নানারকম প্ররোচনা দিয়ে নামাজে অমনোযোগী করে তুলা চেষ্টা করে, এতে অনেকের বেলায় শয়তান সফল হয় আবার অনেকের বেলায় শয়তান সফল হতে পারেনা।এর থেকে বাঁচতে হলে ও নামাজ শুদ্ধভাবে পড়তে হলে নামাজে দাড়িয়ে সর্বপ্রথম আমাদের মনে ফিলিংস আনতে হবে যে, আমরা এমন এক সত্তার সামনে দাড়িয়েছি যিনি মহাবিশ্বের প্রতিপালক এবং তার সমতুল্য কেও নেই,অত এব নামাজে অন্য দিকে মনযোগ দেয়া যাবেনা।এই ব্যাপারে আপনাদের একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝায়,,মনে করেন,,আপনার সবচেয়ে প্রিয় ব্যাক্তি আপনাকে ডাকল তার সাথে মিট করার জন্য।তখন কিন্তু আপনি খুব আবেগ নিয়ে তার সাথে দেখা করবেন এবং আপনি নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করবেন যা আপনার সর্বোত্তম উপায়। সে যদি ৫ মিনিট সময় দেয় তার সাথে কথা বলার, তখন কিন্তু আপনি সময়টাকে আরো বাড়িয়ে নিতে চাইবেন।কারন সে একজন খুবই স্পেশাল ব্যাক্তি।এখন নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন!হয়তোবা আপনার প্রিয় ব্যাক্তি বিশ্বের ১ নাম্বার সুপারস্টার বা ক্ষমতাবান বা প্রভাবশালী।আপনার প্রিয় ব্যাক্তির ডাকে যদি আপনি এত আবেগ নিয়ে দেখা করতে পারেন, যিনি সমগ্র বিশ্বজগতের পালনকর্তা,সমগ্র প্রানী এমনকি আপনার সুপারস্টারের সৃষ্টিকর্তা তার ডাকে কেন এত আবেগ নিয়ে সাড়া দিতে পারেননা?আপনার প্রিয় ব্যাক্তির সাথে যদি কথাবলার সময় আরো বাড়িয়ে নিতে মন চায়, তাহলে যিনি সমগ্র বিশ্বজগতের পালনকর্তা,সমগ্র প্রানী এমনকি আপনার সুপারস্টারের সৃষ্টিকর্তা তার সাথে কথা বলতে এত বিরক্ত লাগে কেন??এটার কারন হল আমরা নামাজে যা পড়ি তারঅর্থ বুঝি না।যার কারনে আমাদের অন্তরে আবেগময় ফিলিংস কাজ করেনা।আমরা যদি নামাযে যাহা পড়ি মেশিনের মতো না পড়ে(যেমন:সুরা কেরাত,রুকু,সেজদার তাসবিহ,আত্তাহিয়াতু দুরুদ শরিফ ইত্যাদির)অর্থ বুঝে পড়ার চেষ্টা করতাম তাহলে ইন শা আল্লাহ্ নামাজে আমরা স্বর্গীয় প্রশান্তি অনুভব করতে পারতাম।ফলে আর কখনো নামাজ মিস করতাম না ….আজ আপনাদেরকে কিভাবে সুরা ফাতিহাতে মনোযোগ রাখবেন সেই সম্পর্কে আলোচনা করব ।নামাযে সূরা ফতিহা পড়ার সময় এ হাদীসটির কথা খেয়ালে রাখলে এক একটি আয়াত পড়ার পর আল্লাহর প্রেমময় জওয়াবটা মনের কানে শুনবার জন্য বান্দাহকে থামতেই হবে।আল্লাহর জওয়াবে যে তৃপ্তি ও শান্তি তা তারাই বোধ করতে পারে, যারা আয়াতগুলো ধীরে ধীরে মজা নিয়ে পড়ে।এ হাদীসে মহব্বতের এমন অগ্নিকণা রয়েছে যে,বান্দার দিলে ঈমানের বারুদ থাকলে এবংনামাযে সূরা ফাতিহা পড়ার সময় আল্লাহর আবেগময় কথার দিকে খেয়াল করলে আল্লাহর প্রতি ভালবাসার এমন আগুন জ্বলে উঠবে যে, জযবায় বান্দাহ নিজেকে মনিবের অতি কাছে বলে অনুভব করবে।আউযুবিল্লাহ….. ও বিসমিল্লাহ…..পড়ে সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করতে হবে।হাদীসে আছে যে সূরা ফাতিহার এক এক অংশতিলাওয়াত করার সাথে সাথে আল্লাহ এর জওয়াব দেন। এ হাদীসের কথাগুলো এমন আবেগময় ভাষায় বলা হয়েছে যা বান্দাহর মনে গভীর দোলা দেয়। হাদীসটি নিম্নরূপbr />রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবলেছেন, আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমি সালাতকে আমার ও আমার বান্দার মধ্যে অর্ধেক করে ভাগ করেছি।আর বান্দা যা চাইবে- তা সে পাবে।অতঃপর বান্দা যখন বলে, (আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন); আল্লাহ তা’আলা এর জবাবে বলেন- আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে।সে যখন বলে, ‘আর রহমানির রহীম’ (তিনি অতিশয় দয়ালু এবং করুণাময়); আল্লাহ তাআলা বলেন- বান্দা আমার তা‘রিফ করেছে,গুণগান করেছে।সে যখন বলে, ‘মালিকি ইয়াওমিদ্দ্বীন; (তিনি বিচার দিনের মালিক); তখন আল্লাহ বলেন- আমার বান্দা আমার মাহাত্ম্য বর্ণনা করেছে। তিনি এও বলেন, বান্দা সমস্ত কাজ আমার উপর সোপর্দ করেছে।সে যখন বলে, ‘ইয়্যাকানা‘বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতাঈন’ (আমরা কেবল তোমারই ইবাদত করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি); তখন আল্লাহ বলেন- এটা আমার এবং আমার বান্দার মধ্যকার ব্যাপার। আমার বান্দা যা চায় তাই দেয়া হবে।যখন সে বলে, ‘ইহ্দিনাস সিরাতাল মুস্তাকীম, সিরাতাল্লাযীনা আন‘আমতা আলাইহিম, গাইরিল মাগদূবি আলাইহিম অলাদ-দোয়াল্লীন’ (আমাদের সরল-সঠিক ও স্থায়ী পথে পরিচালনা করুন। যে সব লোকদের আপনি নিয়ামত দান করেছেন, যারা অভিশপ্তও নয় এবং পথভ্রষ্টও নয়- তাদের পথেই আমাদের পরিচালনা করুন); তখন আল্লাহ বলেন- এসবই আমার বান্দার জন্য। আমার বান্দা যা চায় তা তাকে দেয়া হবে।
Share:

কিয়ামতের দিবস কত বড় হইবে ?

''সুতরাং ঐ দিনের দীর্ঘ স্থায়ীত্বেরকথাভাবিয়া দেখ এবং ঐ দিন হিসাবনিকাশের জন্য অপেক্ষা করিতে যেকষ্ট হইবে উহার কথা চিন্তা কর,যাহাতেতুমি গুনাহ হইতে দুরে থাকিতে পার।একহাদীসে আছে যে, ঐ দিনের দীর্ঘস্থায়ীত্বেরকথা রাসূল (সাঃ)-এরকাছে জানিতে চাওয়াহইলে তিনি জবাব দিলেন, আল্লাহরশপথকরিয়া বলিতেছি যে- ঈমানদারেরজন্যঐ দিন অতি সল্প সময় বলিয়া মনে হইবে।মনে হইবে যে একটি ফরয নামাযপড়িবারসময়। এমনকি ইহা অপেক্ষাও হাল্কাহইবে। সুতরাং ঈমানদারেরতালিকাভুক্তহওয়ার চেষ্টা কর। কেননা যতক্ষনপর্যন্ত জীবনের স্পন্দন অবশিষ্ট আছেএবং শ্বাস প্রশ্বাস চালু আছে ততক্ষনপর্যন্ত তোমারসমস্যা সমাধানে তোমারক্ষমতা রহিয়াছে। ইহকালে এইসব ছোটদিনগুলিতে ঐ বড় দিনের জন্য কিছু নাকিছু করিয়া লও। দেখিবে তখনতোমার এতঅধিক উপকার হইবে যে তুমি ইহারখুশীতেবাগ বাগ হইয়া যাইবে।তুমি সারা জীবনবরং দুনিয়ার সৃষ্টি লগ্ন থেকে আজপর্যন্ত প্রায় আট হাজার বৎসর ইবাদতেরমাধ্যমেও যদি কিয়ামতের ময়দানেরপঞ্চাশ হাজার বৎসর অপেক্ষা করিবারকষ্ট হইতে রেহাই পাও। তাহা হইলেওজানিয়া রাখযে তুমি অতি সহজে এবংসস্তায় রেহাই পাইয়া গেলে।''(আখেরাত, পৃঃ ৪৮-৪৯)
Share:

[ইসলাম] কোন নবী কোন দেশে এসেছিলেন

1.আদম (আ.) -শ্রীলন্কা2.নূহ (আ.) -জর্ডান3.শোয়াইব (আ.) -সিরিয়া4.সালেহ (আ.) -লেবানন5.ঈব্রাহীম (আ.) -ইরাক6.ইসমাঈল (আ.) -সৌদি আরব7.ইয়াকুব (আ.) -ফিলিস্তিন8.ইয়াহ ইয়া (আ.) -ফিলিস্তিন9.জাকারিয়া (আ.) -ফিলিস্তিন10.ইসহাক (আ.) -ফিলিস্তিন11.ইউসুফ (আ.) -ফিলিস্তিন12.লুত (আ.) -জর্ডান+ইরাক13.আইয়ুব (আ.) -জর্ডান14.হুদ (আ.) -ইয়েমেন15.মুহাম্মদ (সা.) -সৌদি আরব."
Share:

[ইসলামিক গল্প] রাসূল (সা) এরশিশু অবস্থায়একটি ঘটনাঃ

রাসূল (সা) এর শিশু অবস্থায়একটি ঘটনাঃমা বিধবা, দাদা বৃদ্ধ এ (ইয়াতীম)শিশুকে লালন-পালন করে তারবিনিময়ে কীইবা এমন পাওয়ারআশা করা যেতে পারে ? ইতস্ততকরে এ সবকিছু ভেবে-চিন্তে দলের কেউইতাকে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশকরলো না ।এদিকে দলের অন্যান্যমহিলা যারা আমারসঙ্গে এসেছিল তারা সকলেইএকটি করে শিশু সংগ্রহ করে নিল ।অবশিষ্ট রইলাম শুধু আমি (হালিমাহ)। আমার পক্ষে কোন শিশু সংগ্রহকরা সম্ভব হলো না ।ফিরে যাওয়ার সময় যতইঘনিয়ে আসতে লাগল আমারমনটা ক্রমান্বয়ে ততই যেন কষ্টকর ওভারাক্রান্ত হয়ে উঠতে থাকল ।অবশেষে আমি আমারস্বামীকে বললাম, আমারসঙ্গিনীরা সকলেই দুধপানের জন্যসন্তান নিয়ে ফিরছে আরআমাকে শূন্যহাতে ফিরে যেতে হচ্ছে, এ যেনআমি কিছুতেইমেনে নিতে পারছি না । তারচেয়ে বরং আমি সেই ইয়াতীমছেলেটিকেই নিয়ে যাই(যা করেন আল্লাহ) ।স্বামী বললেন, আচ্ছা ঠিক আছে,কোন অসুবিধা নেই,তুমি গিয়ে তাকেই নিয়ে এসো ।এমনটিও হতে পারে যে, আল্লাহ এরমধ্যেই আমাদের জন্য কোন বরকতনিহিত রেখেছেন । এমন একঅবস্হা এবং মন-মানসিকতারপ্রেক্ষাপটে শিশু মুহাম্মদ (সা.)কে দুধ পান করানোর জন্যআমি (হালিমাহ) গ্রহণ করলাম ।তারপর হালীমাহ বললেন, 'যখনআমি শিশু মুহাম্মদ (সা.)কে নিয়ে নিজ আস্তানায়ফিরে এলাম এবং তাঁকে আমারকোলে রাখলাম তখন তিনি তাঁরদু'সীনা আমার বক্ষেরসঙ্গে মিলিত করে পূর্ণ পরিতৃপ্তিরসঙ্গে দদুগ্ধ পান করলেন । তাঁর দুধভাইঅর্থাৎ আআমার গর্ভজাতসন্তানটিও পূর্ণপরিতৃপ্তিরসঙ্গে দুগ্ধ পান করলেন । এরপর উভয়ইঘুমিয়ে পড়লো । এর পূর্বে তারএভাবে ঘুমআমরা কক্ষণই দেখিনি ।অন্যদিকে আমার স্বামী উটদোহনকরতে গিয়ে দেখেন যে, তারউলান দুধে পরিপূর্ণ রয়েছে ।তিনি এতো বেশি পরিমাণে দুধদোহন করলেন যে, আমরা উভয়েইতৃপ্তির সঙ্গে পেট পুরে তা পানকরলাম এবং বড় আরামেরসঙ্গে রাত্রি যাপন করলাম । পূর্ণপরিতৃপ্তির সঙ্গে রাত্রি যাপনশেষে যখন সকাল হলো তখন আমারস্বামীবললেন, 'হালীমাহ!আল্লাহর শপথ, তুমি একজনমহা ভাগ্যবান সন্তান লাভ করেছ ।'উত্তরে বললাম, আল্লাহর শপথ'অবস্হা দেখে আমারও যেন তাইমনে হচ্ছে ।'হালীমাহ আরো বললেন যে, এরপরআমাদে দল মক্কা থেকে নিজ নিজগৃহে ফেরার উদ্দেশ্যে রওনাদিল ।শিশু মহাম্মদ (সা.)কে বুকে নিয়ে আমার সেইদুর্বলএবং নিস্তেজ মাদী গাধার উপরসওয়ার হয়ে আমিও তাদেরসঙ্গে যাত্রা শুরু করলাম । কিন্তুআল্লাহর শপথ আমার সেই দুর্বলগাধাই সকলকে পিছনে ফেলে দ্রুতবেগে সকলেরঅগ্রভাগে এগিয়ে যেতে থাকলো ।অন্য কোন গাধাই তারসাথে চলতে পারলো না ।সূত্রঃ আর-রাহীকুল মাখতুম
Share:

প্রতিটা সময় আল্লাহকে স্মরন করুন

নবীজী বলেছেন আল্লাহতাআলা ইরশাদ করেন,“আমার বান্দা আমারপ্রসঙ্গে যেমনধারণা পোষনকরে আমি তদ্রুপধারণা পোষণ করি।সে যখনআমাকে স্মরন করে তখনআমি তার সাথেঅবস্থানকরি।যদি সে অন্তরেঅন্তরে আমাকে স্মরনকরে,আমিও আমারঅন্তরে অন্তরে তাকে স্মরনকরি। আরসে যদি কোন সভায়আমাকে স্মরন করে,তাহলে আমি এর চেয়েওউত্তম সভায় তাকে স্মরনকরি। আবার সে যদি আমারদিকে অর্ধহাত অগ্রসর হয়,আমি তার দিকে একহাতঅগ্রসর হই। আর সে একহাতঅগ্রসর হলে আমি দুই হাতঅগ্রসর হই।সে যদি আমারদিকে হেঁটে আসে আমি তারদিকে দৌড়ে গমন করি।”বুখারী ৮ -১৭১
Share:

রমজান মাসে দিনের বেলা সহবাস করা যাবে কি

রমজান মাসে দিনের বেলায় যে ব্যক্তি যৌনমিলন করে তিনি মুকীম (নিজ অঞ্চলে অবস্থানকারী) রোযাদার হলে তার উপর বড়-কাফ্‌ফারা (আল কাফ্‌ফারাতুল মুগাল্লাযাহ) ওয়াজিব হয়।প্রশ্ন : এক লোক রমজান মাসে দিনের বেলায় স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছে, কিন্তু বীর্যপাত হয়নি। এর হুকুম কী? আর সে স্ত্রীরই বা করণীয় কী? উল্লেখ্য স্ত্রী এ ব্যাপারে অজ্ঞ ছিলেন!উত্তর : সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। রমজান মাসে দিনের বেলায় যে ব্যক্তি যৌনমিলন করে তিনি মুকীম (নিজ অঞ্চলে অবস্থানকারী) রোযাদারহলে তার উপর বড়-কাফ্‌ফারা (আল কাফ্‌ফারাতুল মুগাল্লাযাহ) ওয়াজিব হয়। আর তা হল একজন দাস মুক্ত করা। যদি তা না পায় তাহলে একাধারে দুইমাস সিয়াম পালন করা। আর যদি তাও না পারে তবে ৬০ জন মিসকীনকে খাওয়ানো। যদি নারী সন্তুষ্টচিত্তে যৌনমিলনে সাড়া দেয় তাহলে একই বিধান নারীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আর যদি জোরপূর্বক নারীর সাথে সহবাস করা হয় তাহলে তার উপর কোন জরিমানা ওয়াজিব হবে না। আর যদি স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মুসাফির হয় তবে সহবাসের কারণে তাদের কোনগুনাহ হবে না, তাদের উপর কোন কাফ্‌ফারাও ওয়াজিব হবে না এবং দিনের বাকি অংশ পানাহার ও যৌনমিলন থেকে বিরত থাকাও ওয়াজিব হবে না। শুধু তাদের উভয়কে ঐদিনের রোযা কাযা করতে হবে। যেহেতু মুসাফির অবস্থায় রোযা পালন করা তাদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।একইভাবে যে ব্যক্তি কোনো অনিবার্য প্রয়োজনে রোযা ভেঙ্গে ফেলেছে (যেমন কোন নিরপরাধ মানুষকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানোর নিমিত্তে) ঐ ব্যক্তি সেই দিন যদি যৌনমিলন করে, যেইদিন অনিবার্য প্রয়োজনে রোযা ভেঙ্গে ফেলেছে তবে তার উপর কোন কিছু ওয়াজিব হবে না। কারণ এক্ষেত্রে সে ব্যক্তি কোন ওয়াজিব রোযা ভঙ্গ করেনি। নিজ অঞ্চলে অবস্থানকারী (মুকীম) রোযাদার যদি যৌনমিলন করে রোযা ভেঙ্গে ফেলে যার উপর রোযা রাখা বাধ্যতামূলক তার উপর পাঁচটি জিনিস বর্তাবে- ১। সে গুনাহগার হবে। ২।তার সেই দিনের রোযা নষ্ট হয়ে যাবে। ৩। সেই দিনের বাকি অংশ পানাহার ও যৌনমিলন থেকে বিরত থাকতে হবে। ৪। সেই দিনের রোযার কাযা করা ওয়াজিব হবে। ৫। (বড়) কাফ্‌ফারা আদায় করা ওয়াজিব হবে।কাফ্‌ফারা আদায় করার দলীল হল সেই হাদিসটি, যা আবু হুরাইরাহ (আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হউন) থেকে বর্ণিত হয়েছে- এক ব্যক্তি রমজানের দিনের বেলায় তাঁর স্ত্রীর সাথে যৌন মিলন করেছিলেন। এই ব্যক্তি একাধারে দুইমাস রোযা পালন করা অথবা ষাটজন মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াতে অক্ষম ছিলেন। তাই এই ব্যক্তি কাফ্‌ফারা পরিশোধের বাধ্যবাধকতা হতে রেহাই পান। কারণ আল্লাহ তাআলা কাউকে তার সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেন না [সূরা বাক্বারাহ, ২:১৮৬] অপারগের ওপর কোন ওয়াজিব আরোপ করা যায় না। যৌনমিলন যেহেতু সংঘটিত হয়েছে সুতরাং উপরোল্লেখিত মাসয়ালাতে বীর্যপাত হওয়া বা না-হওয়ার কারণে হুকুমের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। কিন্তু ব্যাপারটি যদি এমন হয় যৌনমিলন ছাড়া বীর্যপাত হয়েছে সেক্ষেত্রে তাকে কাফ্‌ফারা আদায় করতে হবে না। বরং সে গুনাহগার হবে, দিনের বাকি অংশ তাকে যৌনমিলন ও পানাহার থেকে বিরত থাকতে হবে এবং রোযাটির কাযা করতে হবে।[আল্‌ফাতাওয়া আল্‌জামি‘আহ লিল মারআতিল মুসলিমাহ (মুসলিম নারীর জীবন ঘনিষ্ট ফতোয়াসমগ্র), খণ্ড-১, পৃঃ- ৩৪৮
Share:

যে তিনটি শর্ত না মানলে রোজাহবে না

রোজার রয়েছে তিনটি ফরজ। যা প্রত্যেকটি রোজা সহীহ শুদ্ধ হওয়ার জন্য অপরিহার্য শর্ত। সে ফরজ তিনটি হলো যথাক্রমে- ১. বিরত থাকা ২. নিয়ত করা ৩. নির্দিষ্ট সময়ে রোজা রাখা। এই তিনটি বিষয়ে শৈথিল্য মানেই নিজের রোজাকে নিরর্থক করে দেওয়া।বিরত থাকা মানে পানাহার, জৈবিক চাহিদা মেটানো ও অন্যান্য রোজা ভঙ্গকারী বিষয়াদি থেকে নিজেকে বিরত রাখা। আর নিয়ত করার অর্থ হলো আল্লাহর নির্দেশ পালনার্থে রোজা রাখার আন্তরিক সংকল্প পোষণ করা।নবী করিম (স.) বলেন, যাবতীয় কার্যাবলী নিয়তের দ্বারাই মূল্যায়ন করা হয়। (বুখারী ও মুসলিম)।যদি ফরজ রোজা হয় তাহলে রাতে ফজরের পূর্বে নিয়তকরতে হবে। এ ব্যাপারে রাসূল (স.) বলেন, যে ব্যক্তি রাত থেকে রোজার নিয়ত না করবে তার রোজাহবে না। (আবু দাউদ, তিরমিজী ও অন্যান্য)।আর যদি রোজা নফল হয় তাহলে ভোর হওয়ার পর এমনকি সূর্য উপরে উঠার পরও নিয়ত করলে চলবে, যদি সে পর্যন্ত কিছু না খেয়ে থাকে।উম্মুল মুমেনীন হযরত আয়েশা (রা) বলেন, একবার সকালে রাসূল (স.) এসে বললেন, তোমাদের মাঝে খাওয়ার কিছু আছে? আমরা বললাম ‘না’। তিনি বললেন, তাহলে আমি রোজা রাখলাম।’ (মুসলিম)অবশ্য ফিকাহবিদরা যে সব ব্যক্তি রমজানে সাহরীর পর নিয়ত করতে ভুলে যান তাদের জন্য সকালবেলায়ও নিয়ত করার সুযোগ রেখেছেন। আবার কেউ কেউ বলেছেন, শেষ রাতে ওঠা, সাহরী খাওয়াও এক ধরনের রোজার নিয়ত ও সংকল্প।এবার সময় প্রসঙ্গ। নির্দিষ্ট সময় বলতে রমজান মাসের দিন ভোর হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। আল্লাহবলেন, তোমরা পানাহার কর, যতক্ষণ না অন্ধকার থেকে সাদা আলোকচ্ছটা দেখা যায়। অতঃপর রাত্রি পর্যন্ত রোজা পূর্ণ কর।’ (সূরা বাকারা- ১৮৭)। বরকতের জন্য রোজার সূচনা সময়ে রয়েছে সাহরী এবং সমাপণীতে রয়েছে ইফতার গ্রহণের নিয়ম ও আনুষ্ঠানিকতা।রোজার সঙ্গে সময় ও চাঁদের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। রাসূল (স.) বলেন, তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখা শুরু কর এবং চাঁদ দেখেই ঈদ-উল-ফিতরের প্রস্তুতি নাও। আর যদি চাঁদ না দেখ, তাহলে ৩০ দিন পূর্ণ কর।’ (তিরমিযী)।একই সঙ্গে হাদীস শরীফে আঞ্চলিক পর্যায়ে চাঁদ দেখার উপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
Share:

Total Pageviews