Friday, March 30, 2018

ঠোঁট দেখেই চিনে নিতে পারেন সঙ্গী সম্পর্কে

কথায় বলে চোখ যে মনে কথা বলে। জানেন কি শুধু চোখ নয় ঠোঁটও কথা বলে। এটা তো ঠিক কথা বলতে গেলে ঠোঁট লাগেবেই। তবে ঠোঁট কথা বলে এটা শুনে অনেকেই আপনাকে পাগল ভাবতে পারে।আপনার ঠোঁট প্রতি মুহূর্তে কিছু না কিছু কথা বলে চলেছে। তাই ঠোঁট দেখে নীরব থেকেও চিনেনেয়া যায় কাছের মানুষটিকে। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে কীভাবে ঠোঁট দেখেই চিনে নিতে পারবেন সঙ্গিকে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত-১. পুরু ঠোঁট-এমন ঠোঁট নিজের আনন্দের ও অন্যের ইর্ষার কারণ হয়ে থাকে। এমন অধর যাদের থাকে, তাঁরা অত্যন্ত ভাল মানুষ হয়। সম্পর্ককে গুরুত্ব দিতে জানেন। নিজের আগে অন্যদের কথা ভাবেন এরা। আবার খুবই আত্মবিশ্বাসী হয়েও থাকেন। কোনও কাজের দায়িত্ব একবার নিলে তা পালন করেই ছাড়েন।২. সরু ঠোঁট-এরা খুবই স্বনির্ভর হয়ে থাকেন। নিজেদের নিয়েই ব্যস্তথাকেন। কিন্তু তা বলে এই নয় যে, এরা মানুষের সঙ্গে মিশতে পারেন না। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা এরা ভালই দিতে পারেন। তবে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এঁদেরএকটু মাথা ঠান্ডা রাখা প্রয়োজন।৩. চওড়া ঠোঁট-এমন মানুষরা ঘর আলো করে থাকেন।যেখানে থাকেন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন। কথাবলতে এরা খুবই ভালবাসেন। আর আপনাকেও নিজের আলোচনার মধ্যে টেনে নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। এমন একজন বন্ধু, যার সঙ্গে রাত দু’টোর পরও জমিয়ে আড্ডা দেওয়া যায়।
Share:

আট দেশের ভবিষ্যৎ অধিনায়কের নাম প্রকাশ, বাংলাদেশের কে?

সম্প্রতি ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েব সাইট ক্রিক ট্যাকারের এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে কারা হতে পারে আগামির কোহলি, মাশরাফি, সরফরাজ কিংবা উইলিয়ামসন। সেখানে অস্ট্রেলিয়ায় স্মিথের উত্তরসূরী হিসেবে বিবেচনা করাহয়েছে পিটার হ্যান্ডসকম্বকে।উল্লেখ্য, যদিও স্মিথ এখন নিষিদ্ধ। এই তালিকায় ইংল্যান্ডের রয়েছে অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। যদিও স্টোকস এখন ইংল্যান্ডের টেস্টদলের সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। অনুমিত ভাবেই বলা যায় স্টোকসের হাতেই যাবে ইংলিশদের আর্ম ব্যান্ড।যেখানে বাংলাদেশিদের মধ্যে বিবেচনা করা হচ্ছে সাব্বির রহমানকে। যদিও সাব্বিরের বর্তমান ফর্ম তার পক্ষে কথা বলে না। শ্রীলঙ্কার আসেলা গুণারত্মে, নিউজিল্যান্ডের টমলাথাম ও দক্ষিণ আফ্রিকার ডি ককের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।যেখানে প্রশ্ন উঠে কোহলির পর কে হবেন ভারতের অধিনায়ক? এই প্রশ্নের উত্তরে সবার আসে অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার নাম। ২৩ বছর বয়সী মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের এই তারকা ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীনের আবিষ্কার।আইপিএলে নিজের অভিষেক ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে ব্যাটিং নেমে দ্বিতীয় বলেই ছক্কা হাকান। শচীন টেন্ডুলকারের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন একদিন এই ছেলে জাতীয় দলের হয়ে খেলেবে। হয়েছেও তাই। নিশ্চিতভাবে বলাযায় ভারতের পরবর্তি অধিনায়কের নির্বাচনে পান্ডিয়া হবে সৌরভ, শচীনদের প্রথম পছন্দ।ভঙ্গুর পাকিস্তান দলকে এক সুতায় বেধে রেখে ভালই প্রশংসা কুড়িয়েছেন অধিনায়ক সরফরাজ। তবে কে হবেন সরফরাজের উত্তরসূরী? এই তালিকায় সবার আগে আছে পাকিস্তানের বর্তমান সময়ের সেরা ব্যাটসম্যান ২২ বছর বয়সী বাবর আজম।তিনি ২০১২ সালের অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলের অধিনায়কত্ব করেন। যেখানে তিনি তার দলের জন্য সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীও হন।২০১৬ সালের শেষ দিকে পাকিস্তান দলে অভিষেক হয় এই তরুণের।
Share:

এয়ারটেল সিমে মাত্র ১৮ টাকায় ৩দিন মেয়াদে ১জিবি ইন্টারনেট

এয়ারটেলে মাত্র ১৮ টাকায় ৩দিন মেয়াদে ১ জিবি ইন্টারনেট নিতে পারবেন।এই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন প্রতিদিন সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত।অর্থাৎ আপনি ৩ দিনের প্রত্যেক দিনই ৬ ঘন্টা করে ব্যবহারের অনুমতি পাবেন।অফারটি নিতে *১২৩*০১৮# এই কোড ডাইয়াল করুনআর ইন্টারনেট ব্যালেন্স দেখতে ডাইয়াল করুন *8444*88#
Share:

[MUST SEE Hsc. ST]নিয়ে নিন H.S.c 2018 এর কিছু বাংলা ১ম পত্র গুরুত্বপূর্ণ McQ+কিছু জ্ঞান মূলক প্রশ্ন

আজকের বিষয় বাংলা :Hsc Bangla 1st MCQ +সব গদ্য একসাথে.গদ্য – বিড়াল.১. বিড়াল একটি কাল্পনিক কথোপকথনমূলক গল্প২. এ গল্পে ১ম অংশ নিখাদ হাস্যরসাত্মক, পরের অংশ গূঢ়ার্থে সন্নিহিত।৩. বিড়ালের কথাগুলো-সোশিয়ালিস্টিক।৪. বিড়াল প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্রের ভাষা ছিলো – শ্লেষাত্মক৫. “বিড়াল ” গল্প অনুসারে বিড়ালদের রং – কালো৬. কমলাকান্ত হুঁকা হাতে ঝিমাচ্ছিল – শয়নগৃহে, চারপায়ীর উপর বসে৭. মিট মিট করে কেমন আলো জ্বলছিল – ক্ষুদ্র আলো৮. “বিশেষ অপরিমিত লোভ ভাল নহে ” উক্তিটি- কমলাকান্তের।৯. ‘দুধ মঙ্গলার, দুহিয়াছে প্রসন্ন ‘ উক্তিটি – কমলাকান্তের১০. কমলাকান্তের জন্য রাখা নির্জল দুধ খেয়েছিল – একটি ক্ষুদ্র মার্জার১১. বিড়াল মনে মনে হেসে কী বলল – “কেউমরে বিল ছেচেঁ কেই খায় কই ”১২. বিড়ালের উক্তি অনুযায়ী, বিল ছেঁচার সাথে সস্পর্কযুক্ত- কমলাকান্তকই খাওয়ার সাথে সম্পর্কযুক্ত – বিড়াল১৩. বিড়াল দুধ খেলেও কমলাকান্ত মার্জারের উপর রাগ করতে পারে নি – অধিকারের কারণে১৪. বিড়াল দুধ খেলে বিড়ালকে তাড়িয়ে মারতে যাওয়া হল – চিরাগত প্রথা১৫. চিরাগত প্রথা ভঙ্গ করলে কমলাকান্ত –মনুষ্যকূলে পরিচিত হবে – কুলাঙ্গার হিসেবেরিড়ালদের কাছে পরিচিত হবে – কাপুরুষ হিসেবে।১৬. অতত্রব, পুরুষের ন্যায় আচরণ করাই ভালো – উক্তিটি কমলাকান্তের১৭. অনুসন্ধানে আবিষ্কৃত যষ্টিটি ছিল – ভগ্ন১৮. কমলাকান্ত মার্জারের কথা বুঝতে পারল – দিব্যকর্ণ প্রাপ্তির ফলে১৯. মারপিট কেন? – উক্তিটি বিড়ালের.২০. “পরোপকারই পরম ধর্ম ” উক্তিটি- বিড়ালের২১. কে ধর্মসঞ্চয়ের মূলীভূত কারণ? –মার্জার২২. মার্জারের মতে সমাজের ধনবৃদ্ধি মানে – ধনীদের ধন বৃদ্ধি২৩. চোরের দণ্ড আছে কিন্তু দণ্ড নাই –নির্দয়তার২৪. “না হইলে ত আমার কী ” উক্তিটি- বিড়ালের২৫. কত দিবস উপবাস করলে কমলাকান্ত নসীরাম বাবুর ভাণ্ডার ঘরে ধরা পড়বে – তিন (৩) দিবস২৬. কমলাকান্ত মার্জারকে কার বই পড়ার কথা বলেছিলো – নিউমান ও পার্কারের বই২৭. বিড়াল শব্দটি আছে – ৮ বার২৮. মার্জারী – ৪ বার২৯. মার্জার আছে – ১১ বার৩০. ” মেও ” আছে – ১৩ বার৩১. যুদ্ধ – ওয়াটার লু৩২. মাদকদ্রব্য – আফিং৩৩. যষ্টি – লাঠি
Share:

যে পাঁচ জিনিস আপনাকে আরো সুখী করবে

সুখ বিষয়ে হাওয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে নানা পরামর্শ। যেগুলো আপনার মাথা ঘুরিয়ে দেবে।তথাপি এটা বোধগম্য, সকলেই আলাদা। কোনো একজনকে যা সুখী করবে তা হয়তো অন্য কাউকে সুখিনাও করতে পারে।তবে এমন পাঁচটি বিজ্ঞান সম্মত বিষয় আছে যেগুলো আপনাকে অবশ্যই সুখি করবে।দলাইলামা বলেছেন সুখ কোনো রেডিমেড জিনিস না। আমাদের নিজেদের তৎপরতা থেকেই আমার সুখ লাভ করি।ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লস অ্যাঞ্জেলেস এর গবেষক অ্যালেক্স কর্ব মস্তিষ্কে ভিন্ন ভিন্ন সুখ কৌশল নিয়ে গবেষণায় দীর্ঘ সময় ব্যয় করেছেন। তার গবেষণা থেকে আমরা শিখেছি কীসে সত্যিকার অর্থেই সুখ বাড়ে।তার গবেষণায় দেখা গেছে আপনার চিন্তাগুলো এবং সে চিন্তার প্রতিক্রিয়ায় আপনি যে আবেগ অনুভব করেন তা আপনার মস্তিষ্কের বিস্ময়কর কিছু এলাকার ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।১. কৃতজ্ঞতাবোধ সুখের অনুভূতি সৃষ্টি করে:এটি সত্যিকার অর্থেই একটি স্নায়বিক অবসাদ দূরকারী উপাদান। কৃতজ্ঞতাবোধ মস্তিষ্কে সেরোটোনিন এবং ডোপামিন নিঃসরণের হার বাড়ায়। অবসাদরোধী ওষুধও মস্তিস্কের এই রাসায়নিকগুলোকে টার্গেট করে কাজ করে।আর কৃতজ্ঞতাবোধ সম্পর্কে সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্যটি হলোএটি যখন আপনার সময় ভালো যাচ্ছেনা তখনও বেশ কার্যকর হয়। আপনাকে শুধু আপনার জীবনে এমন কোনো বিষয়ে ভাবতে হবে যা নিয়ে আপনি সত্যিই কৃতজ্ঞ বোধ করেন।২. নেতিবাচক অনুভূতিগুলোকে আখ্যা দিলে সেগুলোর ক্ষমতা কমে:গবেষণায় দেখা গেছে নেতিবাচক অনুভূতিগুলোকে নামকরণ করলে মস্তিষ্কের সম্মুখভাগের বহিরাবরণ এর আবেগউৎপাদন অংশ অ্যামিগডালার ওপর জয়ী হয় এবং একে শান্ত করে নিয়ে আসে। এটি শুধু আপনার নিজের আবেগের ওপরই কাজ করে না।অন্যদের নেতিবাচক অনুভূতিগুলোকেও একইভাবে আখ্যা দিলে তারাও শান্ত হয়ে আসেন। আর এই কারণেই এফবিআই এর জিম্মি মধ্যস্থতাকারীরা এই কৌশলটি ব্যবহার করেন।৩. সিদ্ধান্ত প্রণয়নে ভালো অনুভূতি:এই কৌশলটিও আগেরটির মতো মস্তিষ্কের সম্মুখভাগের বহিরাবরণকে বেশি সক্রিয় করে যা অ্যামিগডালা এবং আবেগ অনুভূতি উৎপাদক বাকী অংশকেও নিয়ন্ত্রণ করে। আপনাকে যা করতে হবে তা হলো একটি “যথেষ্ট ভালো” সিদ্ধান্ত প্রণয়ন। একেবারে নিখুঁত সিদ্ধান্ত প্রণয়নের চেষ্টা করার ফলে মস্তিষ্কে অবসাদ তৈরি হয়। এটা আমরা আগে থেকেই জানতাম। তবে এখন এর একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও পাওয়া গেছে। “যথেষ্ট ভালো” একটি সিদ্ধান্ত প্রণয়নের ফলে মস্তিষ্কের সেইঅঞ্চলটি সক্রিয় হয় যেটি আবেগ অনুভূতি সৃষ্টিকারী এলাকাটিকে শান্ত করা এবং নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কাজ করে। অন্যদিকে, নিখুঁত সিদ্ধান্ত প্রণয়নের চেষ্টা করলে মস্তিষ্কের আবেগ অনুভূতি সৃষ্টিকারী এলাকাটুকু আরো বেশি উত্তেজিত হয়ে উঠে।৪. অন্যকে সহযোগিতা আপনি সুখী হবেন:সহকর্মীদেরকে তাদের কাজ সম্পাদনে সহযোগিতা করলে এতে শুধু ওই সহকর্মীরাই সুখী হন নাএতে আপনি নিজেও সুখ অনুভব করবেন। অন্যকে সহযোগিতা করলে আপনার মস্তিষ্কে অক্সিটোসিন, সেরোটোনিন এবং ডোপামিন নিঃসরণের হার বেড়ে যাবে যা আপনার মধ্যে সুখানুভূতি সৃষ্টি করবে।হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সহকর্মীদেরকে সহযোগিতা করেন এর ফলে তাদের নিজেদের কাজেও মনোযোগ ১০ গুন বেড়ে যায়। আর এদের প্রমোশনের সম্ভাবনাও ৪০% বেড়ে যায়। একই গবেষণায় দেখা গেছে, যারা অন্যদের প্রতিসামাজিক সহযোগিতা সরবরাহ করেনতারা উচ্চ চাপের সময়েও সুখী থাকতে পারেন। তবে অন্যের প্রতি অতিবেশি প্রতিশ্রুতিশীল না হয়ে বরং সাধারণভাবে সহযোগিতা করলেই তাআপনার সুখের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।৫. আমাদের মস্তিষ্ক অন্যের সংস্পর্শের জন্যই তার দিয়ে বাঁধা:মানুষ মাত্রই সামাজিক প্রাণি। দৈহিক বেদনার প্রতি আমাদের মস্তিষ্ক যেভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ঠিক তেমনি সমাজ থেকে বিচ্যুত হওয়ার ঘটনায়ও আমাদের মস্তিষ্ক একই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। দুই ক্ষেত্রেই মস্তিষ্কের একটি বিশেষ এলাকা সক্রিয় হয়ে ওঠে। আবার একইভাবে আমাদের মস্তিষ্ক স্পর্শকে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা হিসেবে ব্যাখ্যা করতে হার্ডওয়্যার করা।অক্সিটোসিন নিঃসরণে স্পর্শ প্রধান উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। যা মস্তিষ্কের অ্যামিগডালা অংশকে শান্ত করে এবং পরিণতিতে আবেগগুলোকেও নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, এমনকি শুধু পছন্দেরকোনো মানুষের হাত ধরার ফলেই ব্যাথার প্রতি মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়া কমে আসে। স্পর্শঅবসাদের পেছনে দায়ী হরমোন নিঃসরণ কমায়, ব্যাথার অনুভূতি কমায়, ঘুমের গুনগত মান বাড়ায় এবং ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করে।
Share:

সম্পর্কে সুখি হতে এড়িয়ে চলুন পাঁচটি বিষয়!

পৃথিবীর সবচেয়ে রোমাঞ্চকর একটি বিষয় হল প্রেমে পড়া। এটি একটি স্বর্গীয় অনুভূতি। প্রেমে পড়ার পর বা সম্পর্কে যাওয়ার পর প্রতিদিন আপনি প্রিয় মানুষটির ব্যপারে নতুনকিছু জানতে পারেন। আর সেই সঙ্গে প্রতি মুহূর্তেই তার প্রতি আপনার ভালোবাসা বাড়তে থাকে। এই ছোট ছোট বিষয়গুলো আপনাদের সম্পর্ককে আরও মজবুত করে তোলে।কিন্তু সম্পর্কের বয়স যত বাড়ে, সঙ্গীর প্রতি আপনার আবদারও বাড়ে। এটাই স্বাভাবিকএকটি বিষয়। আর যখনই এই বিষয়েআপনি কমতি পান, তখন হয়তো আপনি অন্য কারও সম্পর্কের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্কের তুলনা করতেশুরু করেন। একটা সময় এই খুঁনসুটিগুলোই আপনাদের ভালোবাসার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই যদি সম্পর্কে সুখী হতে চান তাহলে কিছু বিষয়এড়িয়ে যান।আর সেই এড়িয়ে যাওয়ার তালিকাটি একবার দেখে নিতে পারেন। যা হয়তো আপনার সম্পর্ককে আরও সুন্দর করে তুলতে পারে-১. আপনার কাছে হয়ত শুধু ভালোবাসাই যথেষ্ট। এই অনুভূতিআপনাকে মনে মনে সুখ দিবে ঠিকই কিন্তু মানসিক শান্তি দিবে কি না, সেই বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে।যদি সারা জীবন সুখে থাকতে চান তাহলে সঙ্গী আপনাকে সম্মান করে কি না, আপনাকে কতটুকু সে বোঝার চেষ্টা করে, আপনার জন্য কতটা ত্যাগ স্বীকার করে, আপনাকে সুখী করতে সে কী করতে পারে এই বিষয়গুলোতেও নজর দিতে হবে। শুধু ভালোবাসা থাকলেই চলবে না সেটি সব সময় মাথায় রাখবেন।২. হয়তো আপনি আপনার বন্ধুর সম্পর্ক নিয়ে হিংসা করেন, কারণ ফেসবুকে তাদের রোমান্টিকছবি আপনাকে প্রতিদিনই দেখতে হয়। আর আপনি তাদের সঙ্গে তুলনা করে নিজেকে অসুখী মনে করছেন। সব সময় মনে রাখবেন, বাস্তব জীবন আর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম দুটি ভিন্ন জায়গা। তাই অন্যের রোমান্স নিয়ে হিংসা করে নিজেদের সুখ নষ্ট করবেন না।৩. জীবনে এমন অনেক মুহূর্ত আসে, যখন সঠিক ও ভুলের মাঝে কোনো একটাকে বেছে নিতে হয়। প্রেমের ক্ষেত্রেও ব্যক্তিক্রম নয়। সব সময় যে আপনিই ঠিক ও সৎ এই বিষয়টা ভুলে যান। মানুষ কখনোই নিজেকে ভুল মনে করে না। নিজের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি বিষয়েই সে যুক্তি দেখাতে পারে। তবে প্রেমের ব্যাপারে একেবারেই যুক্তি দেখাবেন না, যদি প্রিয়মানুষটাকে কষ্ট দিতে না চান।৪. সম্পর্কের শুরুটা যতই রোমাঞ্চকর হোক না কেন, বাস্তবতাকে আপনার মেনে নিতেই হবে। প্রতিদিনই আপনি সমানভাবেভালোবাসা অনুভব করতে পারবেন না। কাল এমন ছিল, আজ কী হলো? এমনচিন্তা করা যাবে না। কিছু বিষয় সাধারণভাবে নেওয়ার চেষ্টা করুন।৫. আপনারা দুজন পরস্পরকে অনেক ভালোবাসেন, তার মানে এই নয় যে কখনোই ঝগড়া হবে না। এগুলো খুবই স্বাভাবিক বিষয়। আর ঝগড়া হলে প্রেম কমে যাবে এটা ভাবারও কোনো অবকাশ নেই। তাই প্রকৃতির নিয়মে যা হচ্ছে জীবনে, হতে দিন, শুধু মনের মানুষটির প্রতি সৎ থাকুক। দেখবেন, জীবন কতটা সহজ, কতটা সুখের।
Share:

কীসের টানে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন বিবাহিতরা?

ভালবাসা খুঁজে ফেরেন সকলেই। স্বাভাবিক প্রবৃত্তিতেই তাই বাঁধা পড়েন সম্পর্কে। কিন্তুতাহলে আবার সেই সম্পর্কের বাঁধন ছেড়েই কেন বেরিয়ে পড়তে চায় মানুষ? তবে কি চেনা সম্পর্কের আড়ালেই কোথাও থেকেযায় দমবন্ধ করা পরিবেশ! নাকি নিছক অ্যাডভেঞ্চারের নেশায় সম্পর্কের খোলস কাটিয়ে বেরিয়ে পড়তে চান অনেকে? এ প্রশ্ন বরাবরেরই। যাঁরা এক সম্পর্কে আস্থাশীল, তাঁরা একে অন্যায় বলেই মনে করেন। কিন্তু শুধু কি অন্যায়! নাকি নেপথ্যে থেকে যাচ্ছে মনস্তত্বের জটিল গতিবিধি? কেনআচমকাই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন বিবাহিতরা? দেখে নেওয়াযাক মনোবিদরা কোন কারণগুলি তুলে ধরেছেন।১) বিয়ে-অসন্তোষের কারণসামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই অনেকে যে কোনও সঙ্গীর সঙ্গে বিবাহকে মেনে নেন। কিন্তু যত দিন যায় তত বাড়তে থাকে অসন্তুষ্টি। সঙ্গীকে ঠিকভাবে চেনা না থাকার ফলে বাহ্যিক গাঁটছড়া পড়ে বটে, কিন্তু মনের কম্পাঙ্কগুলো মেলে না। আর তাই জীবনের গতিপথে যদি কেউ এসে পড়েন, যাঁর সঙ্গ পেলে মনের তারে সাড়া পড়ে, মানুষ জড়িয়ে পড়তে চায় তাঁর সঙ্গেই।২) দীর্ঘদিনের বিয়েযাঁরা কম বয়সে বিয়ে করে ফেলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বেশি। দীর্ঘদিনের বিয়ের ফলে দাম্পত্যে একটা স্থিতাবস্থা চলে আসে। জীবনযাপন তখন দিনগত অভ্যাসে গিয়ে ঠেকে। এই থোড়-বড়ি-খাড়ার জীবন থেকে বেরোতেই নতুন কোনও সম্পর্কের খোঁজ করেন কেউ কেউ।৩) ঝামেলা থেকে মুক্তিসংসারের নানা ঝামেলা সময় সময় অনেককে ক্লান্ত করে। যত দিন যায় মানুষের জীবনে তত দায়িত্ব বাড়তে থাকে। পরিবারের বোঝা এসে ক্লান্ত করে। এর থেকে মুক্তি পেতেই নতুন সম্পর্কের দিকে হাত বাড়ায় বিবাহিতরা। সন্তানসন্ততি থেকে বৃদ্ধ মা-বাবার নানা সমস্যায় ক্রমশ জেরবার হতে থাকেন মধ্যবয়স্ক বিবাহিতরা। তখনই ঝোঁক বাড়ে পরকীয়ার দিকে।৪) নিছক কামনাকখনও আবার এসব কোনও সমস্যাই থাকেন। মানুষ স্বভাবত বহুগামী। আর তাই নিছক কামনার বশবর্তী হয়েই সম্পর্কের ভিতরথেকেও অন্য কারওর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন অনেকে। এক্ষেত্রে যৌনতাটাই প্রধান হয়ে পড়ে। শারীরিক আকর্ষণই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়। তবে অনেক সময় এর পিছনে অন্য একটি কারণও দেখা যায়। যত দিন গড়ায় বিবাহিতরা যৌনতার ক্ষেত্রে ক্রমশ প্রথমদিককার উত্তেজনা হারিয়ে ফেলেন। শারীরিক অসন্তুষ্টি তাঁদের নতুন কোনও সম্পর্কের দিকে যেতে প্ররোচিত করে। তখনই পেয়ে বসে অ্যাডভেঞ্চারের নেশা।৫) মনের যোগাযোগচেনা সম্পর্ক চলছিল বেশ বাঁধা গতে। কিন্তু জীবন তো অদ্ভুত। আচমকা জীবনে এমন কারওর সঙ্গে দেখা যায়, যার সঙ্গে অনেক বিষয়ে মনের মিল পাওয়া যায়। হয়তো একই শখ বা একই জিনিস পছন্দ করার ক্ষেত্রে, কিংবা রুচির ক্ষেত্রে অসম্ভব মিল দেখা যায়। অথবা নিজের সঙ্গীর মধ্যে ঠিক যে যে অভাবগুলো অনুভব করেন কেউ কেউ, অন্য কারওর মধ্যেই আচমকা তা খুঁজে পেয়ে যান। আর এর ফলেই সম্পর্কে থাকা সত্ত্বেও নতুন সম্পর্ক পাতিয়ে ফেলেন অনেকে।৬) প্রতিশোধ নিতেআশ্চর্য লাগলেও এটাও সত্যি। নিজের সঙ্গীর প্রতি প্রতিশোধ নিতে কেউ কেউ বেছে নেন অন্য সম্পর্ক। ধরা যাক, কোনও কারণে বর্তমান সম্পর্কে তিক্ততা দেখা দিয়েছে। বা সঙ্গী অন্য কোনও সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেএরকম সন্দেহ দানা বেধেছে। অথবা নিজের অনুভূতিতে, আনন্দে-বিষাদে কাছের মানুষটিকে নির্বিকার দেখে রাগ হয়েছে। আর এসব ক্ষেত্রে সঙ্গীর উপর প্রতিশোধ নিতেই অন্য সম্পর্কেহাত বাড়ান অনেকে। সেক্ষেত্রেপরকীয়ায় নিজেকে অনেকটা ক্ষমতাশীল রাখতেই পছন্দ করেন বিবাহিতরা।
Share:

পর্ন আসক্তিতে যে ক্ষতি হতে পারে টিনএজারদের!

টেকনোলজি যত এগিয়েছে, ইন্টারনেট ততই মানুষের কাছে আপন হয়ে উঠেছে৷ বন্ধু-বান্ধবীদের বদলে টিনএজাররা এখন ইন্টারনেটকেই সময় কাটানোর সঙ্গী হিসাবে বেছে নিয়েছে৷ সেই ইন্টারনেটের দৌলতে এখন পর্ন মুভি যেন আরও সহজলভ্য হয়ে গেছে সকল যুবক-যুবতীদের কাছে৷ কিন্তু সম্প্রতি এক সমীক্ষার ফল বলছে,বেশি পর্ন মুভি দেখলে টিনএজারদের যৌন জীবনে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে৷ তাঁদের আচরণেও যৌন হিংসাত্মক ছাপ রয়ে যাচ্ছে৷সমীক্ষাটি এও বলছে, খোদ যৌন নির্যাতনকারীরাই একথা স্বীকার করে নিয়েছেন, পর্ন সিনেমা তাদের আচরণের উপর ঋণাত্মক প্রভাব ফেলেছে৷ তাদেরপাশে কোনো সহানুভূতিশীল কাউকেপেলে তারা সুস্থ হয়ে উঠতে পারতেন বলেও আক্ষেপ করেছেন নির্যাতনকারীরা৷ মেলবোর্নের এক সংস্থা স্বাধীনভাবে এই সমীক্ষাটি চালায়৷ সমীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, অত্যাধিক পর্ন মুভি যাঁরা দেখেছে, তাঁরাস্বাভাবিক যৌনজীবনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না৷ শয্যায় সঙ্গিনীর উপর কখনও কখনও অত্যাচার করে ফেলছেন৷ গবেষকরা বলছেন, এর জন্য দায়ী পর্ন মুভিতে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বাড়তি আগ্রাসন!পর্নে আসক্ত টিনএজাররা সেই একই দৃশ্যাবলীর পুনরাবৃত্তি করতে চান বাড়িতেও৷ যার জেরে তাঁদের যৌন জীবনে নেমে আসে অস্বাভাবিকত্বের ছায়া৷
Share:

১০ বিষয় সত্যিকার আত্মবিশ্বাসী লোকরা ভিন্নভাবে করেন

লোকে নিজেদের নিরাপত্তাহীনতা ঢাকার জন্য যে ভুয়া আত্মবিশ্বাসের মুখোশ পরেন তা থেকে সত্যিকার আত্মবিশ্বাস একদমই আলাদা।একটি জিনিসি নিশ্চিত: সত্যিকার আত্মবিশ্বাসী লোকেরা সবসময়ই সন্দিহান এবং ভীতু লোকদের ওপর কর্তৃত্ব করেন। কারণ তারা অন্যদের অনুপ্রাণিত করেন এবং ঘটনা ঘটান।কেউ যদি ভাবেন তিনি পারবেন না তাহলে তিনি পারবেন না। আর কেউ যদি ভাবেন তিনি পারবেন তাহলে তিনি পারবেন।এর মানে হলো সাফল্য অর্জনে আপনার সক্ষমতার ওপর আপনার মানসিকতার শক্তিশালি প্রভাব রয়েছে। মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক একটি গবেষণার ফলাফলে তেমনটিই দেখা গেছে। এতে দেখা গেছে, আত্মবিশ্বাসী লোকেরা উচ্চ মজুরি উপার্জন করেন এবং অন্য আর যে কারো চেয়ে অনেক দ্রুত পদোন্নতি পান।এমনকি প্রকৃতপক্ষে যার সঙ্গেইতাদের সাক্ষাৎ হয় তার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেন আত্মবিশ্বাসী লোকেরা। তবে এটাতারা অর্জন করতে সক্ষম হন কারণতারা নিজেদের ভেতরেও নিজেদের ওপর বেশ প্রভাশালী হন।আমরা শুধু তাদের বাহিরটা দেখি। আমরা তাদেরকে উদ্ভাবন করতে দেখি, নিজেদের মনের সঙ্গেকথা বলতে দেখি এবং নিজেদেরকে আরো বড় এবং উন্নততর জিনিসের দিকে পরিচালিত করতে দেখি।আর তথাপি আমরা তাদের সেরা অংশটি দেখেতে পাই না।আত্মবিশ্বাসী হওয়ার জন্য তারা যেসব অভ্যাস গড়ে তোলেন আমরা সেসব দেখি না। প্রতিটি দিন দৃশ্যের আড়ালে তারা ভালোবাসার কাজের পেছনে দৌঁড়ান।আর লোকে যখন পরিস্থিতি পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিজেরাও পরিবর্তিত হয়ে যায় তখন সত্যিকার আত্মবিশ্বাসী লোকদের অভ্যাসগুলো অপরিবর্তিতই রয়ে যায়।১. তারা নিশ্চয়তার সঙ্গে কথা বলেনসত্যিকার অর্থেই আত্মবিশ্বাসী লোকদেরকে কখনোই বলতে শোনা যায় না “উম,” “আমি নিশ্চিত নই” এবং “আমার ধারণা”। আত্মবিশ্বাসী লোকেরা দৃঢ়তার সঙ্গে কথা বলেন। কারণ তারা জানেন আপনি যদি দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে আপনার ধারণাগুলো উপস্থাপন না করেন তাহলে লোকে আপনার কথা শুনবে না।২. তারা ছোট ছোট বিজয় সন্ধান করেনআত্মবিশ্বাসী লোকেরা নিজেদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে এবং প্রতিযোগীতায় লিপ্ত হতে পছন্দ করেন। এমনকি যখন তাদের প্রচেষ্টাগুলো তাদেরকে ছোট ছোট বিজয় এনে দেয়। এর ফলে তাদের আত্মবিশ্বাস ক্রমাগত বাড়তে থাকে।৩. তারা ব্যায়াম করেনইস্টার্ন অন্টারিও রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা টানা ১০ সপ্তাহ ধরে সপ্তাহে অন্তত দুবার ব্যায়াম করেন তারা নিজেদেরকে সামাজিকভাবে, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এবং ক্রীড়াগতভাবে অনেক বেশি যোগ্য অনুভব করেন।তারা নিজেদের দৈহিক অবয়ব এবং আত্ম-সম্মানেরও উচ্চ রেটিং করেন।৪. তারা মনোযোগ চাননাযারা অন্যদের মনোযোগ আকর্ষণেরজন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন লোকে তাদেরকে খুব একটা পছন্দ করেন না। আত্মবিশ্বাসী লোকেরা জানেন নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে প্রমাণের জন্য উঠেপড়েনা লেগে বরং কেউ আদতে যেমন আছে তেমন থাকলেই বেশি কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব।লোকে দ্রুতই আপনার মনোভঙ্গি ধরে ফেলতে সক্ষম। আর আপনি কী জানেন বা কত লোককে জানেন তার চেয়ে বরং লোকে আপনার সঠিক মনোভঙ্গির প্রতি বেশি আকৃষ্ট হবেন। আত্মবিশ্বাসী লোকেরা সবসময়ই সঠিক মনোভঙ্গি লালন করেন এবং সঠিক অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করেন।আত্মবিশ্বাসী লোকেরা মনোযোগ বিলিয়ে দিতে পারদর্শী হন। যখন কোনো বিশেষ অর্জনের স্বীকৃতি স্বরুপ তারা লোকের মনোযোগ আকৃষ্ট করেন তখন তারা সে সকল লোকের ওপর আলোকপাত করেনযারা তাদেরকে এই অর্জনের পেছনে সহায়তা করেছেন। তারা কারো অনুমোদন বা প্রশংসার জন্য আকুতি জানান না। কারণ তারা নিজের ভেতর থেকেই নিজের মূল্য নির্ধারণ করেন।৫. তারা অন্যদের নিয়ে মূল্যায়ন করেন নাআত্মবিশ্বাসী লোকেরা অন্যদের নিয়ে মূল্যায়ন করেন না। কারণ তারা জানেন প্রতিটি মানুষের মাঝেই কিছু না কিছু দেওয়ার মতো সম্ভাবনা আছে। আর অন্যকে ছোট করে নিজের ব্যাপারে ভালো লাগার অনুভূতি লাভের চেষ্টা করেন না তারা। নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করার মাধ্যমে মূলত নিজেকের ছোট করা হয়। আর এটা জানেন বলেই আত্মবিশ্বাসীরা যাদের সঙ্গে সাক্ষাত তাদের সকলের সঙ্গেই নিজের পরিমাপ করেন না তারা।
Share:

অটিস্টিক ছেলেকে সমকামী ভেবে প্রেমিকাকে দিয়ে ধর্ষণ

ছেলেকে সমকামী ভেবে এক বাবা এবং তার প্রেমিকা মিলে ১১ বছরের এক অটিস্টিক শিশুকে ধর্ষণ করেছেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের এক আদালতের শুনানিতে এ কথা বলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামায় এই অপরাধে সিয়ান কোলি এবং খাদিজা মুরিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।মামলার আইনজীবী বলেন, বাবা এবংছেলে একই সঙ্গে বাস করতেন। একদিন বাচ্চাটিকে অন্য একটি ছেলের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখেন বলে জানিয়েছেন তারা। এরপর বাবা সিয়ান কোলি তার প্রেমিকা খাদিজা মুরিকে বাচ্চাটির সঙ্গে যৌন মিলন করতে বলেন। তারা বাচ্চাটিকে মুরির সঙ্গে যৌন মিলন করতে বাধ্য করেন।এ বিষয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যটর্নি টিম দৌতিত বলেন, বাচ্চাটির বাবা তার সন্তানের বিষয়ে খুবই উদ্বিগ্ন ছিলেন কারণ তিনি মনে করেছিলেন তার সন্তান হয়তো সমকামী কিংবা সমকামী হয়ে যাচ্ছে। সন্তানেরপ্রতি ওই বাবার কোনো ধরনের যৌনকামনা রয়েছে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।ওই ঘটনার কিছুদিন পর বাচ্চাটি তার মায়ের কাছে গেলে যৌনতা নিয়ে কথার এক পর্যায়ে বিষয়টি তার মাকে জানায়। তখন বাচ্চাটির মা স্থানীয় পুলিশেএ বিষয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
Share:

ভূতের ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন যেসকল তারকারা

ভূত, প্রেতাত্মা যাই বলেন না কেন, এতে পুরোপুরি অবিশ্বাস আনতে পারে না মানুষ। বিশেষ করেযারা ব্যাখ্যাতীত এবং অপ্রাকৃতিক ঘটনার মুখোমুখি হয়েছেন তারা এমন কিছু আছে বলেই বিশ্বাস করেন। এর পেছনে বিজ্ঞান কী ব্যাখ্যা দেয় তা পরের বিষয়।অনেক সুস্থ-সবল মানুষ সুস্থ মস্তিষ্কে এসব ঘটনা চোখের সামনে দেখেছেন বলে অনেক গল্প রয়েছে। এবার দেখুন, আপনার অনেক প্রিয় তারকাই কিন্তু ভূত দেখেছেন। তাদের ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা নিজেরাই জানিয়েছেন। বাস্তব জীবনে তারা এমন অশুভ কিছুর মুখোমুখি হয়েছিলেন।বরুণ ধাওয়ান : ‘এবিসিডি ২’ এর শুটিংয়ের সময় হোটেলে থাকতেনবরুণ। ওই হোটেলটি কিংবদন্তি গায়ক ফ্রাঙ্ক সিতাত্রার খুব প্রিয় ছির। বরুণ এমন এমটি স্যুইটে ছিলেন, যেটায় ওই গায়কের প্রেতাত্মা ঘুরে বেড়ায় বলে জনশ্রুতি রয়েছে।একদিন সারাদিনের শুটিং শেষে ক্লান্তদেহে বরুণ ফিরলেন হোটেল কক্ষে। রাতে তিনি স্পষ্ট শুনলেন কিছু অস্বাভাবিক শব্দ। বাতাস ছাড়াই দরকা একাই খোলে আর বন্ধহয় বেশ কয়েকবার। পরে বরুণ জানান, এসব ঘটনার সঙ্গে অদ্ভুতগলায় গানও শুনেছি আমি।বিপাশা বসু : ‘গুনাহ’ ছবির শুটিংয়ে গা ছমছমে অভিজ্ঞতার কথা ভুলতে পারেন না বিপাশা। মুকেশ মিলে শুটিং চলছিল। সেখানকার নির্দিষ্ট কিছু কক্ষে বিপাশা তার ডায়ালগ বলতে পারতেন না। এর আগে আরেকটিছবির শুটিংয়ে এক নায়িকার ভাগ্যে এমন ঘটেছিল। দুই একটি কক্ষে শুটিংয়ের পর মনে হয়েছিল তার ওপর আত্মা ভর করেছে।ইমরান হাশমি : তিনিও ভূতুড়ে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন। বন্ধুদের সঙ্গে অবসরযাপনে গিয়েছিলেন ইমরান। একরাতে হঠাৎ কক্ষের আশপাশ থেকে আর্তচিৎকার শুনতে পেলেন।অথচ কাছেধারে কেউ নেই। ভয় পেয়ে যান তারা। রাতে ঘুমাতে পারেননি। মাঝে মাঝেই এমন চিৎকার আসছিল।রণবীর সিং : খুবই ভয়ংকর অভিজ্ঞতা ছিল। আমি সত্যিই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। বাজিরাও মাস্তানি ছবির শুটিংয়ে ওই অভিজ্ঞতাই আমাকে রাতে ঘুমাতে দিতো না। আমি স্পষ্ট বুঝতে পারতাম যে কেউ একজন আমার কাছে কাছে ঘুরে বেড়ায়। শুটিং সেটে একটা কালো দেয়াল ছিল। সেখানে প্রায়ই দেখতাম সাদা ধুলো এমনভাবে মেখে রয়েছে যে তা সত্যিকারের বাজিরাওয়ের চেহারা ফুটিয়ে তুলতো।গোবিন্দ : তার অভিজ্ঞতা সত্যিইসিনেমার তোই ভয়ংকর। এক পাহাড়ি এলাকায় শুটিংয়ের সময় হোটেলে ছিলেন। একরাতের কথা কখনো ভুলতে পারবেন না। মাঝরাতে ঘুম ভেঙে দেখেন যে তারবুকের ওপর ওক নারী বসে রয়েছেন। মুহূর্তেই নেই! সকালে উঠে দেখতেন, ঘর এলোমেলো হয়ে রয়েছে।
Share:

Tuesday, March 27, 2018

পুরুষের ক্ষমতা বাড়াবে মাত্র ১ টুকরো আদা কিন্তু কিভাবে কখন খাবেন? জেনে নিন

পুরুষের ক্ষমতা বাড়াবে মাত্র ১ টুকরো আদা কিন্তু কিভাবে কখন খাবেন? জেনে নিনআদাএকটি উদ্ভিদ মূল মূল যা মানুষের খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়। মশলা জাতীয় ফসলের মধ্যে আদা অন্যতম। আদা খাদ্যশিল্পে, পানীয় তৈরীতে, আচার, ঔষধ ও সুগণ্ধি তৈরীতে ব্যবহার করা হয়।এটি ভেষজ ঔষধ। মুখের রুচি বাড়াতে ও বদহজম রোধে আদা শুকিয়ে চিবিয়ে খাওয়া হয়। অধিকন্তু সর্দি, কাশি, আমাশয়, জন্ডিস, পেট ফাঁপায়আদাচিবিয়ে বা রস করে খাওয়া হয়। অন্যান্য অর্থকরী ফসলের চেয়ে আদা চাষ করা লাভজনক।টানা ৩০ দিন আদা খেলে কী হয়?বাংলাদেশের টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড় ও পার্বত্য জেলাগুলোতে ব্যাপকভাবে আদা চাষ হয়ে থাকে।আদা বীজ রোপণের প্রায়৭-৮ মাস পর ফসল পরিপক্ব হয়। আদা এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে মে মাস পর্যন্ত রোপণ করা হয়। সাধারণত ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে আদা উত্তোলন করা হয়। আদায় আমিষ ২·৩%, শ্বেতসার ১২·৩% , আঁশ ২·৪% , খনিজ পদার্থ, ১·২% পানি ৮০·৮% ইত্যাদি উপাদান বিদ্যমান।মাসিক বেদনা দূর করতে আদার ব্যবহার জেনে নিনআদা ছাড়া বাঙালির রান্নাঘর ভাবাইযায় না। সুস্বাদু রান্নার জন্য রান্না ঘরে আদা চাই-ই চাই। কিন্তু আদা শুধু খাবারের স্বাদ ও গন্ধ বাড়ায় না, এক টুকরো আদা পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বাড়িয়ে জীবনও বদলেদিতে পারে। কি বিশ্বাস হচ্ছে না তো!* নিয়মিত আদা খেলে পুরুষের প্রজননক্ষমতা বাড়ে। সহজেই স্পার্ম কাউন্ট বৃদ্ধি করে আদা।* প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক উপাদানে ভরপুরআদা। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত আদা খাওয়ার অভ্যাস করলে ছোটখাটো অনেক রোগের হাত থেকেই মুক্তি মেলে।* দুর্বল লাগছে? কারণ, যাই হোক এক টুকরো আদা খেয়ে নিন। অনেকটা শক্তি পাবেন। পরে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, জানুন দুর্বলতার কারণ।* নিয়মিত আদা খেলে পুরুষের প্রজননক্ষমতা বাড়ে। সহজেই স্পার্ম কাউন্ট বৃদ্ধি করে আদা।* প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক উপাদানে ভরপুর আদা। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত আদা খাওয়ার অভ্যাস করলে ছোটখাটো অনেক রোগের হাত থেকেই মুক্তি মেলে।* দুর্বল লাগছে? কারণ, যাই হোক এক টুকরো আদা খেয়ে নিন। অনেকটা শক্তি পাবেন। পরে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, জানুন দুর্বলতার কারণ।
Share:

একটা মেয়েকে সেক্স এর জন্য রেডি করা বা হর্ণি করার জন্য প্রথমে যে পদ্ধতিটা প্রয়োগ করা উচিত

মেয়েদের সেক্স তোলার সহজ উপায়একটা মেয়েকে সেক্স এর জন্য রেডিকরা বা হর্ণি করার জন্য প্রথমে যেপদ্ধতিটা প্রয়োগ করা উচিত বাকরবেন তা হল স্পর্শ৷ এটিকে শুনতে যেনতেন ব্যপার মনে হলেও এটি খুবইগুরুত্বপূর্ণ। ঠিকমত স্পর্শ করতে পারলেআপনি খুব সহজেই কোনো মেয়েকেকামুকি করে তুলতে পারবেন৷ প্রথমেঅবশ্যই আপনাকে আপনার মনের মধ্যথেকে ভয় টা দূর করতে হবে৷যার সাথে করার উদ্দেশ্য আপনার,তাকে আপনি বিভিন্ন সময় টাচ করুন৷এটি কিন্তু নরমাল হাত ধরা না।চেষ্টা করবেন কাঁধের দিকটায়বেশি ধরার। ধরে রেখে দিতে হবেএমন না, ধরুন – ছাড়ুন। বিভিন্ন কথাপ্রসঙ্গে, অবচেতন ভাবে ভান করেধরুন। খুব ভাল হয় যদি দু – তিন বারপিঠের দিকের ব্রা টা স্পর্শ করেনজামার উপর দিয়ে। এটি তাকেযথেষ্টই হর্নি করবে। এসময় যদি একটুফ্লার্ট করেন তাহলে আরো ভাল হয়।মেয়ের সাথে ভাল ফ্রেন্ডলিরিলেশন থাকলে গালে কিস করবোইত্যাদি মজা করার স্টাইলে বলেওতাকে নিজের দিকে টান দিন।চেষ্টা করবেন না তার বুকের দিকেহাত দেওয়ার৷ তবে গলা,পিঠ এগুলোছাড়বেন না। খেয়াল করুন সে এগুলোরপ্রেক্ষিতে কেমন আচরণ করে। যদিঅন্যরকম হাসি বা একটু ইতস্তত বোধথাকে তার মধ্যে তো ধরে নেবেনআপনি ঠিক পথেই আছেন। কিন্তু যদিএমন হয় যে সে দূরে সরে যায় আপনিধরতে গেলে, কথা ঘোরায় তবেএভাবে চেষ্টা করবেন না। মাঝেমধ্যে তার বুকের দিকে তাকিয়েথাকবেন তাকে বুঝতে দিয়েই। লজ্জাবা ভয় পাবেন না৷মনে রাখবেন, পৃথিবী ব্যাপীসবচেয়ে সহজে এবং সুন্দরভাবেমেয়েদের সেক্স তোলা যায় স্পর্শ এরমাধ্যমে। এটিতেই সবচেয়ে সহজে সফলহন বেশিরভাগ মানুষ৷54-310x165
Share:

মেয়েদের মাসিক সমস্যা

প্রতি মাসে হরমোনের প্রভাবেমেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যেপরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবংরক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথেবের হয়ে আসে তাকেই ঋতুচক্র বলে।স্থায়ীত্তbr /> এর স্থায়ীত্ত তিনটি অংশে ভাগ করাহয়েছেØ প্রথম : ৪ দিন স্থায়ী হয় (৪-৭ দিন)একে বলা হয় মিনস্ট্রাল ফেজØ দ্বিতীয় : ১০দিন (৮-১০ দিন) একেপ্রলিফারেটিভ ফেজ বলা হয়।Ø তৃতীয়: ১৪ দিন (১০-১৪ দিন) স্থায়ী হয়একে সেক্রেটরি ফেজ বলা হয়।>> মিনস্ট্রাল ফেজ : এই যোনি পথেরক্ত বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এইরক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়ারক্তকনিকা ছাড়াও এর সাথে শ্বেতকনিকা, জরায়ুমুখের মিউকাস, জরায়ুরনিঃসৃত আবরনি, ব্যাকটেরিয়া,প্লাজমিন, প্রস্টাগ্লানডিন এবংঅনিষিক্ত ডিম্বানু থেকে থাকে।ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরনহরমোনের যৌথ ক্রিয়ার এই পর্বটিঘটে।>> প্রলিফারেটিভ ফেজ : ৮-১০ দিনস্থায়ী হতে পারে। শুধু ইস্ট্রোজেনহরমোনের প্রভাবে এটি হয়। এই সময়জরায়ু নিষিক্ত ডিম্বানুকে গ্রহন করারজন্য প্রস্ততি নেয়।>> সেক্রেটরি ফেজ : এটি সবচেয়েদীর্ঘ স্থায়ী থাকে প্রায় ১০ থেকে১৪ দিন। একে প্রজেস্টেরন বালুটিয়াল ফেজ ও বলা হয়। এটিওইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন উভয়হরমোনের যৌথ কারনে হয়। এই সময়নিষিক্ত ডিম্বানুর বৃদ্ধির জন্য জরায়ুসর্বোচ্চ প্রস্ততি নিয়ে থাকে।ডিম্বাশয়ের কোনো ডিম্বানু শুক্রানুদ্বারা নিষিক্ত না হলে জরায়ু আবারমিনস্ট্রাল ফেজে চলে যায়। এভাবেইপূর্ন বয়স্ক মেয়েদের ঋতুচক্র চলতেথাকে।
Share:

১ লিটার ডিজেলে একটি ট্রেন কত কিলোমিটার যেতে পারে?

ট্রেন হলো একটি ধাতব পাত্রের উপরে চালিত একপ্রকার যান।ট্রেন যেই ধাতব পাত্রের ওপর দিয়ে চলে সেটিকে আমরা রেলও বলে থাকি।এই গাড়ি যাত্রীকে দূর থেকে দূরতম স্থানে যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যাতায়াতের জন্য বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে।সে অফিস যাওয়াই হোক অথবা কোথাও ঘুরতে।ট্রেন সবত্রব্যবহৃত একটি যান।ট্রেনের এই নামটি প্রাচীন ফরাসী শব্দ ট্রাহিনার থেকে এসেছে।তো প্রায়ই নিজেদের প্রয়োজনেট্রেনে উঠে থাকি।কিন্তু একবারভেবে দেখেছেন একুটি সাধারণ গাড়ির মতো ট্রেন চলার জন্য কতলিটার ডিজেল খরচ হয়?নিজের বাইক অথবা কোনো গাড়ি করে দূরেগেলে আমরা তখন তেলের হিসাব দেখতে পাই কিন্তু আপনি জানেন কি একটি ট্রেন চলার জন্য ঠিক কত লিটার ডিজেলের প্রয়োজন?চলুন এটি নিয়েই আজ আলোচনা করা যাক।একটি ট্রেন এক কিলোমিটার অতিক্রম করার জন্য ঠিক কত লিটার তেল প্রয়োজন তা বলা মুশকিল।রাজন প্রধান নামের এক ব্যক্তির বক্তব্য অনুযায়ী জানা গেছে,একদিন সে ঔরঙ্গাবাদে ট্রেন আসার জন্য অপেক্ষা করছিলো।যখন ট্রেন আসলো তখন সে লক্ষ্য করলো যে ট্রেনের ড্রাইভার ট্রেন বন্ধ না করেই চা খেতে নেমে গেলো।তখন তার মনে জাগলো যে ট্রেনের তেল কি এতটাই কম খায়? তখন সে ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করায় ড্রাইভার বললো ট্রেনের ইঞ্জিনচালু করতে প্রায় ২৫ লিটার তেলএকবারে লেগে যায়।এক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে ট্রেনে ১৫-২০ লিটার তেল খরচ হয়ে থাকে। -অনলাইন
Share:

পার্কের বেঞ্চে অন্তরঙ্গ ছাত্র-শিক্ষিকা, অতঃপর...!

মজার ছলে হাসিঠাট্টা আর কথাবার্তা, আর সেই মজাই গড়িয়ে গেল যৌনাকাঙ্খায়। আরসেটা এতটা প্রবল যে নিজের ছাত্রকেও ছাড়লেন না এক গণিতের শিক্ষিকা। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ঘটে গিয়েছে এমনই এক ঘটনা যা পড়লেশিউরে উঠবে যে কেউ।প্রথম প্রথম সেক্স-চ্যাট, স্ন্যাপ চ্যাটে বিষয়টি আবদ্ধথাকলেও, পরবর্তী ক্ষেত্রে সব বাঁধন খুলে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর রুপ নেয়। নিজের প্রেমিক ফ্ল্যাটে না থাকার সুযোগে এই শিক্ষিকা ডেকে নেয় তার ১৬বছর বয়সী ছাত্রকে। আর তারপরেই মেতে ওঠে যৌনতায়। শুধু ফাঁকা অ্যাপার্টমেন্টেই নয়, খোলা আকাশের নীচে, পার্কের বেঞ্চেও তারা শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়।স্কুলের চাকরি আগেই ছেড়েছিলেন। ছাত্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার নেশায় নিজের বিয়েও আটকে দেন। এই শিক্ষিকা ইন্টারনেটে বারবার এই ছাত্রকেনিজের নগ্ন সেলফি পাঠাতে থাকেন। তবে এমন ঘটনা তো বেশিদিন চাপা থাকে না।ছাত্রের সঙ্গে ফোনে তার শিক্ষিকার নিষিদ্ধ-বিতর্কিত কথা শুনে ফেলে অন্যজন। এরপর শিক্ষিকা গ্রেফতার হন। পরে অবশ্য জরিমানা দিয়ে জামিন পান।
Share:

হয় এবার, না হয় আর কখনোই বিশ্বকাপ জিতবো না : মেসি

ব্রাজিল থেকে ২০১৪ বিশ্বকাপটাহাতে ধরা দিতে গিয়েও দিলো না।ফাইনালে জার্মানির কাছে ১-০ গোলে হেরে লিওনেল মেসির হাতে অধরাই থাকলো বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটা। চার বছর পর আবারও বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন লিওনেল মেসি অ্যান্ড কোং।এবার রাশিয়ায় এবং এবারও অন্যতম ফেবারিট মেসির আর্জেন্টিনা। বরং, অনেকেই মনে করছেন- এবারই হয়তো বিশ্বকাপ ট্রফিটা উঠে যাবে মেসির হাতে। মেসি নিজেও মনে করছেন তেমনই। শুধু তাই নয়, তার এবং সতীর্থদের জন্য এটাই বিশ্বকাপজয়ের শেষ সুযোগ মনে করছেন তিনি।মেসি নিজেই বলে দিয়েছেন, ‘রাশিয়া থেকে এবারই আমাদের বিশ্বকাপ জেতার শেষ সুযোগ। এবার যদি জিততে না পারি, তাহলে আমি এবং আমার সতীর্থরা আর কখনোই বিম্বকাপটা জিততে পারবোনা।’২০১৪ সাল থেকে টানা তিন বছরে তিনটি বড় বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলেছেন মেসি এবং তার সতীর্থরা। ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানির কাছে, এরপর ২০১৫ ও ২০১৬ সালে টানা দুই বছর কোপা আমেরিকার ফাইনালে উঠে হেরেছে চিলির কাছে। ৩০ বছর বয়সী মেসি তাই মনে করছেন, বিশ্বকাপ জয়ের এবারই তাদের সামনে শেষ সুযোগ।স্পেনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামার আগে আর্জেন্টিনার ফক্স স্পোর্টসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেছেন, ‘এটাছিল আমাদের জন্য কঠিন একটি কাজ। কারণ, আমরা বিশ্বকাপ ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরতে পারিনি।বিশ্বকাপ ট্রফির পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা।’বিশ্বকাপ জিততে না পারার দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তি চান মেসি। তিনি নিজেই সেটা বলছেন এভাবে, ‘বিশ্বকাপ জিততে না পারার যে বিঃস্বাদ, সেটা থেকে আমরা মুক্তি চাই। বিশ্বকাপ ট্রফিটা এবার যেভাবেই হোক জিততে চাই। কারণ, আগেরবার বিশ্বকাপ ট্রফির এত কাছে গিয়েও সেটাকে ছুঁতে না পারার কষ্ট এখনও আমাদের সবাইকে কুরে কুরে খাচ্ছে।’নিজেদের জন্য না হোক, অন্তত আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য হলেও বিশ্বকাপ ট্রফিটা উঁচু করে তুলে ধরতে চান মেসি। তিনি বলেন, ‘আমাদের নিজেদের মধ্যেই একটা দায়বদ্ধতা রয়েছে। আমরাসমর্থকদের কাছে ঋণগ্রস্থ থাকতে চাই না। কারণ, সব সময়ই আমরা নিজেদের শতভাগ উজাড় করে দিয়ে চেষ্টা করি। এ কারণেই তিনটা ফাইনাল খেলতে পেরেছিলামআমরা।’এবার না হলে আর কখনোই বিশ্বকাপজিততে পারবেন না বলে মন্তব্য করলেন মেসি। তিনি বলেন, ‘আমরা অনুভব করতে পারছি। যদি পারি তোএবারই পারবো। আর যদি এবার না পারি, তাহলে আর কখনোই পারবো না। এ কারণেই আমাদের চিন্তায় রয়েছে, আমাদের এই গ্রুপটার জন্য বিশ্বকাপ জেতার এটাই হলো শেষ সুযোগ।’পাঁচবারের ফিফা বর্ষসেরার পুরুস্কার বিজয়ী এই ফুটবলার এখনও ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে নিজের ভুলের কথা ভুলতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘আমি কখনোই আর জার্মানির বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচটি দেখিনি। আমি মনে করতে পারি, গোল করার বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিলাম।এটা ছিল খুবই দুঃখজনক যে, কিভাবে আমি বলে শট নিয়েছিলাম। যেভাবে আমি আমার পায়ের পজিশনটা নিয়ে যাই, সেটা ছিল না। চেলসি কিংবা অন্যদলগুলোর বিপক্ষে যেভাবে অন্য উপায়ে বলে শট নিই সেভাবে নিতেপারলেও হয়তো গোল করতে পারতাম।’তবে মেসি বিশ্বাস করেন, বিশ্বকাপ জয়ের রাস্তাটা এত সহজ নয়। একই সঙ্গে তিনি আরও চারটি দেশকে রাশিয়া বিশ্বকাপে ফেবারিট হিসেবে চিহ্নিত করলেন। বরং, তাদের চেয়েও নিজেদের পিছিয়ে রাখলেন তিনি। মেসি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা তাদের চেয়ে বিশ্বকাপ জয়ের বেশি দাবিদার নই। কারণ, এখানে আরও বড় বড় শক্তি রয়েছে। যেমন- স্পেন, জার্মানি, ব্রাজিল এবং ফ্রান্স।’
Share:

নাপাক অবস্থায় খাবার গ্রহণ ও পড়াশোনা করা জায়েজ আছে কী?

প্রশ্ন: নাপাক অবস্থায় খাবার গ্রহণ ও পড়াশোনা করা জায়েজ আছে কী? এই ব্যাপারে ইসলামী বিধি-বিধান কী?উত্তর: নাপাক অবস্থায় শুধু কোরআন পড়া, স্পর্শ করা, মসজিদে প্রবেশ ও নামাজ পড়া যাবে না। এ ছাড়া, খাওয়া দাওয়া, লেখাপড়া ও অন্যান্য কাজ করা যাবে।তবে নাপাক অবস্থায় বেশিক্ষণ থাকা ঠিক নয়।মেয়েরা পিরিয়ডকালীন রোজাও রাখতে পারবেন না।তবে স্বামী-স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে নাপাকহয়েছে এই অবস্থায় সেহেরি খেয়ে রোজা রাখতে পারবে এতে রোজার কোনো সমস্যা হবে না।এক্ষেত্রে ফজর নামাজের আগে তাদেরকে গোসলের মাধ্যমে পাক হতে হবে।আবার রোজা অবস্থায় ঘুমের মধ্যে কারো স্বপ্নদোষেরমাধ্যমে নাপাকি ঘটলে রোজা নষ্ট হবে না। ফরজ গোসল করে পবিত্র হয়ে নিতে হবে।তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট
Share:

Gp সিমের বিশেষ অফার 17 টাকাই 1 জিবি ইন্টারনেট+ 5 Free SMS (মেয়াদ ৭ দিন) নিন এখনি-[সর্বোচ্চ ২ বার]

Gp সিমের বিশেষ অফার 17 টাকাই 1 জিবি ইন্টারনেট+ 5 Free SMS (মেয়াদ ৭ দিন)নিন এখনি-[সর্বোচ্চ ২ বার]………… আশাকরি অফারটি সবাই পাবেন ,তবে ৩১ ই মার্চের আগে নিতে হবে
Share:

আপনার ৭০ তথ্য জানে ফেসবুক

আপনি ফেসবুক ব্যবহার যখন থেকে শুরু করেছেন তখন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সকল তথ্য ফেসবুকের সংগ্রহে আছে। আপনি চাইলে ফেসবুকের আর্কাইভ থেকে আপনার সকল তথ্য ডাউনলোড করে রাখতে পারবেন।ডাউনলোড করার আগে চলুন জেনে নিই ফেসবুক আপনার কোন তথ্যগুলো জানে। ফেসবুকের ‘অ্যাকসেসিং ইওর ফেসবুক ডাটা’ অপশনে গেলে দেখতে পাবেন ফেসবুক আপনার ৭০ রকমের তথ্য জমা করে রাখে। এরমধ্যে আঁতকে ওঠার মতো তথ্য আছে বেশকিছু।আপনি যে জায়গা থেকে ফেসবুক ব্যবহার করছেন সেখানকার আইপি এড্রেস ট্র্যাক করতে পারে। এর মানে আপনার ঠিকানাটি ফেসবুক স্পষ্টভাবে জানতে পারে।ফেসবুকে আপনার পোস্ট করা ছবি, স্ট্যাটাস, ভিডিও, চ্যাট হিস্টোরিসহ অন্যের পোস্টে দেয়া লাইক, কমেন্টস এবংশেয়ার- এই সকল তথ্য যাচাই করে ফেসবুক আপনাকে বিজ্ঞাপনের জন্য টার্গেট বানায়। ধরুন আপনি চকলেট ভালোবাসেন, এইসম্পর্কে আপনি একটি স্ট্যাটাস দিলেন। এরপর থেকে আপনার ফেসবুক নিউজ ফিডে প্রায়ই চকলেটের বিজ্ঞাপন চলে আসবে।ফেসবুকের মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কোনো কিছু পারচেজ করলে আপনার ক্রেডিট কার্ডের তথ্যও চলে যায় ফেসবুকের কাছে। যারা আপনাকে ফলো করেন এবং আপনি যাদের ফলো করেন তাদের সকল তথ্য জমা থাকে ফেসবুকে।সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্যটি ফাঁস হলো সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারিতে। ফেসবুক থেকে কোনো থার্ড পার্টি ওয়েবসাইটের গেমস কিংবা অ্যাপস ব্যবহার করলে, আপনার তথ্য শুধু ফেসবুকই নয়, ওই থার্ড পার্টি ওয়েবসাইটগুলোর কাছেও চলে যেতে পারে।আসুন তাহলে জেনে নিই ফেসবুক থেকে কীভাবে আপনার ফেসবুক আর্কাইভ ডাউনলোড করবেন।১. প্রথমে ফেসবুকের সেটিং অপশন যান। সেখান থেকে চাপুন ‘Download a copy of your Facebook data.’২. তারপর চাপুন ‘Download Archive’৩. আর্কাইভের জন্য রিকোয়েস্ট করা মাত্রই একটি ইমেইল চলে যাবে ‘Facebook download request’ নামে।৪. আপনার আর্কাইভ রেডি হয়ে এলে ফেসবুক থেকে আবারও আপনাকে আরেকটি ইমেইলে করে জানিয়ে দেয়া হবে। তারপর আপনিচাইলে আর্কাইভটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। একটি জিপ ফাইলে আর্কাইভটি ডাউনলোড হয়ে যাবে। এবার জিপ ফাইলটি ওপেন করে দেখে নিতে পারেন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের আদ্যোপান্ত।
Share:

[SDcard] মেমোরি কার্ড কেনার সময় যে চিহ্নগূলো দেখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ>-(‘v’)->

করে আলোচিত অথবা সমালোচিত হওয়ারপর যেটাই বলুন… আমি আমার পরবর্তীপোস্ট নিয়ে চলে এসেছি। আজ আমিমেমরি কার্ড এবং এর ধরন সম্পর্কেস্বল্পপরিসরে বকবক করব। সেইসাথে ক্লাসএবং গতি পরিসীমা সম্পর্কেও বলতেযাচ্ছি।বর্তমানে বাজারে বেশ কয়েক প্রকারমেমোরি কার্ড পাওয়া যায়। তবে সবচেয়েবড় সমস্যাটি হল বিভিন্ন প্রকারভেদেরমাঝে সেরাটি বেছে নেওয়া। মূলত শ্রেণীও বাস ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করেপ্রকারভেদ করা হয়েছে।ব্যাসিক তথ্যনাজানলে উন্নতমানের মেমোরি কার্ডবাছাই করা একটু বিভ্রান্তিকর হতেপারে। আর ফোন হ্যাং এর শিকার তোহতেই হয়। তাই চলুন এই সম্পর্কিত একটুধারনা নেওয়ার চেষ্টা করি….সতর্কতা: পোস্ট পড়ে আপনার উৎসুক মনআপনার মেমোরি কার্ড কেমনকোয়ালিটির জানার জন্য ফোন বন্ধকরাতে পারে। হা…হা…microSDবর্তমানে Memory Card তিন প্রকার : onlySD,SDHC এবং SDXC.microSD: সর্বোচ্চ 2 GB পর্যন্ত হয়।microSDHC: 2 GB এর উপর থেকে সর্বোচ্চ 32GB পর্যন্ত হয়।microSDXC: 32 GB এর উপর থেকে 2 TB পর্যন্তহয়।Speed Classপ্রতিটি মেমোরি কার্ডে বিশেষ চিহ্নদিয়ে চিহ্নিত করা class আছে এবংবেশিরভাগই তার অর্থ বুঝতে পারে না।তাই এখানে আমি মেমোরি কার্ড এর সবক্লাস এবং গতি পরিসীমা সম্পর্কেব্যাখ্যা করব।প্রশ্ন: SD কার্ডে ক্লাস কী?উত্তর: ক্লাস হল ডাটা ট্রান্সফার গতিরমানদণ্ডের জন্য স্পিড ক্লাস রেটিং।এসডি কার্ড এসোসিয়েশন (SDA) এই স্পিডক্লাস রেটিংটি প্রতিষ্ঠিত করেছে যাএকটি মেমরির জন্য সর্বনিম্ন ক্রমবর্ধমানগতি। ক্লাসের চারটি ভিন্ন গতির শ্রেণীআছে:Class 2: At least 2 MBps.Class 4: At least 4 MBps.Class 6: At least 6 MBps.Class 10: At least 10 MBps.(At least দিয়ে সর্বনিম্ন Speed বোঝানোহয়েছে)Class 2: স্ট্যান্ডার্ড ভিডিও রেকর্ডিংয়েরজন্য উপযুক্ত।Class 4: হাই ডেফিনিশন ভিডিও (HD), FullHD সহ (720p থেকে 1080p) রেকর্ডিং এরজন্য উপযুক্ত।Class 6: ‘V 6’ ভিডিও স্পিড ক্লাসে এবংহাই ডেফিনিশন ভিডিও (HD), Full HD সহ(720p থেকে 1080p) রেকর্ডিং এর জন্যউপযুক্ত। ।Class 10: ‘V 10’ ভিডিও স্পিড ক্লাসে এবংহাই ডেফিনিশন ভিডিও (HD), Full HD সহ(720p থেকে 1080p) রেকর্ডিং, এইচডি ছবি,রিয়েল-টাইম সম্প্রচার (Live video) এবংUltra HD ভিডিও ফাইল (ইউএইচএস বাস,ক্লাস U1) এর জন্য উপযুক্ত।প্রশ্ন: SD কার্ডে V কি?উত্তর: এসডি এসোসিয়েশন (এসডিএ) একটিভিডিও স্পিড ক্লাস রেটিং চালু করেছে( 8K, 4K, 3D এবং 360 ° ভিডিও ক্যাপচার) ।ভি 6 (6 MBps), ভি 10 (10 MBps), ভি 30 (30MBps), ভি 60 (60 MBps) এবং ভি 990 (90MBps): গতিবিধি যা সর্বনিম্ন টেকসইপারফরম্যান্সের নিশ্চয়তা দেয়।UHS Speed ClassUHS স্পিড ক্লাস মাইক্রোএসডি কার্ডUHS-I এবং UHS-II গতি সমর্থন করে।U1: At least 10 MBps.U3: At least 30 MBps.প্রশ্ন: দ্রুততম এসডি কার্ড ক্লাস কি?উত্তর: আল্ট্রা হাই স্পিড (UHS) ক্লাস হলদ্রুততম এসডি কার্ড ক্লাস। সাধারণত 4Kসমর্থিত ভিডিও ডিভাইসগুলির জন্যপ্রয়োজন হয়।প্রশ্ন : Class 10 ও UHS পার্থক্য কী?উত্তর: প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যের মধ্যেঅভিন্ন। ক্লাস 10 এবং ইউএইচএসের ডাটাট্রান্সফার স্পেসের মধ্যে কোন পার্থক্যনেই। উভয় মেমরি কার্ডের 10MB / s ন্যূনতমডাটা ট্রান্সফার স্পিড।আপনাদের কাছে এবার একটি প্রশ্ন।কোন ব্রান্ডের মেমোরি কার্ড বেশিদিনটিকে?
Share:

নেই তুমি - ওয়ারফেজ (Nei Tumi- Warfaze)

শিরোনামঃ নেই তুমিকন্ঠঃ বালামব্যান্ডঃ ওয়ারফেজঅ্যালবামঃ আলোনেই তুমি লিরিক্সজোছনার আলোর মত এসেছিলে তুমিরংধনুর রং হয়ে এঁকেছিলে ছবিহঠাৎ এক ঝড় এসে ভেঙ্গে দিল সবিমেঘে ঢেকে গেল আমার এই পৃথিবীনিঃসঙ্গ আজ এই যে আমিখুজে ফিরি আজো কোথায় তুমিনদী যেমন মেশে মোহনায়তেমনি আছো তুমি মনের আয়নায়মনে পড়ে সেই দিনগুলো, আনমোনে বলতে তুমিযাবে না আমায় ফেলে কভু অন্য ভুবনেহঠাৎ এক ঝড় এসে ভেঙ্গে দিল সবিমেঘে ঢেকে গেল আমার এই পৃথিবীনিঃসঙ্গ আজ এই যে আমিখুজে ফিরি আজো কোথায় তুমিনদী যেমন মেশে মোহনায়তেমনি আছো তুমি মনের আয়নায়একসাথে কত তারাগনা, অভিমানে নীরবতাকখনো বা আবেগে শুধু জড়াতে আমায়হঠাৎ এক ঝড় এসে ভেঙ্গে দিল সবিমেঘে ঢেকে গেল আমার এই পৃথিবীনিঃসঙ্গ আজ এই যে আমিখুজে ফিরি আজো কোথায় তুমিনদী যেমন মেশে মোহনায়তেমনি আছো তুমি মনের আয়নায়জোছনার আলোর মত এসেছিলে তুমিরংধনুর রং হয়ে এঁকেছিলে ছবিহঠাৎ এক ঝড় এসে ভেঙ্গে দিল সবিমেঘে ঢেকে গেল আমার এই পৃথিবীনিঃসঙ্গ আজ এই যে আমিখুজে ফিরি আজো কোথায় তুমিনদী যেমন মেশে মোহনায়তেমনি আছো তুমি মনের আয়নায
Share:

Eh Kancha Lyrics | Chhaya O Chhobi | Arijit Singh

Eh Kancha Song Lyrics From Chhaya O Chhobi. The song is sung by Arijit Singh & Mainak Nandy. Starring: Abir Chatterjee, Koel Mallick and Ritwick Chakraborty. Music composed by Indraadip Das Gupta. Lyrics written by Kaushik Ganguly.Film: Chaya O Chobi (2017)Singer: Arijit Singh & Mainak NandyMusic: Indraadip Das GuptaLyrics: Kaushik GangulyDirector: Kaushik GangulyStar Cast: Abir Chatterjee, Koel Mallick & Ritwick ChakrabortyMusic Label: Surinder FilmsSong Eh Kancha LyricsEh Kancha manaichi dotaraKuasha-heen eiRaat kalo kalo aabchayaMon bhabe bhabeChutey jabe jabeBatashe behayaBukete pine-er panjorer isharaMora chand-er pasheJege thake sukhtaraChithi likhe kopale-teChul elo-melo..Mon keno betha koreJaanle amay boloChokh veja vejaKajol jole dhuye jaayKotha jome jomeThoter kone kake se chute chaayKeu ki kohono khoje nijer thikanaGiyechilo tai taar firbar poth ojana (x2)Tobu keno ashbar nei kono taara…Ami ki kore banchi aayna amay chara
Share:

দুনিয়ার সবচেয়ে দ্রুত গতির ফোন আনছে এলজি

দ্রুত গতি সম্পন্ন একটি ফোন আনছে এলজি। মডেল এলজি জি সেভেননিও। ফোনটিতে থাকছে ৬ জিবি র‌্যাম। এতে দুই টেরাবাইট পর্যন্ত মেমোরি ব্যবহার করা যাবে। ফোনটিতে কোয়ালকমের সর্বাধুনিক ও দ্রুত গতির প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে।৬ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই ফোনটিতে আছে ৩১২০x১৪৪০ পিক্সেল। এতে অলিড ডিসপ্লে প্যানেল ব্যবহারকরা হয়েছে। ফোনটিতে কোয়ালকমস্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপসেট। সাধারণত ফ্লাগশিপ ফোনগুলোতে এই চিপসেট ব্যবহার করা হয়।এলজির নতুন ফোনটি বেশ কয়েকটি র‌্যাম ও রম ভার্সনে পাওয়া যাবে। একটিতে আছে ৪ জিবি র‌্যাম এবং ৬৪ জিবি রম। অন্য ভার্সনটি পাওয়া যাবে ৬ জিবি র‌্যাম এবং ১২৮ জিবি রমে। মেমোরি ২ টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়িয়ে নেয়া যাবে।অ্যানড্রয়েড ৮.১ অরিও অপারেটিং সিস্টেম চালিত এই ফোনটিতে ১৬ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি সেন্সর এবং ২০ মেগাপিক্সেলের সেলফি শুটার রয়েছে।
Share:

মেয়ে শিশুর ১০০ টি সুন্দর ইসলামিক নাম

মেয়ে শিশুর ৫২৮টি ইসলামিক নামঃশেয়ার ক‌রে সংগ্র‌হে রাখুন১.আফরা=অর্থ =সাদা২.সাইয়ারা=অর্থ =তারকা৩.আফিয়া =অর্থ =পুণ্যবতী৪.মাহমুদা =অর্থ =প্রশংসিতা৫.রায়হানা =অর্থ =সুগন্ধি ফুল৬.রাশীদা =অর্থ =বিদুষী৭.রামিসা =অর্থ =নিরাপদ৮.রাইসা =অর্থ = রাণী৯.রাফিয়া=অর্থ = উন্নত১০.নুসরাত =অর্থ = সাহায্য১১.নিশাত =অর্থ =আনন্দ১২.নাঈমাহ =অর্থ =সুখি জীবন যাপনকারীনী১৩.নাফীসা =অর্থ =মূল্যবান১৪.মাসূমা =অর্থ =নিষ্পাপ১৫.মালিহা =অর্থ =রুপসী১৬.হাসিনা =অর্থ =সুন্দরি১৭.হাবীবা =অর্থ =প্রিয়া১৮.ফারিহা =অর্থ =সুখি১৯.দীবা =অর্থ = সোনালী২০.বিলকিস =অর্থ =রাণী২১.আনিকা =অর্থ =রুপসী২২.তাবিয়া =অর্থ =অনুগত২৩.তাবাসসুম =অর্থ = মুসকি হাসি২৪.তাসনিয়া =অর্থ = প্রশংসিত২৫.তাহসীনা =অর্থ = উত্তম২৬.তাহিয়্যাহ =অর্থ = শুভেচ্ছা২৭.তোহফা =অর্থ = উপহার২৮.তাখমীনা =অর্থ = অনুমান২৯.তাযকিয়া =অর্থ = পবিত্রতা৩০.তাসলিমা =অর্থ = সর্ম্পণ৩১.তাসমিয়া =অর্থ = নামকরণ৩২.তাসনীম =অর্থ = বেহেশতের ঝর্ণা৩৩.তাসফিয়া =অর্থ = পবিত্রতা৩৪.তাসকীনা =অর্থ = সান্ত্বনা৩৫.তাসমীম =অর্থ = দৃঢ়তা৩৬.তাশবীহ =অর্থ = উপমা৩৭.তাকিয়া শুদ্ধ চরিত্র৩৮.তাকমিলা =অর্থ = পরিপূর্ণ৩৯.তামান্না =অর্থ = ইচ্ছা৪০.তামজীদা =অর্থ = মহিমা কীর্তন৪১.তাহযীব =অর্থ = সভ্যতা৪২.তাওবা =অর্থ = অনুতাপ৪৩.তানজীম =অর্থ = সুবিন্যস্ত৪৪.তাহিরা =অর্থ = পবিত্র৪৫.তবিয়া =অর্থ = প্রকৃতি৪৬.তরিকা =অর্থ = রিতি-নীতি৪৭.তাইয়্যিবা =অর্থ = পবিত্র৪৮.তহুরা =অর্থ = পবিত্রা৪৯.তুরফা =অর্থ = বিরল বস্তু৫০.তাহামিনা =অর্থ = মূল্যবানমেয়ে শিশুর ইসলামিক নাম click to collapsecontents৫১.তাহমিনা =অর্থ = বিরত থাকা৫২.তানমীর ক্রোধ প্রকাশ করা৫৩.ফরিদা =অর্থ = অনুপম৫৪.ফাতেহা =অর্থ = আরম্ভ৫৫.ফাজেলা =অর্থ = বিদুষী৫৬.ফাতেমা =অর্থ = নিষ্পাপ৫৭.ফারাহ =অর্থ = আনন্দ৫৮.ফারহানা =অর্থ = আনন্দিতা৫৯.ফারহাত =অর্থ = আনন্দ৬০.ফেরদাউস বেহেশতের নাম৬১.ফসিহা =অর্থ = চারুবাক৬২.ফাওযীয়া =অর্থ = বিজয়িনী৬৩.ফারজানা =অর্থ = জ্ঞানী৬৪.পারভীন =অর্থ = দীপ্তিময় তারা৬৫.ফিরোজা =অর্থ = মূল্যবান পাথর৬৬.ফজিলাতুন =অর্থ = অনুগ্রহ কারিনী৬৭.ফাহমীদা =অর্থ = বুদ্ধিমতী৬৮.ফাবিহা বুশরা =অর্থ = অত্যন্ত ভাল শুভনিদর্শন৬৯.মোবাশশিরা =অর্থ =সুসংবাদ বাহী৭০.মাজেদা =অর্থ = সম্মানিয়া৭১.মাদেহা =অর্থ = প্রশংসা৭২.মারিয়া =অর্থ = শুভ্র৭৩.মাবশূ রাহ =অর্থ = অত্যাধিক সম্পদশালীনী,৭৪.মুতাহাররিফাত =অর্থ = অনাগ্রহী৭৫.মুতাহাসসিনাহ =অর্থ = উন্নত৭৬.মুতাদায়্যিনাত =অর্থ = বিশ্বস্ত ধার্মিকমহিলা,৭৭.মাহবুবা =অর্থ = প্রেমিকা৭৮.মুহতারিযাহ =অর্থ = সাবধানতা অবলম্বনকারিনী৭৯.মুহতারামাত =অর্থ = সম্মানিতা৮০.মুহসিনাত =অর্থ = অনুগ্রহ কারিনী৮১.মাহতরাত =অর্থ = সম্মিলিত৮২.মাফরুশাত =অর্থ = কার্ণিকার৮৩.মাহাসানাত =অর্থ = সতী-সাধবী৮৪.মাহজুজা =অর্থ = ভাগ্যবতী৮৫.মারজানা =অর্থ = মুক্তা৮৬.আমিনা =অর্থ = নিরাপদ৮৭.আনিসা =অর্থ =কুমারী৮৮.আদীবা =অর্থ =মহিলা সাহিত্যিক৮৯.আনিফা =অর্থ =রুপসী৯০.আতিয় =অর্থ =আগমনকারিণী৯১.আছীর =অর্থ =পছন্দনীয়৯২.আহলাম =অর্থ = স্বপ্ন৯৩.আরজা =অর্থ =এক৯৪.আরজু =অর্থ = আকাঙ্ক্ষা৯৫.আরমানী =অর্থ =আশাবাদী৯৬.আরীকাহ =অর্থ =কেদারা৯৭.আসমাহ =অর্থ = =সত্যবাদীনী৯৮.আসীলা =অর্থ = =চিকন৯৯.আসিফা =অর্থ = =শক্তিশালী১০০.আসিলা =অর্থ = =নিখুঁত
Share:

প্রেম নিয়ে কী বললেন দেব-রুক্মিণী?

ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা দেব ও রুক্মিণী। সিনেমায় অভিনয়ের বাইরে তাদের ব্যক্তিজীবন নিয়ে মানুষের রয়েছে ভীষণ কৌতূহল। কেউ কেউ মনে করেন দেব-রুক্মিণী চুটিয়ে প্রেম করছেন। কিন্তু তারা সম্পর্কেরবিষয়টি নিয়ে তেমন খোলামেলা কথা বলতে চান না।সম্প্রতি একটি ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে রুক্মিণী বলেন, ‘দেব সারাজীবনের জন্য বন্ধু।’অন্যদিকে দেব বলেন, ‘২০১৮ সালে আর গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড বলে দিতে হয় না। দুজন হাতে পরস্পরের ট্যাটু নিয়ে ঘুরছি। মানুষ অন্ধ নয়। আর সম্পর্ককে হাইলাইট করে ছবির প্রচার করবো না।’দেব আরও বলেন, ‘আপনি কাকে ভালোবাসেন, সেটা নিজেদের ব্যাপার। আমরা যেন ব্যক্তিগত অনুভূতিগুলো হাস্যকর জায়গায় নিয়ে না যাই। জনতাকে এটা দেখানোর প্রয়োজন নেই, রুক্মিণী আমার প্রেমিকা।তারা ভালোই বুঝতে পারেন, আপনি আসলে কী বলতে চাইছেন।’ টালিউডের এই জনপ্রিয় নায়ক বলেন, ‘দেব-রুক্মিণী বিয়ে করবে কিনা এটা গুরুত্বহীন। আর দেখতেই তো পাচ্ছেন আজকাল কী হচ্ছে! বিয়ে যেন একটা সোশ্যালসেলিব্রেশন।’দেব-রুক্মিণী এখন ‘কবীর’নামের একটি ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করছেন। ছবিতে দেব অভিনয় করছেন নেগেটিভ চরিত্রে। একজন মানুষ কেন উগ্রপন্থী হয়ে ওঠে,ছবিটা সেই গল্প বলবে। রুক্মিণী অভিনয় করছেন ইয়াসমিন খাতুন নামের একটি চরিত্রে।রুক্মিণী বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতজীবনে যে রকম, ইয়াসমিন তার উল্টো। অতি সাধারণ একজন মেয়ে। ধীরে ধীরে ইয়াসমিনের ব্যথাটা বুঝতে পারছি।’
Share:

অ্যান্ড্রয়েডে ফোনের মেমোরি থেকে অ্যাপস এসডি মেমোরিতে নেওয়ার উপায়

বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের বেজ স্টোরেজ থাকে ৩২ জিবি। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড রয়েছে অনেক অ্যাপ। তাই অনেক বেশি অ্যাপ ডাউনলোডের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারিকে ফোনের মেমোরি থেকে এসডি কার্ড মেমোরিতে অ্যাপ ট্রান্সফারের প্রয়োজন পড়ে। তবে সবসময় সব অ্যাপ আপনি এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করতে পারবেন না। এমনকি অনেক অ্যান্ড্রয়েড ফোন এই সুবিধা দেয় না।আবার ফেসবুক মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপ এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করা হলে অ্যাপটিতেরেগুলার আপডেট পাঠানো হয়না। আবার ফোন থেকে এসডি কার্ড তুলেনেওয়া হলে এই অ্যাপ আর দেখা যাবেনা।আবার গুগলের নিজস্ব অ্যাপ এবং ফোনে আগে থেকে দেওয়া অ্যাপগুলোও ট্রান্সফার করা যাবেনা। তবে যেসকল অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এই অ্যাপ ট্রান্সফারের সুবিধা রয়েছে সেখানে কিভাবে ট্রান্সফার করবেন সে প্রক্রিয়াটি দেওয়াহল-ধাপ ১- ফোনের সেটিংস অপশন থেকে অ্যাপ ম্যানেজমেন্ট সেকশনে যান। এখানে ফোনে ইন্সটল হওয়া সব অ্যাপের তালিকা দেখাবে। এখান থেকে একটি অ্যাপ নির্বাচন করলে সেই অ্যাপের আলাদা সেটিংস দেখা যাবে।ধাপ ২- এবার এই অ্যাপ সেটিংস এ মুভ করা যাবে এমন অ্যাপে 'মুভ টু এসডি কার্ড' অপশন আসবে।ধাপ ৩- এবার 'মুভ টু এসডি কার্ড' নির্বাচন করে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।ধাপ ৪- একবার অ্যাপটি মুভ করা হয়ে গেলে আবার যদি ইন্টারনাল মেমোরিতে ফেরত নিতে চান তাহলে আবার এই একই অপশনে গিয়ে 'মুভ টু ফোন স্টোরেজ' নির্বাচন করলেই ইন্টারনাল মেমোরিতে চলেযাবে।সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
Share:

এই পাঁচ উপায়ে স্মার্টফোনের ব্যাটারি থাকবে সবসময় ফুল

স্মার্টফোন বা ল্যাপটপে চার্জনা থাকায় সমস্যার পরেননি, এমনমানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। কিন্তু মশাই, ফোনে বেশি কথা বললে, ইন্টারনেট ঘাঁটলে চার্জ যে ফুরোবেই। এ তো বিজ্ঞানের নিয়ম, আপনি পাল্টাতে পারবেন না। কিন্তু আপনি যা পারেন তা হল, কয়েকটি সহজ উপায় অবলম্বনকরতে। যাতে আপনার ট্যাবলেট-স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের ব্যাটারির আয়ু বাড়ে। নানান তথ্য-প্রযুক্তিমূলক ওয়েবসাইট ঘেঁটে আপনার জন্য আমাদের এই প্রতিবেদন-তীব্র গরম এড়িয়ে চলুন: ফোনেরব্যাটারির আয়ু অনেকাংশ নির্ভর করে চারপাশে তাপমাত্রার উপর। আপনি যদি ৩৫ ডিগ্রির উপর বা শূন্য ডিগ্রির নিচের তাপমাত্রায় থাকেন, তাহলে ফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্রুত কমবে। তাই টেবিল বা গাড়িতে, সরাসরি রোদ পরছে এমন কোনও জায়গায় ফোন রাখবেন না।ফুল চার্জ দিন: বারবার করে অল্প চার্জ দেবেন না। একবারে ফুল চার্জ দিন, তারপরেই প্লাগ থেকে ফোনকে ডিসচার্জ করুন। বিশেষজ্ঞরা এও বলছেন, ফোনের চার্জ না ফুরোলে চার্জে বসাবেন না। ৪০-৮০ শতাংশ চার্জ ফোনে থাকা আদর্শ।চার্জে দেওয়ার পর চার্জার খুলে রাখুন: অনেকসময়ই দেখা যায়, ফোন বা ল্যাপটপ ফুল চার্জড হওয়ার পরও আমরা চার্জার খুলতে ভুলে যাই। এতে ফোন-ল্যাপটপ একদিকে গরম হয়ে যায়, অন্যদিকে লিথিয়ম ব্যাটারির জীবনীশক্তিও ফুরিয়ে আসে।আলট্রা ফাস্ট চার্জার এড়িয়েচলুন: বাজারে সস্তার কিছু চার্জার পাওয়া যায় যাদের বলা হয় আলট্রা ফাস্ট চার্জার। সাধারণ চার্জারের থেকে অনেক দ্রুত ফোন চার্জ করতে ব্যবহার করা হয় এটি। এতেকিন্তু ব্যাটারির আয়ু নষ্ট হয়।নকল চার্জারকে না বলুন: ব্র্যান্ডেড ফোনে সেই ব্র্যান্ডেরই চার্জার ব্যবহার করাটা জরুরি। নইলে ফোনের ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে।
Share:

যে ৫টি কারণে স্লো হয় স্মার্টফোন

শখ করে অনেক দাম দিয়ে নামিদামিব্র্যান্ডের স্মার্টফোন কিনেছেন, তারপরও কয়েকদিন ব্যবহারেরই স্লো! এই ফোন নিয়ে আপনার বিরক্তির শেষ নেই কিন্তু তার চেয়ে মন খারাপই বেশি।এক আধবার এটাকে নিয়ে হয়তো কাস্টমার কেয়ারে গিয়েছেন, কিন্তু ফোন কিনে যদি দিনের পর দিন কাস্টমার কেয়ারেই ফেলে রাখতে হয় তাহলে দামি ফোন কিনে লাভ কী হলো!ভাবছেন, ফোনের এতো শত বিজ্ঞাপন, আসলে সব ভুয়া? সমস্যাটা হতে পারে আপনার ফোন ব্যবহারের ত্রুটির কারণেও। তাই জেনে নিন দৈনন্দিন আপনার কোন অভ্যাসগুলোর প্রভাবে স্মার্টফোন স্লো হয়ে যাচ্ছে।১. অনেকেই মোবাইলের মেমরি ফুল না হয়ে যাওয়া পর্যন্ত এক্সটার্নাল মেমরি কার্ড ব্যবহার করেন না। এতে করে মোবাইলের পারফরম্যান্সের ওপর প্রভাব পড়ে। ইন্টারনাল মেমরিতে খালি জায়গা যতো কমতে তাকবে, মোবাইলও ততোই স্লো হতে থাকবে। তাই মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা উচিৎ শুরু থেকেই।২. অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া দীর্ঘদিন পর্যন্ত ফোন শাট ডাউন বা রিবুট করেন না। কিন্তুফোনের ক্যাশ ক্লিয়ারের জন্য সপ্তাহে অন্তত একদিন ফোন শাট ডাউন অথবা রিবুট করা উচিত।৩. পানি লাগলে ফোনের ক্ষতি হয় এটা জেনেও অনেকেই অনেক সময় ভেজা হাতে ফোন ব্যবহার করেন। এতে করে ফোনের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে ফোনে হোমবাটনে কখনই পানির স্পর্শ লাগতে দেওয়া উযচিৎ নয়।৪. যেকোন অ্যাপ ইন্সটল করার আগে সর্তক থাকুন। এটি আপনার ফোনে ভাইরাস আক্রমণের কারণ হতে পারে। ফোনে একবার ভাইরাস প্রবেশ করলে মহাবিপদে পড়বেন।৫. অনেক সময় যেসব সফটওয়ার ইনস্টল করার অনুমতি দেওয়া হয় না, জোর করে অনেকেই সেসব সফটওয়ার স্মার্টফোনে ইনস্টল করার চেষ্টা করেন। এতে করে ফোনের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কাথাকে।
Share:

স্মার্টফোনের লক ভুলে গেলে করণীয়

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের প্রাইভেসির জন্য আমরা অনেকেই প্যাটার্ন লক ব্যবহার করে থাকি। তবে এই প্যাটার্ন ভুলে গেলে আর দুর্ভোগের শেষ থাকে না। কিন্তু একটু জানা থাকলে ভুলে যাওয়া প্যাটার্ন লকের বিষয়টি আপনি নিজেই সমাধান করতে পারেন। এ সমস্যা সমাধানের জন্য মোবাইল ফোন রিসেট করতে হয়। তাহলে আসুন জেনে নিই স্মার্টফোনের প্যাটার্ন লক ভুলে গেলে কী করবেন?স্যামসাং এবং অন্যান্য মোবাইলফোনের ক্ষেত্রে প্রথমেই সেটটি সুইচ অফ করুন, এবার ব্যাটারি ১০ সেকেন্ডের জন্য রিমুভ করুন। আবার ব্যাটারি লাগিয়ে একসঙ্গে 'up volume key', 'Power button' এবং 'Home button' চেপে ধরতে হবে যতক্ষণ না Recovery Mode Screen আসে।এরপর ভলিউম কী ব্যবহার করে কার্সর নিচে নামিয়ে 'wipe data/factory reset' অপশনে আনুন এবং সিলেক্ট করার জন্য হোমে বাটনে প্রেস করুন। এখন কনফার্ম করার জন্য আরেকটি স্ক্রিন আসবে এখানে 'Yes' বাটন সিলেক্ট করতে হবে। এবার কিছুসময় অপেক্ষা করুন রিসেট হওয়ার পর আপনার ফোন আপনা-আপনিচালু হবে, ততক্ষণ অপেক্ষা করুন।সতর্কতা:এ পদ্ধিতে আপনার মোবাইলফোনটি আনলক হলেও, আপনি কিছুটা সমস্যায়ও পড়বেন। যেমন-১. আপনার কাস্টমাইজ করা সমস্ত সেটিংস মুছে যাবে।২. ফোন মেমোরিতে সেভ করা ফোন নম্বর মুছে যাবে।৩. ইন্টারনাল মেমোরি বা ফোন মেমোরির ইন্সটল করা সমস্ত অ্যাপ ও ডাটা হারিয়ে যাবে।৪. আপনাকে আবারও আপনার প্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো ইন্সটল করে নিতে হবে।
Share:

জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ ৮ অ্যানড্রয়েড সেটিংস

আজকাল প্রায় প্রত্যেকেই ব্যবহার করেন অ্যানড্রয়েড ফোন। কিন্তু অনেকেই ফোনের বেসিক সেটিংস সম্পর্কে অবগত নন। কিন্তু এই সেটিংস-এ অদল বদল করেই ফোনে করে ফেলতে পারেনদারুন সব জিনিস। একই সাথে অ্যানড্রয়েডের বেশিরভাগ ফিচারই আমরা কাখনই ব্যবহার করি না। আসুন দেখে নেওয়া যাক সেই রকম কিছু সেটিংস।কি বোর্ডে নম্বর রো অ্যাড করুন:অনেকেই নিজেদের অ্যানড্রয়েডে Gboard কিবোর্ডঅ্যাপ ব্যাবহার করেন। এই অ্যাপে আপনি জলদি টাইপ করার জন্য নম্বরের জন্য কিবোর্ডের উপরে আলাদা রো বানিয়ে নিতে পারেন। এই নম্বর রো অ্যাকটিভ করতে আপনাকে Gboard অ্যাকপলিকেশানের সেটিংস -এ গিয়ে Gboard settings ->Preference ->Number row টগলটি অন করে দিতে হবে।সেনসেটিভ কনটেন্ট হাইড করুন:নতুন নোটিফিকেশান এলে লক স্ক্রিনে দেখে নেওয়া যায় কে মেসেজ পাঠিয়েছে বা মিসড কলের ডিটেলস। কিন্তু ফোন লক থাকলেও অন্য কেউ লক স্ক্রিন থেকেই জেনে নিতে পারেন সেই তথ্য। ফলেদেখে নিন কিভাবে লক স্ক্রিনে হাইড করবেন নোটিফিকেশান। Settings > Notifications -> ডানদিকেউপরে ক্লিক করুন -> lock screen -এট্যাপ করুন -> Hide sensitive notification content সিলেক্ট করুন।নিচে ক্রোমের অ্যাড্রেস বার:গুগুল ক্রোমের অ্যাড্রেস বারটি থাকে স্ক্রিনে উপরের দিকে। সেটি নিচে নিতে হলে আপনাকে ক্রোমের অ্যাড্রেস বারে গিয়ে লিখতে হবে"chrome://flags"। এবার "Chrome Home Android" এ গিয়ে "Find in page," সিলেক্ট করুন। এবার"home" সার্চ করুন এবং ড্রপ ডাউন মেনু থেকে "Enabled" সিলেক্ট করুন।পার্সোনালাইজড অ্যাড থেকে মুক্তি:আপনার সব সার্চ এবং অন্যান্য অ্যাকটিভিটি গুগুল সবসময় ফলোকরে। এবং আপনাকে দেখাতে থাকে বিজ্ঞাপন। এর হাত থেকে বাঁচতে যার ফোনের Settings -> Google > Ads -> Opt out of Ads Personalization এনেবেল করুন।ইন্সট্যান্ট অটো লক এনেবেল:এই অপশান এনেবেল করতে যান ettings > Display > Sleep এবং স্ক্রিন টাইম আউটের সময়টি কমিয়ে দিন।Doze off ডিসেবেল করুন:এই ফিচারে আপনার ফোনের ব্যাটারি সেভ হয়। এই অপশানে যেতে আপনার ফোনে Settings -> Battery -> থ্রি ডটে ট্যাপ করুন ->Doze and app hibernation সিলেক্টকরুন -> যে অ্যাপটি বাদ দিতে চান সেই অ্যাপগুলি সিলেক্ট করুন।ইনস্ট্যান্ট অ্যাপ:ইনস্ট্যান্ট অ্যাপ অপশন অন করতে Settings -> Google -> এনেবেলInstant Apps -> Yes এ ট্যাপ করুন।গুগুল প্লে প্রোটেক্ট:এটি অন থাকলে প্লে স্টোর থেকে সুরক্ষিত ভাবে ডাউনলোড করতে পারবেন অ্যাপগুলি। Settings -> Google -> Security -> Google Play Protect -> Turn on
Share:

ফোনের হারিয়ে যাওয়া তথ্য পুনরুদ্ধার করবেন যেভাবে

জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে ফোনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু মুছেযাওয়া বা হারিয়ে যাওয়ার অনুভূতি কারো জন্যই সুখকর নয়। আসলে কেউই চায় না তার ফোনের গুরুত্বপূর্ণ কোনো ডাটাহারিয়ে যাক- তা ফটো, টেক্সট বার্তা বা এমনকি কন্টাক্ট লিস্ট যাই হোক না কেন।বর্তমানে আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড উভয় অপারেটিং সিস্টেমের মোবাইল ফোনই দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। উভয় প্ল্যাটফর্মই প্রতিনিয়ত তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন নতুন পরিষেবা নিয়ে হাজির হচ্ছে। আর তাই ফোনের হারানো ডাটা পুনরুদ্ধারের মতোক্ষেত্রেগুলো এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে।আপনি আপনার ফোনের গুরুত্বপূর্ণ কোনো ডাটা হারিয়ে ফেললে খুব সহজেই তা যেকোনো একটি থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করে পুনরুদ্ধারকরতে পারবেন। এ ধরনের শত শত থার্ড পার্টি অ্যাপ রয়েছে এবং এগুলো উভয় অপারেটিং সিস্টেমেই কার্যকর।চলুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক কিভাবে ফোনের হারিয়ে যাওয়া তথ্য পুনরুদ্ধার করবেন।* হারিয়ে যাওয়া ছবি পুনরুদ্ধার করবেন যেভাবে : অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ডিভাইসগুলোর মুছে ফেলা ফটো এবং ভিডিও পুনরুদ্ধার করতে প্লে স্টোর থেকে ‘DiskDigger’ বা ‘Deleted Photo Recovery’ এর মতো একটি থার্ড পার্টি অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। এই অ্যাপগুলোকে খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়। আপনি সম্প্রতি মুছে ফেলা ফাইলগুলো ফিরে পেতে আপনার ডিভাইসটি স্ক্যান করার জন্য এই অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে পারেন।আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য এ কাজটি আরো সহজ। কারণ আইফোনের সর্বশেষ সংস্করণটির ফটো অ্যাপে ‘ডিলেটেড ফটো’ নামে আলাদা একটি ফোল্ডারই রয়েছে যেখানে সাম্প্রতিক সময়ে মুছেফেলা আইটেমগুলো ৩০ দিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে। তাই আপনি যদি তাড়াহুড়ো করে কিছু মুছেও ফেলেন, এই ফোল্ডারটি থেকে তা পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। কিন্তু আপনি যদি স্থায়ীভাবে কিছু মুছে ফেলেন সেক্ষেত্রে হারিয়ে ফেলা তথ্যপুনরুদ্ধার করতে আপনাকে আই ক্লাউড বা আই টিউনস ব্যবহার করতে হবে।* হারিয়ে যাওয়া কন্টাক্ট এবং টেক্সট বার্তা পুনরুদ্ধারকরবেন যেভাবে : আপনার হারিয়ে যাওয়া কন্টাক্ট লিস্ট, টেক্সট বার্তাগুলো এবং এমনকি আপনার ডিভাইস থেকে মুছে যাওয়া ছবিগুলো পুনরুদ্ধার করতে ‘Fone Paw Android Data Recovery’ এবং ‘Android data Recovery’ এর মতো অ্যাপ্গুলো আপনাকে সাহায্য করবে। এগুলো সব ধরনের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসগুলোতেই কার্যকরী এবং এটি গুগল প্লে স্টোর থেকে এগুলো বিনামূল্যে ডাউনলোড করাযায়।আর এক্ষেত্রে অ্যাপল আরো একধাপ এগিয়ে। অ্যাপল সব সময় চেষ্টা করে থাকে তাদের আইফোন ব্যবহারকারীদের যেন এ সমস্ত মৌলিক বিষয়গুলোর জন্য থার্ড পার্টি অ্যাপগুলোর ওপর নির্ভরকরতে না হয়। তাই আপনি যদি আইফোন ব্যবহারকারী হয়ে থাকেনএবং কোনো কারণে কন্টাক্ট লিস্ট এবং টেক্সট বার্তা এর মতো গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য হারিয়ে ফেলেন তাহলে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, আই টিউনস এ গিয়ে আপনার ফোনের ওপরের ডানদিকের কোণায় ক্লিক করে এবং তারপর ‘পুনরুদ্ধার ব্যাকআপ’ অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে। এটি করার পর, আপনার আইওএস ডিভাইসটিতে আইটিউনে ব্যাকআপ হিসেবে থাকা সমস্ত কন্টাক্ট লিস্ট এবং টেক্সট বার্তাগুলো পুনরুদ্ধার হয়ে যাবে।এর আরেকটি বিকল্প হল আইক্লাউড ব্যবহার করা। আপনার অ্যাপল আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আপনার আইক্লাউড অ্যাকাউন্টে লগইন করুন, তারপর টেক্সট মেসেজ আইকনে ক্লিক করুন। এখানে আপনি আপনার ফোনে যে সমস্ত টেক্সট মেসেজগুলো পুনরুদ্ধার করতে চান তা বেছে নিতে পারেন। পরবর্তীতে, আপনার আইফোন সেটিংস-এ যান এবং ‘টেক্সট মেসেজ’ এ ক্লিক করে তা বন্ধ করে ‘কিপ অন মাই ফোন’ অপশনেক্লিক করুন। এরপর ‘টেক্সট মেসেজ’ অপশনে ফিরে গিয়ে তা চালু করুন এবং আপনার স্ক্রিনে পপ হয়ে গেলে ‘মার্জ’-এ ক্লিক করুন।তথ্যসূত্র : গ্যাজেটস নাউ
Share:

মোবাইলটা পানিতে পড়লে যা করবেন, আর যা করবেন না

সাধের স্মার্টফোনটা পানিতে পড়ে গেলে বুকের ভেতরটা খালি হয়ে যায়। পানিপ্রতিরোধী না হলে ওটার মৃত্যু অবধারিত ধরে নেওয়া যায়। কিন্তু আসলে তা না। দুর্ঘটনাবশত বা বৃষ্টিতে কিংবা অন্য কোনভাবে মোবাইলটা একেবারে ভিজে যেতে পারে। এক্ষেত্রে কিছু কাজ করতে হবে। আর কিছু কাজ অবশ্যই করবেন না। এতে করে আপনার ফোনটা বেঁচে যেতে পারে। এখানে জেনে নিন সেইসব পরামর্শ।• যা করবেন নাএখানে আগেভাগেই জেনে নেওয়া যাক কোন কাজগুলো করতে যাবেন না। এগুলো নিয়ে মাথা ঘামানো মানেই যন্ত্রটার ক্ষতি করা। যা করবেন না তা জেনে নিন-১. পানিতে পড়া মোবাইল নিয়ে নির্মাতার ওয়ারেন্টির সুবিধার অপেক্ষায় থাকবেন না।কারণ, পানিতে পড়ার ওয়ারেন্ট ওরা দেবে না। নির্মাতারা কেবল নির্মাণত্রুটি পেলেই সেবা দেবে। আর যদি সেখানে নিয়েই যান, তবে ঘটনা লুকানোর চেষ্টা করবেন না। এতে করে আপনি উপকার পেলেও পেতে পারেন।২. হেয়ারড্রায়ার দিয়ে ফোন শুকাবেন না। এতে করে স্পর্শকাতর ইলেকট্রনিক অংশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর ভুল করে পানি শুকানোরজন্যে গরম কোনো যন্ত্রের মধ্যেও রাখবেন না। ওভেন বা রেডিয়েটরে তো রাখবেন না।৩. কোনো সুইচ চাপবেন না। এতে করে পানি আরো বেশি পরিমাণে ঢুকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে শর্টসার্কিট হবে। হয়তো বেঁচে যেতো মোবাইলটা। কিন্তু স্রেফ একটা সুইট চাপার কারণে নষ্ট হয়ে যাবে। তাই কোনো সুইচবা পোর্টে খোঁচাখুঁচি করবেন না কোনভাবেই।• যা করবেনএখন কী কী করতে হবে তা জেনে নিন-১. আসলে প্রথমে যে কাজটা করা জরুরি তা হলো ফোনটাকে বন্ধ করেদেওয়া। কিন্তু আগেই বলা হয়েছে, সুইচ চাপা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই অন-অফের সুইচ আর এর চারপাশে দ্রুত মুছে নিয়ে মোবাইলটা বন্ধ করে দিন। এতে করে আরো বেশি ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতেও পারে যন্ত্রটি।২. বন্ধ করার পর একটি শুকনো কাপড়ে মোবাইলটি ভালোমতো মুছেফেলুন। এবার একটি টিস্যু বা পেপার তোয়ালেতে মুড়ে রেখে দিন। এতে বাড়তি পানি শুষে নেবে ওগুলো। কোনো অ্যাক্সেসরিজ লাগানো থাকলে তাখুলে ফেলুন। সিমকার্ড বের করে নিন। মেমোরি কার্ডও বের করে নিন। এবার বিভিন্ন কোণ থেকে মোবাইলটা ঝাঁকাতে থাকুন। এতে করে ভেতরে কোনো পানি থাকলে বেরহয়ে আসবে।৩. এবার আসল কাজ। বাড়িতে যেখানে চাল রেখেছেন সেখানে মোবাইলটি রেখে দিন। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো এয়ারটাইট বাক্সে চাল নিয়ে তারমধ্যে মোবাইলটি রাখতে পারলে। চালের ভেতরে স্মার্টফোনটি ডুবিয়ে দিন। চাল কিন্তু আর্দ্রতা দারুণভাবে শুষে নিতে পারে। এতে অবশ্য চালের গুঁড়া লেগে যাবে। কিন্তু মোবাইল বাঁচবে। এভাবে ২৪-৪৮ ঘণ্টা মোবাইলটি রেখে দিতে হবে।৪. কড়া সূর্যালোকেও মোবাইলটি রেখে দিতে পারে। এতে করে পানি শুকিয়ে যাবে। তবে এটা করতে গেলে মোবাইলে ব্যাক কাভার এবং ব্যাটারি সব খুলে নেবে। রোদ্রে মোবাইলটাকে যতটা খোলামেলা রাখা যায় সেভাবেই রাখবেন।৫. আশা করা যায়, মোবাইলটা ভালো হয়ে যাবে। খুব বড় দুর্ঘটনা না ঘটে গেলে অন্তত মোবাইলটা আবারো চালু হবে। আর চালু হওয়ামাত্র সব তথ্যের ব্যাকআপনিয়ে নিন। ভাগ্য ভালো থাকলে মোবাইলটা আগের মতোই চলবে।সূত্র : গেজেটস
Share:

Monday, March 26, 2018

ভবিষ্যৎ জানানো ফেইসবুক অ্যাপগুলো কি নিরাপদ?

নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানতে এখন আর হস্তরেখা বিশারদ কিংবা জ্যোতিষীর কাছে না গেলেও চলবে।কতো বছর বয়সে আপনার বিয়ে হবে, বিয়ের পরআপনার ভবিষ্যৎ কেমন হবে অথবা কে আপনারফেইসবুক প্রোফাইল লুকিয়ে লুকিয়ে দেখেন? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর এখন ফেইসবুক অ্যাপের এই লিংকে ক্লিক করেই জেনে নেওয়া যাবে। ফেইসবুকের নিউজ ফিডে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তথ্যের যেসব লিংক বন্ধুরা শেয়ার করেন, তা এই অ্যাপ ব্যবহারেরই ফলাফল।আপনি যখন ‘বিয়ের পর ভবিষ্যৎ কেমন হবে’জানতে আগ্রহী হয়ে অ্যাপটিতে ঢুঁ মারবেন, তখন ওয়েবসাইটটিতে প্রথমে লেখা থাকবে—‘খেলাটি খেলতে এখানে ক্লিক করুন।’ তারপর তাতে ক্লিক করলে ফেইসবুকে লগইন করতে বলা হবে এবং কিছু তথ্য দেখার অনুমতি চাওয়া হবে। অনুমতি দিলে কিছু সময় পর ফলাফল দেখাবে। ফলাফলটি বন্ধুদের সঙ্গে ফেইসবুকে শেয়ার করতেও প্রলুব্ধ করা হবে।একই নিয়মে এ লিংকে গিয়ে আপনি দেখতে কোন নেতার মতো তা জানতে পারবেন। স্বর্গে যাবেন নাকি নরকে যাবেন তাও জানা যাবে লিংক থেকে। আপনার স্ত্রী কেমন মানুষ হবে, আপনি কবে মরে যাবেন এরূপ অনেক প্রশ্নের উত্তর জানাতে রয়েছে ফেইসবুক অ্যাপ।এই সব কি সত্যি?ফেইসবুকের জন্য এমন অনেক অ্যাপই তৈরি করছেন ডেভেলপাররা। ফেইসবুকের অ্যাপ্লিকেশন থেকে পাওয়া তথ্যগুলো অনেকে নিছক মজা হিসেবে নিলেও সত্যি ভেবে বিশ্বাস করেন কেউ কেউ। আদতে এসব তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই।অ্যাপগুলো তৈরির কারণঅ্যাপগুলো তৈরি করার পেছনে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য আছে। অ্যাপ্লিকেশনগুলোতে কেউ ক্লিক করলে ব্যবহারকারীর ফেইসবুক থেকে কিছু তথ্য নেওয়ার অনুমতি চাওয়া হয়। এর মধ্যে ফেইসবুক ইউজারের নাম, মেইল আইডি, মোবাইল নম্বর, ছবি, লাইক-শেয়ার, ফেইসবুকের বন্ধু তালিকা ও ম্যাসেজ দেখার অনুমতি ইত্যাদি থাকে। কিছু অ্যাপ ফেইসবুকে আপ করা ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহারেরও অনুমিত নেয়। এভাবে মজার ছলে অ্যাপ ডেভেলপাররা আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেন।তথ্যগুলো নানা কাজে ব্যবহার করা হয়। বিক্রি করে দেওয়া হয় ফোন নম্বর ও ই-মেইল অ্যাড্রেসগুলো, যা অনলাইন বিজ্ঞাপনের মারফত পণ্যের প্রচারণায়ব্যবহার করা হয়। এছাড়া, তথ্য বিক্রির পাশাপাশি অ্যাপগুলো ব্যবহারকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করে হ্যাকিংয়ের অ্যালগরিদমে ব্যবহার করে।আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে (এআই) শক্তিশালী করতে অসংখ্য ছবির প্রয়োজন হয়। এ অ্যাপগুলো থেকে পাওয়া ছবিগুলো দিয়ে সে চাহিদা মেটানো হয়। পর্নো সাইটে বিকৃতভাবে ব্যবহারের মতো অনৈতিক উদ্দেশ্যেও অনেকে ছবিগুলো ব্যবহার করে থাকেন।ফিরে আসতে চাইলেমজা করতে গিয়ে ‘বিপদ’ না বুঝেই অনেকে অ্যাপগুলো ব্যবহার শুরু করেছেন। অ্যাপগুলো দ্রুত রিমুভ করাই ভালো। ডেস্কটপ ব্যবহারকারীরা এই লিংক গিয়ে নিষ্কৃতি পাবেন। লিংকটিতে ঢোকার পর অ্যাপের তালিকা দেখাবে। সেখান থেকে যে অ্যাপগুলো অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিকর মনে হয় সেগুলোর ডান পাশে থাকা ক্রস চিহ্নে ক্লিক করে রিমুভ করে দিতে পারবেন।মোবাইলে এ ধরনের অ্যাপ ব্যবহারকারীদের যেতে হবে লিংকে। এখান থেকে অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিকর অ্যাপে ক্লিক করতে হবে। তাহলে নতুন পেইজ আসবে।পেইজের শেষে অ্যাপটি রিমুভ করার অপশনে ক্লিক করে কনফার্ম করলেই অ্যাপটি রিমুভ হয়ে যাবে। কোন অ্যাপ কী কী তথ্য নিচ্ছে, তা অ্যাপটি চালু করার সময়ই দেখানো হয়। তাই ফেইসবুকে অচেনা কোনো অ্যাপ ব্যবহার করার আগে দেখে নিতে হবে অ্যাপটি ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিচ্ছে কি না কিংবা নিরাপদ কি না।
Share:

বিশ্বাস অর্জনে কী বলবেন? জেনে নিন...

আপনি বিশ্বাসী নাকি অবিশ্বাসী—তা অনেকখানি নির্ভর করে আপনিকী বলছেন, এর ওপর। অর্থাৎ আপনার কথা শুনেই শ্রোতা এক ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে—আপনি বিশ্বাসী, নাকি অবিশ্বাসী? এ ক্ষেত্রে আপনি যেন বিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারেন,সে জন্য গবেষকরা কয়েকটি বাক্য খুঁজে বের করেছেন। এগুলো চাইলে আলাপচারিতার সময়ব্যবহার করতে পারেন...কী ঘটতে পারে বলে আপনার মনে হয়এটা এমন এক প্রশ্ন, যা সব অভিজ্ঞ পরামর্শদাতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসা করেন। এ প্রশ্নের মাধ্যমে যেকোনো মানুষকে তার নিজস্ব ভাবনার ব্যাখ্যা করার সুযোগ সৃষ্টি করা যায়। শুধু তাই নয়, প্রশ্নটি শুনলেই যেকোনো ব্যক্তি উত্তর দেওয়ারক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তিবোধ করবে। এই প্রশ্নের মাধ্যমে অন্যের মনে নিজেকে নির্ভরশীল করে উপস্থাপন করা যায়।ওটা আমারই ভুল ছিলঅহংবোধকে বিদায় জানান এ কথার মাধ্যমে। একমাত্র আত্মবিশ্বাসী ও আত্মপ্রত্যয়ী মানুষরাই নিজের ভুল স্বীকার করতে পারে। ভুলের দায় নেওয়ার সাহস অনেকেরই নেই। আবার যারা নিখুঁত নয়, তারাই আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে বলে জানান ‘ট্রাস্ট ফ্যাক্টর : দ্য সায়েন্স অব ক্রিয়েটিং হাই পারফরম্যান্স কম্পানিজ’ বইয়ের লেখক ড. পল জ্যাক।কিছু কি মনে করবেন যদি একটু সাহায্য চাইআরেকটি প্রভাবশালী বাক্য। কোনো কাজ বা পরিস্থিতি এলোমেলো হয়ে গেলে এই প্রশ্ন খুবই কাজে আসে। আর এ কথার মাধ্যমে আপনার ব্যর্থতা অন্যের চোখে পড়বে না। বরং আপনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ব্যক্তি বলেই বিবেচিত হবেন।এ বিষয়ে কি আপনার পরামর্শ পেতে পারিঅনেক মানুষই পরামর্শ চাইতে দ্বিধাবোধ করে। তারা ভাবে, এতেঅন্যরা তাকে নির্বোধ মনে করতে পারে। এই ভীতিটা ভুল চিন্তা থেকে। বাস্তবতা হলো, যারা পরামর্শ চায়, তারা অনেক বেশি সচেতন। পাশাপাশি এরা অন্যদের চেয়ে স্মার্ট।আপনার ওপর আমার আস্থা আছেইতিবাচক বক্তব্য। এটা অন্যের কাছে এক ধরনের উপহার হয়ে দেখাদেয়। বিনিময়ে তারা আপনার ওপর নির্ভর করতে চাইবে। কর্মক্ষেত্রে এ কথাটি দলের সব সদস্যকে আরো কাছে আনে।আপনাকে ছাড়া হয়তো কাজটা করতে পারতাম নাএটাকে বিশেষজ্ঞরা ধন্যবাদ প্রকাশের সর্বোচ্চ মাধ্যম বলেগণ্য করেন। কেউ আপনাকে সহায়তা করলে তার আস্থা অর্জনে এটা দারুণ এক উপায়। এ কথার মাধ্যমে আপনি তার কাছে আরো বেশি স্মার্ট ও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবেন। এ ছাড়া মানসিক শান্তি প্রকাশেরমাধ্যমও হয়ে ওঠে কথাটি।আপনার জন্য কি কিছু করতে পারিযারা কাজের জন্য বেঁধে দেওয়া সময় নিয়ে চিন্তিত, মানসিক চাপের মধ্যে আছেন কিংবা নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন, তাঁদেরপ্রতি এমন কথা আপনাকে মুহূর্তেই বিশ্বস্ত করে তুলবে। এ ছাড়া আপনার আন্তরিক মনোভাবও পরিষ্কার হবে।
Share:

আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করুন ৭টি কৌশলে

যেকোন কাজে সফল হতে হলে আত্মবিশ্বাসী হওয়া প্রয়োজন। আত্মবিশ্বাস এমন একটি অদৃশ্য শক্তি যা আপনাকে সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে যাবে।একজন আত্মবিশ্বাসী মানুষ হাসিমুখে ঝুঁকি গ্রহণ করার সাহস রাখেন। আর জীবনে লক্ষ্য পৌঁছানোর জন্য ঝুঁকি গ্রহণের বিকল্প নেই। তবে অনেকেই আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে পারেন না। কিছু কৌশল আছে যা আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।১। নেতিবাচকতা থেকে দূরে থাকুনসকল নেতিবাচক বিষয় এবং মানুষ থেকে দূরে থাকুন। সব পরিস্থিতিতে ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করুন। অনেক সময় তা থাকা সম্ভব হবে না। ধৈর্য ধরুন, সময় নিন, মাথা ঠান্ডা রাখুন, বিষয়টি ভাবুন। দেখবেন নেতিবাচক একটি বিষয় থেকে ইতিবাচক কিছু খুঁজে পাবেন।২। লক্ষ্য স্থির রাখুননিজের সাথে অন্য কারোর তুলনা করা থেকে বিরত থাকুন। এটি আপনার জীবন, অতএব আপনার জীবনেরসমস্যা আপনাকেই সমাধান করতে হবে। অন্য কেউ তা করতে পারবে না। তাই নিজের লক্ষ্য স্থির রেখে সামনের দিকে এগিয়ে চলুন। দেখবেন সাফল্য আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসছে।৩। ভয়কে জয় করুনভয় পাওয়াটা স্বাভাবিক। তাই বলে ভয়ে পেয়ে লক্ষ্য থেকে সরে আসবেন না। নিজের ভয়কে খুঁজে বের করুন, সেটির মুখোমুখি হোন। আপনি যতক্ষণ না ভয়ের মুখোমুখি হবেন ততক্ষণ ভয়কে জয় করতে পারবেন না।৪। ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ামানুষ মাত্রই ভুল করে। আপনিও তাঁর ব্যতিক্রম নয়। ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন। একবার করা ভুল দ্বিতীয়বার করা থেকে বিরত থাকুন। আর এই ছোট বিষয়টিআপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।৫। পরিষ্কার পোশাক পরিধানকথিত আছে “আগে দর্শনধারী পরে গুণবিচারী”। আসলেই পোশাক আপনার আত্নবিশ্বাসকে অনেক প্রভাবিত করে। চেষ্টা করুন পরিষ্কার এবং মার্জিত পোশাক পরিধান করার, এটি আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করার পাশাপাশি অন্যের চোখে আপনার ভাল একটি ভাবমূর্তি তৈরি করবে।৬। নিজেকে জানুননিজের দূর্বলতাকে জানুন। ভয়কে জয় করার পূর্ব শর্ত হল ভয়ের কারণ খুঁজে বের করা। নিজের দূর্বলতাগুলোর একটি লিস্টে লিখে রাখুন। এবার একটি একটি করে দূর্বলতা থেকে বের হওয়ার উপায় খুঁজে বের করুন। দেখবেন এক সময় আপনার দূর্বলতাই আপনার শক্তিতে পরিণত হয়েছে। ঠিক তেমনি নিজের প্রতিভাকে খুঁজে বের করুন। আপনি একবার যদি নিজের প্রতিভাকে খুঁজে বের করতে পারেন, দেখবেন আপনার আত্নবিশ্বাস অনেকখানি বেড়ে গেছে।৭। ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ এবং তা অর্জন করুনপ্রথমেই বড় লক্ষ্য নির্ধারণ না করে ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। ছোট লক্ষ্যগুলোতে যখন সফল হবেন আপনার আত্মবিশ্বাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে।
Share:

৬ লক্ষণেই বুঝে নিন, আপনার সঙ্গী পরকীয়ায় আসক্ত কিনা?

প্রেম কমবেশি প্রতিটি পুরুষেরজীবনেই আসে। কিন্তু সঙ্গিনীর কাছ থেকে একনিষ্ঠ ভালবাসা পাওয়ার সৌভাগ্য হয় না সমস্ত পুরুষের। অনেক সময়েই দেখা যায়, কোনও মেয়ে এক জন পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে থাকা সত্ত্বেও জড়িয়ে পড়েন অন্য কোনও পুরুষের সঙ্গে। এবং বিষয়টি তিনি গোপন রাখেন তাঁর প্রথম প্রেমিকের কাছে।সেক্ষেত্রে আপনার প্রেমিকা বাস্ত্রী কিংবা সঙ্গিনী ভালবাসায় আপনাকে ঠকাচ্ছেন কিনা, তা কি বোঝার কোনও উপায় রয়েছে? রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ ওয়ার্ল্ড অফ অ্যামোর জানাচ্ছে, একটি মেয়ে ভালবাসায় প্রতারণা করছে কি না তা ছ’টি লক্ষণ দেখে বোঝা সম্ভব। কীরকম? আসুন, জেনে নেওয়া যাক...১. গা ছাড়া মনোভাব:মেয়েরা প্রকৃতিগতভাবেই যে কোনও সম্পর্কের প্রতি অত্যন্ত যত্নবান হন। আপনি কখন অফিস থেকে বাড়ি ফিরছেন, কখন খাচ্ছেন, সেগুলো যেমন নজরে রাখেন তাঁরা, তেমনই আপনি তাঁর জন্মদিন মনে রাখছেন কি না, কিংবা দিনে কতবার ফোন করছেন বামেসেজ করছেন—সেগুলোও তাঁরা খেয়াল করেন। যখন তাঁদের জীবনে আপনি ছাড়া দ্বিতীয় পুরুষ প্রবেশ করেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই এই বিষয়গুলোর প্রতি প্রতি তাঁদের নজর কমে যায়। সম্পর্কের প্রতি একটা গা ছাড়া মনোভাব এসে যায়।২. পোশাক-আশাকে আকস্মিক জাঁকজমক:কোনও মেয়ে যখন প্রথমপ্রথম কোনও সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, তখন স্বাভাবিকভাবেই নিজেকে যতটা সম্ভব সুন্দর করে তোলার দিকে তাঁর নজর থাকে। সুন্দর পোশাকে নিজেকে সাজিয়েতোলা, উপযুক্ত প্রসাধন ব্যবহার করা—এসবের দিকে মনোযোগী হন তিনি। কিন্তু সম্পর্কের বয়স একটু বাড়ার পরে প্রেমিকের সঙ্গে বেরনোর সময়ে তাঁদের সাজগোজের বহর একটু কমে যায়। যদি দেখা যায়, হঠাৎ করে আপনার স্ত্রী বা প্রেমিকার সাজগোজ পোশাক-আশাকেআবার হঠাৎ করে চাকচিক্য বেড়ে গিয়েছে, তাহলে এমন সম্ভাবনা রয়েছে যে, তিনি অন্য কোনও পুরুষের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন।৩. ভবিষ্যৎ সম্পর্কে উদাসীনতা:যে কোনও মেয়েই নিজের প্রেম-সম্পর্কের ভবিষ্যৎ বিষয়ে সচেতন হন। নিজের প্রেমিকের সঙ্গে ফিউচার প্ল্যান নিয়ে আলোচনা করে এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে চান। কিন্ত হঠাৎ যদি দেখেন, আপনার প্রেমিকা আপনাদের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে তেমন কোনও উচ্চবাচ্য করছেন না আর, কিংবা আপনি বিয়ে বা বিবাহ-পরবর্তী জীবন নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যাচ্ছেন, তাহলে মোটামুটি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন যে, তাঁর জীবনে অন্য ভালবাসার মানুষ এসে গিয়েছেন।৪. শারীরিক ঘনিষ্ঠতায় অনীহা:প্রেম যে শুধু মনে সীমাবদ্ধ থাকে না তা বলাই বাহুল্য। যে মেয়ে আপনাকে ভালবাসেন তিনি আপনার শারীরিক সান্নিধ্যও উপভোগ করবেন। কিন্তু হঠাৎ করে যদি দেখেন, শরীরী প্রেমে আপনারসঙ্গিনীর অনীহা জাগছে, তিনি কাছে আসতে চাইছেন না আপনার, তাহলে এমনটা হতেই পারে যে, তাঁর জীবনে এসে গিয়েছেন কোনও দ্বিতীয় পুরুষ।৫. সর্বক্ষণের ব্যস্ততা:কাউকেএড়ানোর সবচেয়ে সহজ রাস্তা ব্যস্ততার ভান করা। যদি দেখেন,আপনার প্রেমিকা বা স্ত্রী হঠাৎ করেই খুব ব্যস্ততায় ডুবে গিয়েছেন, তাহলে সেটা আপনাকে এড়িয়ে যাওয়ার ছলও হতে পারে। ‘সামনে এগজাম, তাই ফোন করতে পারছি না’, ‘অফিসে মিটিং, তাই দেখা করতে পারছি না’—এই জাতীয় অজুহাত যদি তিনিদিতে শুরু করেন, তাহলে আপনাকে এড়িয়ে তিনি অন্য কোনও পুরুষকে সময় দিচ্ছেন কি না, সেটা যাচাই করে দেখুন। অবশ্য তিনি সত্যিই হঠাৎ ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কি না, সেটাও আপনাকে বুঝে নিতে হবে।৬. নিজের কাজকর্ম সম্পর্কে গোপনীয়তা:আপনার প্রেমিকা বা স্ত্রী কখন কোথায় যাচ্ছেন, কীকরছেন, কিংবা কার সঙ্গে দেখা করছেন সেই বিষয়ে কি হঠাৎ করে গোপনীয়তা রক্ষা করতে শুরু করেছেন, স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাইছেন না? তাহলে এমন সম্ভাবনা প্রবল যে, তিনি আপনাকে লুকিয়ে অন্য কোনও পুরুষকে সঙ্গ দিচ্ছেন।
Share:

পুরুষদের পছন্দের তালিকায় থাকে যেসব নারীরা!

প্রত্যেক পুরুষ তার জীবনসঙ্গীহিসেবে নিজস্ব পছন্দকে গুরুত্ব দেয়। একজন নারী হিসেবে আপনি যাকে নিজের সঙ্গী হিসেবে চান, অনেকসময় তাকে নাওপেতে পারেন। কারণ আপনাকে হয়ত তার পছন্দ নয়। তখন কার্যসিদ্ধি করতে কখনই নিজেকেপরিবর্তনের ভুল করবেন না।আপনি যেরকম সেরকমই থাকুন। দেখবেন আপনাকে ভাল লাগলে তিনি নিজে থেকে আপনার প্রেমে ধরা দেবেন। এবার দেখে নেওয়া যাক পুরুষরা সাধারণত কোন ধরনের নারীকে নিজের জীবনসঙ্গী হিসেবে পছন্দ করেন—১। ক্রীড়াবিদ-সত্যি কথা বলতে পুরুষদের তুলনায় অনেক কমসংখ্যক মেয়ে খেলাধূলা করতে পছন্দ করে বা করে। কিন্তু অনেক পুরুষ আছেন যারা নিয়মিত খেলাধূলা করে থাকে এরকম মেয়ে পছন্দ করেন। যদি আপনিও নিয়মিত শরীরচর্চা বা কোনও খেলার সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাহলে লুকোবেন না। হয়তআপনার এই কাজটিই সেই বিশেষ ব্যক্তির পছন্দ হতে পারে।২। অতিরিক্ত প্রসাধনীর ব্যবহার-অনেক নারী আছেন, যারা তুচ্ছ থেকে তুচ্ছ কারণেই প্রসাধনীর সামগ্রী নিয়ে সাজতে বসে যান। দেখা যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুরুষরা সেই মেয়েদের সঙ্গে মিশলেও তাদের জীবনসঙ্গী হিসেবে ভাবেন না। ‌তাই তাকে মুগ্ধ করতে অতিরিক্ত সাজ কখনই সঠিক পথ নয়।৩। যিনি খেয়াল রাখেন-পুরুষরা নিজেদের জীবনসঙ্গীর মধ্যে সবসময় তাঁদের মা’‌কে খোঁজেন। তাই সবসময় চেষ্টা করবেন তার খেয়াল রাখার। এছাড়া যে সমস্ত মেয়েরা নিজের সঙ্গীর ওপর আধিপত্য দেখায়, তারাও কিন্তু পুরুষদের পছন্দের তালিকায় থাকেন।৪। যিনি দায়িত্ব নিয়ে থাকেন-অনেক নারী আছেন, যারা ছোট ছোট কাজগুলো অত্যন্ত দায়িত্ব সহকারে পালন করে থাকেন। পুরুষরা কিন্তু সেই মহিলাদের প্রতি আকৃষ্ট বেশি হন। তাই আপনিও যদি সেরকমই দায়িত্ব নিতে ভালবাসেন, তাহলে দেখবেন তিনি একদিন একদিন আপনার কাছের মানুষ হয়ে উঠবেন।৫। সাহসী-অধিকাংশ পুরুষ জীবনসঙ্গী হিসেবে এমন নারী পছন্দ করেন, যারা সাহসী পদক্ষেপ নিতে এক মুহূর্ত ভাবেন না, যারা যে কোনও ব্যাপারে সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যায়, এমনকী সঙ্গীর প্র‌য়োজনে যে কোনও পদক্ষেপ নিতে পারে। নিজের মধ্যেও সেই সাহসটা আনুন। দেখবেন ঠিকই কাজ হয়ে যাবে। -বিডি প্রতিদিন
Share:

যেসব কারণে মেয়েরা সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে

সম্পর্ক ভাঙা সহজ বিষয় নয়। কিন্তু অনেক সময় পরিস্থিতি এমন হয়, যখন সম্পর্ক ভাঙা ছাড়া বিকল্প আর কোনো উপায় থাকে না। অনেক ছেলের ধারণা ইচ্ছে করেই মেয়েরা সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে, যা পুরোপুরি সত্যনয়।• কী কী কারণে মেয়েরা সম্পর্ক ভাঙে তা নিচে দেওয়া হয়েছে। এক নজরে জেনে নিন কী সেগুলো....১. পরিপক্বতার অভাবমেয়েরা পরিপক্ব ছেলেদের পছন্দ করে। যার সঙ্গে সমস্যার কথা বলা যাবে, পরামর্শ নেওয়া যাবে, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা যাবে। কিন্তু অপরিপক্ব ছেলেদের মেয়েরা একেবারেই পছন্দ করে না। তাই এমন ছেলের সঙ্গে তারা থাকতেও চায় না।২. গুরুত্ব কমে গেলেফোন যথাসময়ে না ধরা, মেসেজের উত্তর তৎক্ষণাৎ না দেওয়া, সময় না দেওয়া, কোনো কারণে দেখা করার পরিকল্পনা পরিবর্তনকরা—এসব অনেক মেয়েই সহজভাবে নিতে পারে না। তারা বিষয়টিকে উপেক্ষা হিসেবে ধরে নেয়। ফলে সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।৩. আর্থিক কারণেআর্থিক নিরাপত্তার কথা চিন্তাকরা খারাপ কিছু নয়। ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার সময় সঙ্গীর আর্থিক অবস্থা কেমন তা সব মেয়েই বিবেচনা করে, তারপর সিদ্ধান্ত নেয়। যদি সঙ্গীর আর্থিক অবস্থা নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয় তাহলে সেই সম্পর্ক ধরে রাখতে চায় না বেশির ভাগ মেয়ে।৪. দূরত্ব বেশি হলেস্কাইপ, ফোন কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কথা বলার মাঝে সেই রোমাঞ্চকর বিষয় নেই,যা এক সঙ্গে পাশাপাশি বসে কফি পান করার মাঝে রয়েছে। তাই সম্পর্কে দূরত্ব বেশি থাকলে এক সময় ভালোবাসার মধ্যে ঘাটতি দেখা যায়। যা সম্পর্ক ভাঙার অন্যতম একটি কারণ।৫. অভিভাবকের সম্মতির অভাবসম্পর্ক ভাঙ্গার অন্যতম প্রধান কারণ এটা। অনেক মেয়েই তাদের পরিবারের বিপক্ষে বিয়েকরতে চায় না কিংবা অভিভাবকদের বোঝাতে ব্যর্থ হয়। সে ক্ষেত্রে সম্পর্ক ভাঙা ছাড়া আর উপায় থাকে না।
Share:

যে ৬ ধরনের পুরুষের মধ্যে প্রতারণার স্বভাব বেশি

স্কুল, কলেজ কিংবা কর্মক্ষেত্রে কোনো নারী বা পুরুষকে প্রথম দেখাতেই ভালো লাগা। তারপর তাকে ঘিরে স্বপ্ন দেখাও। শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েরাও কোন আকর্ষণীয় পুরুষকে দেখেই তার রূপে মুগ্ধ হয়ে যায়। কিন্তু আষর্কণীয় লুক মানেই সে ভালো মনের হবে এমন ভাবা কিন্তু ঠিক নয়। তাই রূপে ভুলবেন না।• জেনে নিন কোন কোন ধরনের পুরুষের মধ্যে প্রতারণার ভাব বেশি থাকে...১) ঘরকুনো ছেলেরা যে খুবই বিরক্তিকর প্রকৃতির হয় আমরা সকলেই জানি। কিন্তু যে সমস্ত ছেলেদের মায়ের সঙ্গে সম্পর্কততটা ভালো না তারা দীর্ঘ সম্পর্কে মোটেই বিশ্বাসী নয়।এছাড়া, যদি কখনও আপনি আপনার সঙ্গীকে তার মায়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে দেখেন বা শুনে ফেলেন, তাহলে বুঝবেন সেই ব্যক্তি মাকে সম্মান করেন না এবং আপনাকেও কোনদিন সম্মান করবে না।২) যে ব্যক্তি সব সময়ই কিছু নাকিছু বিষয় গোপন করতে চান, যে ব্যক্তি মোবাইলের মেসেজ বক্স সব সময়ই খালি থাকে, সেই ব্যক্তির থেকে এখনই সাবধান হয়ে যান।৩) যে ব্যক্তি আপনার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে খুবই স্বচ্ছন্দ, অথচ আপনার আবেগকে একেবারেই গুরুত্ব দিতে চান না,সেই ব্যক্তির প্রতারণার মানসিকতা রয়েছে।৪) আপনার সঙ্গী কি সারাক্ষণই আপনাকে যে কোন কিছু জানাতে ভুলে যান, তাহলে সেই ব্যক্তি নিশ্চিত প্রতারক। অর্থাৎ, সেই ব্যক্তি আপনার থেকে বেশি অন্যদের গুরুত্ব দিচ্ছেন।৫) কিছু ব্যক্তি সারাক্ষণ তার সঙ্গীকে নিয়ন্ত্রণে রাখেন, নিয়ন্ত্রণ করতেই ভালোবাসেন, সঙ্গীর প্রতিটা পদক্ষেপের উপরনজর রাখেন, কিন্তু নিজের সম্পর্কে কিছুই জানাতে চান না। তাহলে এবার সময় এসেছে সেইব্যক্তির আসল চেহারাটা চিনে নেওয়ার।৬) আপনার সঙ্গী কি সবসময় আপনাদের সম্পর্কটিকে আড়াল করে রাখতে চান? তিনি আপনার বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করেন, অথচতার বন্ধু বা পরিচিতদের সঙ্গে আপনাকে কখনোই দেখা করান না? এবার এই সম্পর্কটা আর রাখবেন কিনা একবার ভেবে দেখুন।
Share:

প্রেমিক বেঁটে হলে যে ভাবে সমস্যা মিটাবেন

প্রেমে পড়েছেন এমন একজন প্রেমিকের যিনি আপনার চেয়েও অনেক বেঁটে! তবে কী আর করবেন! ভালবাসেন তো বেঁটে হোক বা লম্বা, এ নিয়ে এতো ঝামেলার কি আছে! কয়েকটা পথ মেনে চললেই হয়তো উচ্চতা নিয়ে আর ঝামেলায় পড়তেই হবে না আপনাকে। যেমন-* হিল পড়া বাদ দিনপ্রেমিক যদি আপনার থেকে বেঁটে হয় তাহলে আপনার উচিত হিল জুতোনা পরা। এতে উচ্চতার সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। এর জন্য কিছুটা স্টাইলে ছাড় দিতে হবে হয়ত। তাতে সম্পর্কে ঝামেলা অনেকটা কমবে।*চুমুর সময়চুমু ছাড়া প্রেম জমে না। আর একজন লম্বা আরেকজন বেঁটে হলে চুমু খেতে সমস্যা তো হবেই। সেটাকে বড় করে দেখার কিছু নেই। আপনার প্রেমিক যদি বেঁটে হন, তাহলে চুমুর অবস্থান পাল্টে নিন। একের পায়ের উপ দাঁড়িয়েই যে অন্যজনকে চুমু খেতে হবে এমন তো নয়!* ছবির তোলার সময়অন্তত ছবির তোলার সময় দুই জনের মানানসই হওয়া খুব জরুরি। উচ্চতা ঠিক না হলে তো ছবি ভাল হবে না। তাই প্রেমিকেরসঙ্গে ছবি তুলতে গেলে নিজের উচ্চতার কথা মাথায় রাখুন। দরকার পড়লে ছবি তোলার সময় কীভাবে নিজেকে একটু কম উচ্চতা দেখানো যায়। সেই দিকটা মাথায় রাখুন।* যৌন জীবন সার্থক করতেউচ্চতার জন্য যৌন জীবনেও সমস্যা হয় অনেকের। কিন্তু একটা কথা ভাবুন, আপনার যৌন জীবনে কী কয়েকটি মাত্র পথ আছে?‌ নতুন নতুন পথ ভাবুন না। একটু তলিয়ে ভাবলে দেখবেন ছোট-খাটো প্রেমিকের জন্যও‌ নতুন নতুন ‘‌সেক্স পজিশন’ রয়েছে। যেটা আরো বেশি আনন্দের হতে পারে।সূত্রঃ বিডি প্রতিদিন
Share:

ভালবাসা প্রকাশ করুন যত্নের সাথে

ভালবাসা শুধু অনুভবের বিষয়- এই ভাবনা ভুল। ভালবাসা প্রকাশ করা একটি স্বাস্থ্যকর সম্পর্কের জন্য খুবই জরুরি। এমন আশা করার কোন মানে নেই যে, আপনার মনের কথা আপনার সঙ্গী নিজেই বুঝে নেবেন। এভাবে বুঝতে গেলে সঠিক বোঝার পরিবর্তে ভুল বোঝার সম্ভাবনাইবেশী। সেই ঝুঁকিতে না গিয়ে মনের ভাব স্পষ্ট প্রকাশ করাই কি বুদ্ধিমানের কাজ নয়?• যারা মনের ভাব প্রকাশে তেমন একটা পারদর্শী নন তাদের জন্য রইল কিছু টিপস....১। সঙ্গীর পছন্দের উপহার দিন, নিজের নয়জন্মদিন বা অন্যকোন উপলক্ষ্যেউপহার তো দিতেই হবে প্রিয়জনকে, তাই না? তাকে তার পছন্দ অনুযায়ী উপহার দিন। আমরা বেশীরভাগ সময়ই নিজের পছন্দ থেকে বেরিয়ে আসতে পারি না। আপনার সঙ্গীর জন্য পোশাক কিনতে গেলেন। আপনার অপছন্দের রংটিই হয়ত তার প্রিয় রঙ। তারপ্রিয় রঙের পোশাকই কিনুন। তার পছন্দকে সম্মান করুন। উপহারের মূল্যায়ণ টাকায় হয়না, হয় যত্নে।২। মুখে বলুন ‘ভালবাসি’, কাজেওআপনার সঙ্গী জানেন আপনি তাকে কতটা ভালবাসেন। তবু সেটা মুখে বলা এবং কাজে প্রকাশ করা জরুরি। কোন একদিন সাধারণ নাস্তার বদলে তার পছন্দের নাস্তা তৈরি করুন। তার পছন্দের পোশাকটি পরুন। তার জন্য সারপ্রাইজ ডিনারের আয়োজন করুন। তাকে বুঝতে দিন, তার সাথে সময় কাটাতে কতটা ভাললাগে আপনার।৩। প্রশংসা করুনসঙ্গীর ছোটবড় সকল গুণের জন্য তার প্রশংসা করুন। মানুষ তার শৈশবে নতুন একটা জামা পরলে, একটা আম আঁকলে, কোন উপহার পেলে সবাইকে দেখায়, সে চায় সবাই যাতে প্রশংসা করে। বড় হয়ে আমরা চেয়ে প্রশংসা পেতে পছন্দ করি না। আমরা মনে করি, আমরা যার যোগ্য পৃথিবী তার স্বীকৃতি দেবে নিজেই। আপনার সঙ্গীও মুখে না বললেও প্রত্যাশা করেন। তাকে তার প্রাপ্য স্বীকৃতি অবশ্যই দিন।৪। সঙ্গীর স্বাচ্ছন্দ্যের দিকে খেয়াল রাখুনআপনার সঙ্গী একজন ভিন্ন ব্যক্তিসত্ত্বার অধিকারী। তার ভিন্ন পছন্দ-অপছন্দ রয়েছে। আপনি যেখানে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি হয়ত সেখানে আনন্দ পান না, বিব্রতবোধ করেন। এই বিষয়গুলোখেয়াল রাখুন। নিজের পছন্দ চাপিয়ে দেবেন না।৫। অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকুনঅভিযোগ একটি সম্পর্ককে ধ্বংস করে দিতে পারে পুরোপুরি। অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকুন। আপনার প্রত্যাশাগুলো বুঝিয়ে বলুন। নিজে কিছুটা ছাড় দিন, মানিয়ে নিন। তাকেও মানিয়ে নিতে উৎসাহ দিন। আপনাদের ভালবাসাই ধরে রাখবে সম্পর্কেরমাধুর্য।৬। কখনোই তুলনা করবেন নাভুল করেও সঙ্গীকে অপরের সাথে তুলনা করবেন না। এটি খুবই অপমানজনক। আপনি যখন আপনার সঙ্গীর কোন কমতি বোঝাতে তাকে অপর কারও যোগ্যতার সাথে তুলনা করেন তখন আপনি পরোক্ষভাবে আপনি তাকে অযোগ্য বলে ঘোষণা করেন। তুলনা করার এই মানসিকতা আপনাদের সম্পর্ককে বিষাক্ত করে তুলবে।
Share:

জেনে নিন, স্বপ্নে যা দেখলে অবহেলা করা ঠিক নয়

আপনি কি রোজ রাতে স্বপ্নে দেখেন? নাকি প্রায়ই দেখেন? কীসের স্বপ্ন দেখেন? প্রিয় জনের? কোনও বিশেষ জায়গার? নাকি বুঝেই উঠতে পারেন না কী দেখছেন? কিছু স্বপ্ন অনেক দিন পরও মনে থেকে যায়, আবার কিছু স্বপ্ন চোখ খুলেই হয়তো ভুলে যান।বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সব স্বপ্নেরই রয়েছে বিশেষ অর্থ, বিশেষ বার্তা। জেনে নিন এমনই কিছু স্বপ্নের অর্থ। যেগুলো দেখলে কখনই অবহেলা করবেন না। পড়ার চেষ্টা করুন স্বপ্ন।বক্স: যদি স্বপ্নে বক্স দেখেন তার মানে আপানর থেকে কিছু লুকিয়ে রাখা হচ্ছে। যদি খালি বক্স দেখেন তাহলে আপনি হতাশায় ভুগছেন। অনেকগুলো বক্স দেখা মানে আপনি নিজেকে প্রকাশ করতে পারছেন না।ফোন: যদি স্বপ্নে ফোন বাজতে দেখেন তাহলে কোনও বিশেষ বার্তা বা সঙ্কেত পাচ্ছেন আপনি। যদি ফোন বাজতে থাকে আপনিনা ধরনে তার মানে সেই বার্তা বা সঙ্কেত আপনি এড়িয়ে যাচ্ছেন।ওড়া: স্বপ্নে যদি নিজেকে উড়তে দেখেন তাহলে বুঝতে হবে অবচেতন মন থেকে জেগে ওঠার সময়এসেছে। জীবনে কিছু সমস্যা এমন রয়েছে আপনি যার উর্ধ্বে উঠতে চাইছেন।চাঁদ: স্বপ্নে চাঁদ দেখা মানে আপনার নিজের মধ্যে লুকিয়ে থাকা বা অদেখা, অথবা কোনও সৃজনশীল দিকে থেকে আপনি পালিয়ে যাচ্ছেন।রাস্তা: স্বপ্নে রাস্তা দেখা মানে আপনি নিজের জীবনের পথ দেখছেন। যদি আপনি পরিষ্কার, সোজা কোনও রাস্তা দেখেন তাহলে আপনার জীবন সহজ পথে চলছে। যদি কুয়াশা ঢাকা পথ দেখেন তাহলে ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত হওয়া প্রয়োজন।ফুল: যদি স্বপ্নে ফুল ফুটতে দেখেন তাহলে আপনার জীবনে নতুন সুযোগ আসতে চলেছে। যদি গাছের চারা বা ফসল ফলতে দেখেন তাহলে আগে কোনও কাজের বীজ বপন করেছিলেন যার ফল পেতে পারেন। আর যদি শুকিয়ে যাওয়া ফুল দেখেন তাহলে জীবনের কোনও অধ্যায় শেষ হতে চলেছে।পানি: স্বপ্নে পানি দেখা আপনারঅ্যাম্বিশনের প্রতিফলন। যদি আপনি সমুদ্র দেখেন তাহলে এখন বড় কোনও সুযোগের জন্য ঝুঁকি নেওয়ার সময়। যদি ছোটখাট জলাশয় দেখেন তাহলে হয়তো আপনি একটি বেশিই চেষ্টা করছেন।
Share:

তিন অভ্যাসের দ্বারা সম্পর্ক করে তুলুন মধুর

সম্পর্ককে মধুর আর সুন্দর করে তোলার জন্য কত কিছুই না করি আমরা। দামি উপহার থেকে শুরু করে আরও কত নানা আয়োজন। অনেক সময় ছোট ছোট কিছু বিষয় সম্পর্ককে অনেক গভীর করে তুলতে পারে। আজ আপনাদের এমন কিছু অভ্যাসের কথা জানাবো যা আপনার সম্পর্ককে করে তুলবে আরও বেশি মধুময়। তাহলে দেখে নিন সেই পরামর্শগুলো-১। একে অপরের সঙ্গে কথা বলা-সঙ্গীর সঙ্গে মনের কথা যত খুলেবলবেন ততই সম্পর্ক ভালো হবে। কাজের ফাঁকে যখনই সময় পাবেন তখন সঙ্গীকে সময় দিন। আপনার অফিসের দিনটি কেমন কেটেছে, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অথবা ভ্রমণনিয়েও কথা বলতে পারেন। যদি দূরেও থাকেন তাহলে সুযোগ পেলে সঙ্গীর সঙ্গে ফোনে কথা বলুন কিংবা চ্যাটিং করুন।২। একসঙ্গে খান-কর্মব্যস্ততাপূর্ণ জীবনে সঙ্গীর সঙ্গে খাওয়া অনেকের পক্ষেই কষ্টকর। যাদের অফিস কাছাকাছি তারা একসঙ্গে লাঞ্চ করার সুযোগ পেলে তা কাজে লাগান। যদি সম্ভব না হয় তাহলেঅন্তত একটা সময় একসঙ্গে খান। তাহলে একে অপরের মাঝে সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠবে।৩। আনন্দে সময় কাটান-মজার কোনো সিনেমা দেখুন কিংবা ইন্টারনেট থেকে মজার কোনো ভিডিও দেখুন, মানে সঙ্গীর সঙ্গে মন খুলে হাসুন। সঙ্গীর সঙ্গে কাটানো মজার সময়টি সম্পর্কের মাঝে অন্যরকম ভাব তৈরি করে। সঙ্গীর সঙ্গে নিয়মিত মজার কিছু সময় কাটান,দেখবেন সম্পর্কে এক নতুন মাত্রা যোগ হবে।
Share:

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রবি সিমেদিচ্ছে ৩৭ টাকায় ১৯৭১ এমবি ইন্টারনেট। তাড়াতাড়ি নিয়ে নিন।

আসসালামু আলাইকুমআশা করি সবাই ভালো আছেন।সবাই যেন ভাল থাকেন সেই প্রত্যাশাই করি সব সময়।আপনাদের আমঝে এই ছোট্ট পোষ্টটি নিয়ে আসলাম । আসলে এই পোষ্টটি কপি করা জানি সেজন্য অনেকেই হয়ত অনেক কিছু বলে রাখবেনকিন্তু আমার কথা হল হয়ত অনেকেই জানেননা তাই শেয়ার করলাম। আর ইন্টারনেট পেয়ে গেলে আপনাদের অবশ্যই ভাল লাগবে।কারন নিজেরটা দিয়ে আপনাদেরটা বুঝতে পারি। যায়হোক কাজের কথায় আসিতো বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়েআসলাম রবি সিমের এক ধাকামা অফার।৩৭ টাকায় ১৯৭১ এমবি ইন্টারনেট।অফারটি নেওয়ার জন্য নিচের স্ক্রিনশট টি দেখে নিন।যেহেতু সবকিছু যেহেতু স্ক্রিনশট এ দেওয়া আছে তাই আমি আর কিছু লিখলাম না।সবাই ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন আর এর সাথে আমার সাইটেও একটু ঘুরে আসবেন ।আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য
Share:

Sunday, March 25, 2018

যেসব গুণ পুরুষসঙ্গীর থাকা দরকার

‘নোবডি ইজ পারফেক্ট’। তারপরও সঙ্গী নির্বাচনের আগে কিছু বিষয় অন্তত খেয়াল রাখা উচিত। বিশেষ করে নারী হিসেবে পুরুষের কয়েকটা গুণ যাচাইবাছাই করলে ভবিষ্যতে পস্তানোর সম্ভাবনা কমবে।আর পুরুষদেরও এই বিষয়গুলো জানা থাকলে বোঝা সহজ হবে সঙ্গীহিসেবে আপনি কেমন হবেন।আপনি গান ভালোবাসেন? অথবা গিটার? নিশ্চয়ই সঙ্গী হিসেবেএমন কাউকে বেছে নিতে চাইবেন যেকিনা গান গেয়ে বা গিটারের সুরের জাদুতে আপনাকে মুগ্ধ করে রাখতে পারবে। তবে মনে রাখবেন এটাই সব নয়।পছন্দের গুণগুলো থাকা মানুষটিআপনার ‘যোগ্য পুরুষ’ নাও হতে পারে।এই বিষয়ের উপর প্রকাশিত সম্পর্কবিষয়ক ওয়েবসাইটের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায় সঙ্গী নির্বাচনে উপযুক্তগুণ ও যোগ্যতা সম্পর্কে। যেগুলো নজর দিয়ে সঙ্গী নির্বাচন করলে ভবিষ্যতে আফসোসকরতে হবে না।আপনার ‘হ্যাঁ’ তে ‘হ্যাঁ’ বলা বা আপনার সব কথায় তাল মেলানো মানুষকে কখনও সঙ্গী হিসেবে পছন্দ হবে না। কারণ এতে এক সময় মনে হবে জীবনটা পানসে।সঙ্গী হিসেবে এমন মানুষকেই বেছে নেওয়া উচিত যে আপনার সামনে তার মতামত উপস্থাপন করতে ভয় পাবে না, অকপটে সে তার বিশ্বাস ও ইচ্ছার কথা বলতে পারবে।প্রেমিক যতই মিষ্টি কথা বা গানে আপনাকে মুগ্ধ করে রাখুক না কেনো তার সব কথাতেই গলে গেলে চলবে না। সততা সবচেয়ে বড় গুন। সঙ্গী হিসেবে এমন মানুষকে বেছে নেওয়া উচিত যে আপনার সামনে সত্যি কথা বলতে ভয় পাবে না ।সবচেয়ে আবেদনময়ী পুরুষ তো সে-ই যে কিনা মেয়েদের সন্মান করতে পারে। হোক সে মা, বোন অথবা বান্ধবী। নারীদের সম্মান করে এমন পুরুষের প্রতি নারীরা বেশি আগ্রহী হয়।হয়তবা আপনার একটু ‘কেয়ারলেস কেয়ারিং’ ধরনের মানুষ ভালোলাগে। তবে যার মাঝে সাধারণ রসবোধও নেই তার সঙ্গে সারা জীবন কাটানো বেশ কষ্টকর।এমন মানুষকেই বেছে নেওয়া উচিত যে আপনার খারাপ অভ্যাস বাগুণগুলো আপনার সামনে বলতে ভয় পাবে না। ভুল ধরিয়ে দিতে পারেযে সেই আপনার সবচেয়ে ভালো সঙ্গী।যে কেউ তার অতীত বা গোপন কথা সঙ্গীর সঙ্গে ভাগাভাগি করতে পারে। তাই বলে অতীত ঘটনার ভিত্তিতে আপনাকে যাচাই করা ঠিক হবে না। যদি আপনার প্রেমিকসেটা করে থাকে তাহলে বুঝতে হবেসে আপনার উপযুক্ত নয়।কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের প্রতিআগ্রহ আছে যেমন- বেড়াতে পছন্দকরে বা স্ট্যাম্প সংগ্রহ করে- এমন সঙ্গী বেছে নিন। সঙ্গী যখনতার আগ্রহ সম্পর্কে কিছু বলবে,দেখবেন তার চোখের মধ্যে অদ্ভুত এক আলোকছটা কাজ করে।সঙ্গীর দয়াশীলতাকে কখনও অবহেলা করবেন না। যার হৃদয় বড় সে ভালোবাসেও বেশি।সম্পর্কের অধিকাংশ সমস্যাই ভালো যোগাযোগের মাধ্যমে এড়ানো যায়। যে ব্যক্তি নিজের অনুভূতিকে নষ্ট করে এবং সমস্যা সমাধান করতে আগ্রহী নয় তার সঙ্গে সম্পর্ক না রাখাই ভালো।সঙ্গী হিসেবে এমন কাউকে খুঁজে নিন যে মানসিকভাবে পরিণত ও সমস্যা সমাধানে আগ্রহী।
Share:

প্রতিদিনের যে বদভ্যাসগুলো আপনাকে সুস্থ হতে দেয় না!

শরীর ভালো রাখতে সব কিছুই করেনআপনি। খাবার খাওয়া, জিম বা ব্যায়াম, সাঁতার কিছুই বাদ দেন না। তবুও আপনার শরীর কিছুতেই ভালো থাকে না। এর মূল কারণ কি জানেন? আসলে আপনার কিছু বদভ্যাস আপনাকে সুস্থ হতে দেয় না। কী রকম সেই বদভ্যাসগুলি?১. ভালো করে হাত না ধোয়ার অভ্যাসসারা দিনে কতবার হাত ধোয়ার অভ্যাস আছে আপনার? এই যে সারা দিন ল্যাপটপ, মোবাইল, টিভির রিমোট নিয়ে নাড়াচাড়া করছেন, তাতে কী হচ্ছে জানেন? আমাদের ঘর যতই পরিষ্কার থাকুক না কেন, এমন কিছু জীবাণু আমাদের চারপাশে সবসময় থাকে, যা আমরা খালি চোখে দেখতে পারি না। এ ছাড়াও আমাদের চামড়ায় প্রচুর পরিমাণে জীবাণু থাকে। সেগুলি ল্যাপটপ, মোবাইল এবং রিমোটে জমতে থাকে। তারপর হাত হয়ে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে নিজেদের খেল দেখাতে শুরু করে। ফলে অসুস্থ হয়ে পড়ি আমরা। এমনটা হওয়া থেকে আটকাতে পারে হাত ধোয়ার অভ্যাস, যা আমাদের অনেকেরই নেই।২. অনেক রাত অবধি জেগে থাকাঅনেক রাত অবধি জেগে থাকার অভ্যাস আছে নাকি? তাহলে কিন্তু নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনছেন। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের তরফে জানানো হচ্ছে যে, যারা বেশি রাত অবধি জেগে থাকেন, তাদের শরীরে শ্বেতরক্তকণিকার পরিমাণ কমতে থাকে।এমনকি এদের মধ্যে দুশ্চিন্তারপ্রকোপও বেশি দেখা যায়। গবেষণায় বলা হচ্ছে যে, ঘুমের সামান্য পরিমাণে ঘাটতিও শরীরেনানারকম রোগের জন্ম দেয়। তাই সাবধান!৩. দাঁত দিয়ে নখ কাটাঅনেকেই আছেন, যারা দাঁত দিয়ে নখ কাটেন। এমনটা করা একেবারেই উচিত নয়। কারণ আমাদের সব কাজইহাত দিয়ে করতে হয়, তাই নখের মধ্যে নানা ক্ষতিকারক উপাদান জমে থাকে। আর যখন দাঁত দিয়ে নখ কাটা হয়, তখন এই ক্ষতিকারক উপাদান আমাদের পেটের ভেতর প্রবেশ করে। ফলে পেটের রোগ, বমি, ডাইরিয়া, ই-কোলাই প্রভৃতি রোগে আক্রান্ত হওয়ারআশঙ্কা বেড়ে যায়। প্রসঙ্গত, গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে যারা দাঁত দিয়ে নখ কাটেন, তাদের এই সমস্ত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ৭৬% হারে বৃদ্ধি পায়।৪. ডেস্কে বসেই খাবার খাওয়াকাজের চাপে বাইরে গিয়ে খাবার খাওয়ার সময় নেই? ডেস্কে বসেই তাই খাবার খেতে বাধ্য হচ্ছেন? তাহলে তো আপনি রোগে আক্রান্ত হবেনই। কারণ গবেষণায় জানা যাচ্ছে যে, অফিসে সবথেকে বেশি জীবাণু থাকে কফিপট এবং কি- বোর্ডে। কারণ এই জিনিসগুলি অনেক লোক একসঙ্গে ব্যবহার করেন। অন্যদিকে সবার হাতেই কিছু না কিছু নোংরা লেগে থাকে। ফলে সেগুলি ব্যবহার করা বা সেগুলির পাশে বসে খাওয়াও শরীরের জন্য খারাপ। অন্যদিকে ডেস্কে বসে খেলে খাবারের অল্প পরিমাণ টুকরো হলেও ডেস্কে পড়ে। ফলে সেখানে ব্যাকটেরিয়া বাসা বাধে এবং রোগ ছড়িয়ে পড়ে।৫. বাড়িতে জুতা পরে থাকাঘরের ভেতর বাইরের জুতা পরে ঢুকে যান না তো? এমনটা করলে কিন্তু খুব বিপদ। কারণ আপনি জানেন না, রাস্তায় কি ধরনের বিষাক্ত এবং নোংরা পদার্থ পড়ে থাকে। ফলে সেইসব নোংরা এবং বিষাক্ত পদার্থ জুতার নিচে লেগে যায়। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, ক্লসট্রিডিয়াম ডিফিসিল নামক এক ধরনের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া প্রায় সব জুতারনিচে পাওয়া যায়, যা পেটের রোগ, কৃমি, বমি, ডাইরিয়া ইত্যাদির সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
Share:

সারা জীবনে কতবার যৌন মিলন করেন একজন মানুষ?

যৌনতা নিঃসন্দেহে আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কখনও কি ভেবে দেখেছেন সারা জীবনে মানুষ ঠিক কতবার যৌন মিলন করতেপারে বা করার ক্ষমতা রাখে? এ প্রশ্নকে উপজীব্য করেই পরিচালিত হয়েছে গবেষণা। গবেষণায় বের হওয়া তথ্যের সাথে নিজের বা পাশের বন্ধুর যৌন জীবনের ভবিষ্যৎ নির্ণয় করতে পারেন।সম্প্রতি এক গবেষণায় প্রায় ২ হাজার নারী এবং পুরুষকে যৌন জীবন নিয়ে জরিপ করা হয়। জরিপে অংশগ্রহণকারীরা গবেষকদের সামনে তাদের যৌনমিলনের সঠিক তথ্যাদি প্রকাশ করেন। যুক্তরাজ্যে করাএই গবেষণা থেকে চমকপ্রদ সব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গবেষণায়পাওয়া তথ্য অনুযায়ী,• সপ্তাহে গড়ে পাঁচ জনে একজন মানুষ একবার যৌন মিলন করেন।• মাত্র তিন শতাংশ মানুষ প্রতিদিন যৌন মিলন করেন।• যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা সারা জীবনে গড়ে ৫,৭৭৮ বার যৌন মিলন করে থাকেন।• ১৬ বছর থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত সারা জীবনে মানুষ যৌন মিলনের জন্য ২,৮০৮ ঘন্টা ব্যয় করে যা পুরো জীবনের ০.৪৫ শতাংশ সময়। এটি পুরো জীবনের মাত্র ১১৭টি দিনের সমান।সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট
Share:

সবচেয়ে ধনী ও স্মার্ট লোকদের ১০টি কমন বৈশিষ্ট্য

ইতিহাসে লাখ লাখ স্মার্ট লোক আছে যারা দুনিয়াকে বদলে দিয়েছিলেন। মানুষ হিসেবে প্রায় প্রত্যেকেই অন্যের সঙ্গে নিজের তুলনা করতে অভ্যস্ত। কিন্তু সমস্যা হলো যখন আমরা অন্য একজন স্বাস্থ্যবান, সম্পদশালী এবং সমৃদ্ধিশালী ব্যক্তির সঙ্গে নিজের তুলনা করি তখন আমরা ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ি বা অস্বস্তি বোধ করি এবং হীনমন্যতায় ভুগি। কিন্তু সত্য হলো সকলেই এই দুনিয়ায় প্রতিভা এবং ভালো ব্যাংক ব্যালেন্স জন্মসূত্রেই নিয়ে আসেন না।গবেষকরা ইতিহাসের লাখ লাখ ধনী ও স্মার্ট মানুষদের থেকে মাত্র ১০০০ জনের বৈশিষ্ট্য নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে সক্ষম হয়েছেন। আর তা থেকেই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এবং সবচেয়ে স্মার্টলোকদের সবার মধ্যেই আছে এমন বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি তালিকা তৈরি করেছেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক কী সেই বৈশিষ্ট্যগুলো।১. নিজেদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে খুবই যত্নবানহ্যাঁ, সময় হলো অর্থ। কিন্তু আপনি কিছুই অর্জন করতে পারবেন না যদি আপনার স্বাস্থ্য ভালো না হয়। আর দিন শেষে অর্থের চেয়ে স্বাস্থ্যই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দেয়।বিশ্বের বেশিরভাগ স্মার্ট এবংসম্পদশালী মানুষেরা প্রতিদিন নিজের স্বাস্থ্যের দেখভাল করাকে প্রথম এবং প্রধান কাজ হিসেবে গণ্য করেন। এর ফলে তারাভালোভাবে কাজ করতে পারেন এবং যে কোনো কাজে ভালোও করতে পারেন।২. দানশীলতাগবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের সবচেয়ে স্মার্ট লোকদের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য দানশীলতা। বিশ্বের সবচেয়ে সম্পদশালীরা তাদের সম্পদের এক ভাগের ১০ ভাগই গরীবদেরকে বা কোনো দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করে দেন। বুদ্ধিমানরা জানেন, শুধু একটি হাসি বা একটি হ্যালো বলেইএকজন মানুষের জীবনে বিশাল পরিবর্তন ঘটানো যায়।৩. ব্যর্থতার ভয়ে ভীত ননএকজন বিজয়ী এমন এক ব্যক্তি যিনি অতীতে বহুবার হেরেছেন! স্মার্ট মানুষরা হেরে যাওয়ারএবং পরে বিজয়ী হিসেবে বিকশিত হওয়ার মূল্য জানেন। তারা হেরে যাওয়ার ভয়ে ভীত নন। এমনকি প্রকৃত পক্ষে তারা ব্যর্থতাকেই জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হিসেবে গণ্য করেন। জ্ঞান এবং তথ্য খুবই শক্তিশালী। আর আপনার যদি তা থাকে তাহলে কেউই আপনাকে হারিয়ে দিতে পারবে না। আপনার যদি যথেষ্ট জ্ঞান থাকে তাহলে নিজের সীমা অতিক্রম করে স্বপ্ন দেখতেও এবং সেই স্বপ্নের পিছু তাড়া করতেও কোনো সমস্যা নেই।৪. সঠিক লোককে বাছাই করাআপনার সঙ্গে কাজ করার জন্য সবার সেরা লোককে প্রয়োজন নেই আপনার। বরং সঠিক লোকটিতে বাছাই করতে হবে। বিশ্বব্যাপী স্মার্ট লোকরা ধনী হয়েছেন মূলত তাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য সঠিক লোকটিকে বাছাই করতে পারার মধ্য দিয়ে। আপনার জন্য সঠিক লোকটি আপনার সঙ্গে থাকলে আপনি নিজের দূর্বলতাগুলোর সঙ্গে ভারসাম্য স্থাপন করতে পারবেন। এবং সঠিক লোকটি আপনার শক্তি হিসেবে গণ্য হবে।৫. সঠিক কাজটি প্রথমে করাধনী এবং সফল হতে চাইলে সঠিক কাজটি প্রথমে করতে হবে। শক্তিশালী লোকদেরকে অন্যরা লাইনচ্যুত করতে পারে না। তারা প্রথমে সঠিক কাজটি করেন, এরপর পরের কাজটি করেন। আপনার জন্য কোনটা জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণসেটি বাছাই করুন আগে। আর বাকীটা পরের দিনের জন্য রেখে দিন। জীবনে কোনো কিছু অর্জন করতে চাইলে মনোযোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।৬. নিজের শক্তি কী তা জানুন এবং দূর্বলতা মেনে নিনবিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষরা তাদের নিজেদের দূর্বলতা কী তা জানেন এবং শক্তি নিয়ে খেলা করেন। আপনাকেও নিজের দূর্বলতার প্রতি চোখ বন্ধ করে রেখে শক্তির জায়গাগুলিকে আরোশক্তিশালী করায় মনোযোগ দিতে হবে। জীবনে কোনো সমস্যা মোকাবিলার সময় নিজের দূর্বলতার চেয়ে শক্তির জায়গাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।৭. নিজের জন্য একান্ত সময় ব্যয়বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এবং স্মার্ট মানুষরা সবসময়ই নিজের জন্য একান্তে কিছুটা সময় কাটানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তারা নিজেদের জন্য কিছুটা সময় ব্যয় করা এবং কিছুটা সময় আয়েশ করে কাটানোর ওপর জোর দেন। আত্ম-উপলব্ধি এবং আত্ম-উন্নয়নের জন্য নিজের জন্য একান্তে সময় কাটানোও জরুরি।৮. নিজেই নিজের জন্য কাজ করাকোনো সমস্যা মোকাবিলায় বিশ্বের সবচেয়ে ধনী, স্মার্ট এবং সফল মানুষরা সবার আগে নিজেই নিজের জন্য কাজ করেন। বিশ্বব্যাপী শীর্ষ ধনীরা সবসময়ই সবার আগে নিজের জন্য নিজেই কাজ করতে চান এবং নিজেকেই শীর্ষে দেখতে পান! তবেকখনো যদি তারা বুঝতে পারেন নিজের জন্য নিজে কাজ করতে পারবেন না তখন তারা সঠিক লোকটিকে বাছাই করেন তাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য।৯. অপেক্ষা করেন নাস্মার্ট লোকরা স্রোতের বিপরীতে কাজ করেন। বিশ্বের শীর্ষ ধনীরা হয়তো অন্যদের চেয়ে আলাদা মানুষ নন কিন্তু তারা অন্যদের চেয়ে আলাদা কাজ করেন। তারা কখনোই সঠিক সুযোগের জন্য অপেক্ষা করেন না। বরং তারা নিজেরাই নিজেদের জন্য সুযোগ তৈরি করে নেন।১০. তারা নিয়মিতভাবেই প্রচুর ব্যর্থ হনপ্রতিটি মানুষের জীবনেই উত্থান-পতন থাকে। আর বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এবং বুদ্ধিমান লোকদের মধ্যেও এই বিষয়টি আছে। তারা প্রায়-প্রায়ই ব্যর্থ হন। তারা নিজের একটি ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সেই ভুলটি আর দ্বিতীয়বার করেন না।
Share:

প্রেমে পড়ার আগে নিজেকে এই সাতটি প্রশ্ন অবশ্যই করবেন

কথায় বলে ভেবেচিন্তে প্রেম করতে নেই। কিন্তু দিনকাল যা পড়েছে, তাতে চিন্তাভাবনা না করে প্রেমে পড়লেই বিপদ। কখন কী ঘটে যায়, কেই বা বলতে পারে? তাই প্রেম প্রথম হোক বা দ্বিতীয় কিংবা হোক তৃতীয়, সাতটি প্রশ্ন অবশ্যই নিজেকে করবেন।১) আপনিই কি সত্যিই মানুষটাকে পছন্দ করেন? নাকি কেবল সিঙ্গল থাকাটা একঘেয়ে হয়ে গিয়েছে বলে সঙ্গীর খোঁজ করছেন। আগে নিজের চাহিদাটা ভাল করে বুঝে নেবেন, তারপরই নতুন সম্পর্কের দিকে পা বাড়াবেন।২) যাঁকে মন দিচ্ছেন তাঁর সম্পর্কে সমস্ত কিছু জানেন তো? কারও সম্পর্কে পুরোটা না জেনে তাঁকে মন দেবেন না। এতে ভবিষ্যতে পস্তাতে হতে পারে। তাই আগে থেকেই সাবধান হওয়াটা বাঞ্ছনীয়।৩) ভবিষ্যতের জীবনসঙ্গী হিসেবে মানুষটাকে ভাবতে পারেনতো? হ্যাঁ, এখন সম্পর্ক অতটা ভবিষ্যত চিন্তা করে হয় না। তবে পছন্দের মানুষটার সঙ্গে যদি জীবন কাটানো যায় তার থেকেভাল আর কিছুই হতে পারে না। তাই ভবিষ্যতের কথাটা একটু হলেও ভাববেন।৪) বর্তমানকে দেখলে কি আপনার অতীতের কথা মনে পড়ে? যদি উত্তর হ্যাঁ হয় তাহলে অবিলম্বে সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসুন। কারণ অতীতে যে ভুল একবার করে ফেলেছেন তা আবারনা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।৫) আপনি কি সত্যিই খুশি? কিসে আপনার আনন্দ, শান্তি সেটা আপনিছাড়া আর কেউ ভাল বুঝতে পারবে না। তাই নিজেকেই নিজে এই প্রশ্নটি করে দেখুন। জানতে চান কেন আপনি এই সম্পর্ক গড়তেচান। যদি নিশ্চিত উত্তর পান তাহলেই এগিয়ে যান।৬) সম্পর্কের খারাপ দিকটা সামলাতে পারবেন তো? প্রেম মানেই কেবল পেটের মধ্যে প্রজাপতি ওড়ার অনুভূতি নয়। সব সম্পর্কেরই কিছু ভাল দিক থাকে, আর কিছু মন্দ দিক থাকে। সেই মন্দ দিকটাও আগে থেকে আঁচ করে নেবেন। ভেবে দেখবেন, তা সামলানোর ক্ষমতা আপনার রয়েছেকিনা। এরপরই সিদ্ধান্ত নেবেন।৭) সঙ্গীরও কি আপনার প্রতি সমান আনুগত্য রয়েছে? ভালবাসাভারসাম্যের খেলা। দুই দিকে ওজন সমান হতে হয়। একদিকে বেশি, অন্যদিকে কম হলেই বিপদ। তাই ভাল করে যাচাই করে নেবেন যাঁকে সর্বস্ব দিয়ে ভালবাসছেন তাঁরও আপনার প্রতি ততটাই আনুগত্য আছে কি না।মনে রাখবেন, ব্যর্থ সম্পর্ক শুধু দুঃখই দেয়। তাই প্রেমসাগরে ডুব দেওয়ার আগে ভাল করে গভীরতা মেপে নেবেন। তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি নেবেন। -সংবাদ প্রতিদিন
Share:

সুখী হতে যে ধরনের মানুষের এড়িয়ে চলবেন?

আপনি কি মানসিক ভাবে খুব শক্ত? সব সময় হাসিখুশি থাকতে পছন্দ করেন? তাহলে সব ধরনের মানুষকে নিজের জীবনে প্রশ্রয় দেবেন না। আমাদের সমাজে এমন কিছু মানুষ আছে যাদের মানসিকতা সবসময় নেতিবাচক। এই ধরনের সঙ্গ আপনার জীবনকেও বিষিয়ে দিতে পারে। চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য দেখে সহজেই চিনে নিন এমন মানুষদের।সমালোচক এবং বিচারক মানসিকতারমানুষজনের সঙ্গ এড়িয়ে চলুন।এমন কিছু মানুষ আছে যারা সবসময় একপেশে বিচারবুদ্ধি নিয়ে চলে। নিজের মানসিকতাকেইজাহির করার চেষ্টা করে। সমালোচনা ভাল তখনই যখন সেটা যুক্তিগ্রাহ্য। কিন্তু এরা সবকাজেই অনাবশ্যক খুঁত ধরে বেড়ায়—সেটা ভাল হোক বা মন্দ। এই ধরনের মানুষের সঙ্গ জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।অলস প্রকৃতির মানুষদের কাছে ঘেঁষতে দেবেন না। এই ধরনের মানুষ কখনওই কোনও কাজে উৎসাহ দেখান না।যার প্রভাব চারপাশের মানুষজনের উপরেও পড়ে। এই সঙ্গে পড়লে কিছুদিন পর দেখবেন আপনিও কোনও কাজে উৎসাহ পাচ্ছেন না।অহংকারী মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করুন। আপনার কোনও বন্ধু বা অফিসের সহকর্মী কি কথায় কথায় আপনাকে ছোট করার চেষ্টা করে? দেখায়, নিজেই মহান, একাই কাজের? আপনার যে কোনও কাজকেই অবহেলা করে? তাহলে সাবধান!ঈর্ষাকাতর সহকর্মী বা বন্ধুর সঙ্গ। এই মানসিকতার লোকজন সামনে খুব ভাল মানুষটির মতো থাকেন। যেন আপনার একান্ত শুভাকাঙ্খী। কিন্তু আড়ালে আপনারই ক্ষতি করার চেষ্টা করতে থাকেন। হিংসার মনোভাব পতনের কারণ। এদের উপেক্ষা করুন।কিছু মানুষ আছে যারা ভুল হলেই কঠোর শাস্তির বিধান দিয়ে দেয়। ভুল শোধরানোর বিন্দুমাত্র চেষ্টা করে না। দেখবেন, চাহিদা পূরণ না হলেই এদের মানসিকতার আমূল পরিবর্তনহয়ে গেছে। বদলে গেছে কথা বলারধরনও। এই ধরনের মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করুন।আপনি কি জীবনে অনেক উন্নতি করতে চান? অনেক স্বপ্ন আপনার দু’চোখে? তাহলে লক্ষ্যহীন এবং ছন্নছাড়া বন্ধু বা সহকর্মীদের এড়িয়ে চলুন। আপনার চলার পথে এরাই কিন্তু মূল বাধা।
Share:

মেয়েদের নজর কাড়তে যা করবেন

পছন্দের কোনো মেয়েকে ইমপ্রেসকরতে আপনি নিশ্চয় অনেক পরিশ্রম করে থাকেন। কিন্তু জানেন কী? কিছু ছোট ছোট বিষয় আপনি মাথায় রাখলেই কেল্লাফতেহয়ে যেতে পারে।যারা জানেন না তারা কিন্তু একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন এই লেখায়। হয়তো কোনো কিছু মিস করে যাওয়া টিপস্ আপনার কাজে লেগেও যেতে পারে।* পছন্দের নারীর জীবনে প্রায় সুপারম্যান হয়ে উঠতে হবে। তার বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে তাকে ভরসা দিন আপনিই সেই মি. রাইট যে তার হাত কখনোই ছাড়বে না।* চুল এবং ড্রেস এই দুটির বিষয়ে কিন্তু যত্নবান হতেই হবে। ক্যাজুয়াল থাকুন কিন্তুতার সঙ্গে সঙ্গে মাথায় রাখুন এই বিষয় গুলোও। সব কথা মুখে না বললেও চলে। চোখে চোখে কথা বলার কায়দা রপ্ত করুন। তার পাশাপাশি চোখে চোখে রেখেও কথা বলার অভ্যেস করে ফেলুন।* পারফিউম ব্যবহার করেন না অনেকেই। সেক্ষেত্রে আপনাকে বলে রাখা ভালো, ভালো সুগন্ধী কিন্তু আপনার ইমপ্রেস করার কাজটি অনেক মসৃণ করে দেবে। তাইএকটু টাকা-কড়ি খরচ করে কিনে ফেলতে পারেন ভালো পারফিউম।* তার মেসেজের সব সময় জবাব দেন, অতিরিক্ত খেয়াল রাখেন? এমন কাজ কিন্তু ভুলেও করবেন না। প্রেমের শুরুর আগে মাঝে মাঝে এই বিষয়টিতে হালকা একটু ব্রেক দিন। খাবারে যেমন নুন পরিমিত দেওয়া প্রযোজন তেমনই কিন্তু এই ব্রেকও যেন হয় পরিমিত। নাহলে ভেস্তে হয়ে যেতে পারে পুরো প্ল্যান।* হালফিলে দাড়ি-গোঁফ কিন্তু লেটেস্ট ট্রেন্ড বলতে পারেন। তাই আপনার চেহারার সঙ্গে যদি বিষয়টি মানানসই হয় তাহলে আজই ভাবনা চিন্তা করতে পারেন দাড়ি-গোঁফ নিয়ে।* আরও একটা বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, চলাফেরা এবংটেবলে বসে খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রে একটু নজরকাড়া অ্যাটিটিউড থাকতে হবে। আর বাড়ি থেকেই শুরু করুন এই ‘স্টাইল মে রহনে কা পর্ব’, তবেই পরীক্ষার সময় এক চান্সেই পাশ করবেন।
Share:

প্রতিদিনের ৯টি অভ্যাস বদলে ফেলুন, বদলে যাবে আপনার ভবিষ্যতও!

আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাস আমাদের চরিত্র সম্পর্কে অনেক কিছুই জানায়। কিন্তু আমাদের ভবিষ্যত্ কেমন হতে চলেছে, তাও জানা যায় আমাদের প্রতিদিনের নানা অভ্যাস থেকেই। কী ভাবে? আসুন জেনে নেওয়া যাক।১. বাথরুম ব্যবহারের পর তা নোংরা রেখেই বেরিয়ে যান? বাথরুমের মেঝেতে ছড়িয়ে রাখেন ভেজা জামাকাপড়? আপনি কিন্তু আপনার কুণ্ডলীতে চন্দ্রের অবস্থানকে দুর্বল করে তুলছেন, যার ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে আপনার ক্যারিয়ারে।২. হাঁটার সময় জুতো ঘষে হাঁটার অভ্যাস থাকলে এখনই বদলান। এর ফলে রাহুর কুদৃষ্টি পড়বে আপনার জীবনে।৩. খাওয়ার পর এঁটো বাসনপত্র টেবিলেই রেখে উঠে পড়েন? অন্য লোকে আপনার এঁটো বাসন তোলে? এর অর্থ জীবনে সাফল্য পেতে আপনার চেষ্টা নামমাত্র। শনি এবং রাহুর কুপ্রভাব নিজেই নিজের জীবনে টেনে আনছেন আপনি।৪. বাইরে থেকে বাড়ি ফিরে প্রথম কাজ হওয়া উচিত হাত, পা, মুখ ভালো করে ধোওয়া। এটা না করা যে শুধু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস, তাই নয়, এর ফলে দুর্ভাগ্যকেই সঙ্গে টেনে আনছেন আপনি।৫. নামাজ বা প্রার্থনার জায়গাসব সময় পরিষ্কার রাখবেন।এখানথেকেই ঘরে পজিটিভ এনার্জি বাহিত হয়। কিন্তু অপরিচ্ছন্নকরে রাখলে আপনার কুণ্ডলীতে তার খারাপ প্রভাব পড়বেই।৬. বাড়িতে কেউ আসলে তার এনার্জির সঙ্গে আপনার এনার্জির একটা সংঘাত বাধে। তাই প্রাচীন শাস্ত্র অনুসারে অতিথিকে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে আপ্যায়ন করলে তাঁর শরীরের তাপ কিছুটা ঠাণ্ডা হয় এবং এর ফলে রাহু দোষ ও কালসর্প দোষের প্রভাব স্তিমিত হয়।৭. জুতো যদি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখার অভ্যাস থাকে, তাহলে আপনার জীবনে অনেক সমস্যা অপেক্ষা করে রয়েছে। এর ফলে আপনার শত্রুসংখ্যা বাড়বে এবংমানুষ আপনাকে অশ্রদ্ধা করবে।৮. যারা প্রতিদিন গাছের গোড়ায় পানি দেন তাঁদের পরিবারে কখনও কোনও সমস্যা উপস্থিত হয় না।৯. ঘুম থেকে ওঠার পর যাঁদের নিজেদের বিছানা গুছিয়ে রাখারঅভ্যাস নেই, তাঁরা কোনও কিছুতেঠিকমতো ফোকাস করতে পারেন না। তাঁদের কর্মজীবনে উন্নতি হওয়াও মুশকিল।
Share:

ছেলেরা প্রথম দেখায় মেয়েদের যে বিষয়গুলো খেয়াল করে

পথ চলতে দেখা হয় কতজনের সঙ্গেই। কিছু দেখা থাকে বিশেষ। একটি ছেলে যখন একটি মেয়ের সঙ্গে প্রথম দেখা করতে যায় তখন দুজনের মধ্যেই কাজ করে চাপা দুশ্চিন্তা। কিভাবে সাজলে ভালো লাগবে, কোন পোশাকে মানাবে সেসব বিষয় তো রয়েছেই। এর বাইরেও থেকে যায় আরো কিছু বিষয়। এমনই সাতটি বিষয়-হাসিকখনো কখনো কথার চেয়েও হাসি বেশি কার্যকর। এক্ষেত্রে মেয়েটির ঠোঁটের কোণে এক টুকরো উষ্ণ হাসি দেখলে বুঝতে পারবেন সে কথা বলতে ইচ্ছুক। সেমুখ চেপে হাসছে তার মানে হলো সে আপনাদের মধ্যকার কথপোকথন উপভোগ করছে। তাই প্রথম দেখায় একজন ছেলে আপনার হাসির দিকেই নজরে দেবেন।আত্মবিশ্বাসএকজন নারীর সবচেয়ে আকর্ষণীয়বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তার আত্মবিশ্বাস। একজন নারী যদি আত্মবিশ্বাসী ও আশাবাদী হন, তবে তার এই বৈশিষ্ট্য পুরুষের নজর কাড়বেই।সেন্স অব স্টাইলআপনি ছয় ইঞ্চি হিল পরুন, গাঢ় মেকআপ করুন কিংবা হালকা কাজল চোখে একদমই সাদামাটা থাকুন- আপনার নিজস্ব স্টাইল দেখেই কিন্তু একজন ছেলে আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা পায়। তারা হয়তো পরবর্তীতে মনেও রাখতে পারবেন না আপনি ঠিককোন কোন ব্রান্ডের পোশাক-অনুষঙ্গ পরেছিলেন। কিন্তু প্রথম দেখায় আপনাকে দেখতে কেমন লাগছিল তারা এটি অবশ্যই মনে রাখবেন।শারীরিক বৈশিষ্ট্যছেলেরা প্রকৃতিগত ভাবে এভাবেইতৈরি যে প্রথম দেখায় তারা একটি মেয়ের শারীরিক বৈশিষ্ট্য লক্ষ করবেনই। তাই একটি মেয়ে দেখতে কেমন সেটিও একটি বড় বিষয়!বন্ধুমেয়েটির বন্ধু কারা, কাদের সঙ্গে সে বেশি আন্তরিক সেদিকেও নজর রাখেন ছেলেরা। আপনার বন্ধুদের মুখে আপনার গল্প শুনতে তিনি পছন্দ করবেন। কারণ সেখান থেকে আপনার সম্পর্কে অনেককিছুই জানা যাবে।চোখচোখকে বলা হয় মনের আয়না। ছেলেরা প্রথম দেখায় মেয়েদেরচোখের দিকে অবশ্যই লক্ষ করেন। নিঃসন্দেহে মনের না বলা অনেক কথাই চোখে প্রকাশ পায়। মেয়েটির চোখের ভাষা পড়তে পারলে ছেলেটি তার লুকানো অনেককিছু বুঝতে পারবেন!ঘ্রাণঅন্যকিছু মনে থাকুক বা না থাকুক, প্রথম দেখায় মেয়েটির গায়ের গন্ধ ছেলেরা সবসময়ই মনে রাখে। মেয়েটি হয়তো পাশে থাকবে না, কিন্তু অনেকবছর পরও একইরকম ঘ্রাণ নাকে এলে ছেলেটি কিন্তু সবার আগে ওই মেয়েকেই খুঁজবে।
Share:

৬টি লক্ষণ দেখে জেনে নিন কারা আপনাকে গোপনে হিংসা করেন

আপনি কি সফল? পেশাগত সাফল্যে, পারিবারিক সুখে, আত্মিক শান্তিতে আপনি তৃপ্ত। চার পাশে তাকিয়ে দেখার সময় আপনার হয় না। কিন্তু এসবের মধ্যেই আপনি টের পান, ঈর্ষার কিছু সবুজ চোখ আপনাকে ঘিরে রয়েছে।প্রকাশ্যে যাঁরা আপনাকে ঈর্ষাকরেন, তাঁদের আপনি সহজেই চিহ্নিত করতে পারেন। তাঁদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতেও পারেন। কিন্তু এমন বহু মানুষ রয়েছেন, যাঁদের ঈর্ষা গোপন। এঁদের সহজে আপনি চিহ্নিত করতে পারেন না।মনস্তত্ত্ব বিষয়ক আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ‘দ্য মাইন্ডস জার্নাল’ জানাচ্ছে, কয়েকটি লক্ষণ দেখে চিহ্নিত করা যেতে পারে এই সব গোপন ঈর্ষাতুরদের।▶এক ঝলকে দেখে নেওয়া যেতে পারে এই লক্ষণগুলি-১. লক্ষ রাখুন, কেউ আপনাকে অনুকরণ করছেন কি না। গোপনে ঈর্ষান্বিত ব্যক্তিদের এটা প্রাথমিক লক্ষণ।২. খেয়াল রাখবেন, কেউ অযথা আপনার স্তুতি করছেন কিনা।বেশি খোশামুদে মানুষের মনে কিন্তু গোপন ঈর্ষার বাসা।৩. কেউ যদি আপনার কোনও সাফল্যকে ছোট করে দেখেন, জানবেন, তিনি আপনার প্রতি ঈর্ষাকাতর।৪. সর্বদা আপনার খুঁত ধরেন, এমন লোক থেকে সাবধান! এঁরা কিন্তু আপনার প্রতি গোপনে হিংসের জাল বুনে চলেছেন।৫. খেয়াল রাখবেন, আপনার পিছনে কেউ কোনও গুজব রটাচ্ছেন কি না।যদি রটে, তা হলে সেই গুজবের উদ্গাতাকে খুঁজে বের করুন। জানবেন, তিনি কোনও গোপন ঈর্ষা থেকেই এই কাণ্ড ঘটাচ্ছেন।৬. কেউ কি আপনাকে অযাচিত উপদেশ দিচ্ছেন? এমন ক্ষেত্রে কিন্তুসেই ব্যক্তির গোপন ঈর্ষাকারী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার
Share:

জানেন, কোন পাঁচটি জিনিসের জন্য যৌনতা ছাড়তে রাজি পুরুষরা?

জীবনের আর পাঁচটা চাহিদার মতোই যৌন চাহিদাও একটি। অনেকেই সে ইচ্ছে গোপন রাখার চেষ্টা করেন ঠিকই, তবে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সে চাহিদা পূরণও জরুরি হয়ে ওঠে স্বাভাবিক নিয়মেই। কিন্তু জানেন কি, এমনপাঁচটি কারণ রয়েছে যার জন্য সঙ্গমের মতো ইচ্ছেও হাসি মুখে ত্যাগ করতে রাজি হয়ে যেতে পারেন পুরুষরা! নির্দ্বিধায় যৌনজীবনকে আলবিদা জানাতে পারেন! না, কল্পনা নয়। একটি সমীক্ষা করে জানা গিয়েছে পুরুষদের এমনই পাঁচ ইচ্ছের কথা, যার জন্য তাঁরা যৌনজীবনেরলোভ ত্যাগ করতে পারেন।প্রচুর অর্থ: প্রচুর বললেও ভুলবলা হবে। বলা ভাল অফুরন্ত অর্থ। হ্যাঁ, অনেক পুরুষই জানিয়েছেন, তাঁদের হাতে অফুরন্ত অর্থ এলে সঙ্গমকে টাটা-বাই বাই বলতে দ্বিধা করবেন না তাঁরা। কিন্তু এত অর্থ নিয়ে করবেনটা কী? তাঁরা বলছেন, অর্থের চিন্তা না থাকলেআর কর্মস্থানে যাওয়ার ব্যাপারও নেই। ফলে ব্যাগ গুছিয়ে দুনিয়া ভ্রমণে বেরিয়ে পড়া যাবে অনায়াসেই।আর সেই সুন্দর জীবনের বিনিময়ে যৌনজীবনকে বিদায় জানানো আর এমনকী কঠিন কাজ।খাবার-দাবার: ‘চার্লি অ্যান্ড চকোলেট ফ্যাক্টরি’ ছবিটি দেখেছেন? খাদ্যরসিক পুরুষদের বক্তব্য, ওরকম একটা জায়গায় তাঁদের রেখে দিলে সঙ্গমের কথা মাথাতেও আসবে না। কারণ খাবারের থেকে ‘সেক্সি’ আর কীই বা হতে পারে! তাই অনেক পুরুষই রোজ ভাল ভাল খাবার পেলে যৌনজীবনকে বিদায় জানাতে রাজি।ঘুম: ছুটির দিনে অধিকাংশ পুরুষদের প্রিয় কাজ কোনটি? এ প্রশ্নের জবাব বেশি ভাবার প্রয়োজন নেই। সহজ উত্তর, ঘুম।নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারলে তাঁদের আর কিছু প্রয়োজনই হয় না। দিনে কত ঘণ্টা ঘুমের বিনিময়ে সঙ্গম ত্যাগ করতে রাজি তাঁরা? অন্তত ১২ ঘণ্টা। চমকানোর কারণ নেই। অনেকের বাড়িতে এ দৃশ্য নিশ্চয়ই খুব চেনা।জিন: অনেকের কাছে আবার সঙ্গম ছাড়ার দাম বেশ চড়া। এক ব্যক্তি জানাচ্ছেন আলাদিনের জিনের মতো কোনও বস্তু খুঁজে পেলে তবেই তিনি মিলনের ইচ্ছা ত্যাগ করবেন। সেটি ছাড়া জীবনে আর যা যা চাইবেন, সব তাঁকে এনে দেবে সেই জিনি। বাড়াবাড়ি হয়ে গেল না?সত্যিকারের ভালবাসা: এমন উত্তর দিয়েছেন অনেকেই। তাঁদের মতে মিলনের চেয়েও জীবনে সুখী হতে বেশি প্রয়োজন সত্যিকারের ভালবাসা। যে ভালবাসা পাওয়ার সৌভাগ্য সকলের হয় না। আর তা পেলে বিনা সঙ্গমে সারাজীবন কাটিয়ে দেওয়াটা এমন কোনও বড় ব্যাপার নয়।কথায় বলে নারীর মন বোঝা ভীষণ কঠিন! কিন্তু এ প্রতিবেদন পড়লে মহিলারাও হকচকিয়ে যেতেপারেন যে আসলে তাঁর প্রিয় মানুষটি তাঁর থেকে ঠিক কী চাইছেন! কি, তাইতো?সূত্রঃ সংবাদ প্রতিদিন
Share:

ভুল সম্পর্কে জড়িয়েছেন কিনা বুঝবেন যে ৬টি লক্ষণ দেখে

জীবনে চলার পথে নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয় আবার ভেঙেও যায়। কিছু সম্পর্ক সারাজীবন রয়ে যায়, আবার কিছু হয় ক্ষণিকের।সম্পর্কের উত্থান-পতন একজন মানুষকে নানাভাবে ধাক্কা দেয়। সম্পর্ক সুন্দর হলে জীবন সুন্দর হয়ে ওঠে। আবার তাতে গলদ দেখা দিলে জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠতে খুব একটা সময় লাগে না। পরিবারের কিছু মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক যেমন জন্মের পর থেকেই তৈরি হয়ে যায়। তেমন কিছু সম্পর্কের বিষয়ে বড় হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এই সম্পর্কের ক্ষেত্রে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। কীভাবে বুঝবেন ভুল সঙ্গী বেছেছেন।১. সব কথায় কৈফিয়ত দাবিঅনেক সময় আবেগের বশে আমরা অনেক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ি। যা নিয়ে পরে ভুল ভাঙে আমাদের।আপনার সঙ্গী কি সবসময় সব কাজের পর কৈফিয়ত চাইতে থাকে। আপনি কী করছেন, কেন করছেন তার জবাবদিহি করতে হয়? এমন হতে থাকলে সাবধান হয়ে যান। হয় সঙ্গীকে পাল্টাতে হবে, আর নাহলে খোদ সঙ্গীই পাল্টাতে হবে।২. আপনাকে না বোঝাআপনি যার সঙ্গে সম্পর্কে থাকতে চাইছেন তিনি যদি আপনাকে বুঝতে না পারেন বা বুঝতে না চান তাহলে তার চেয়ে দুর্ভাগ্যের আর কিছু হয় না। দুজনেরই দুজনকে বুঝতে হবে। তাহলেই সম্পর্ক সঠিক গতিতে এগোবে।৩. সম্পর্ক নিয়ে অস্বস্তিসম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন ঠিকআছে। তবে এই সম্পর্ক নিয়ে কি কোনওরকম অস্বস্তি রয়েছেন আপনার মনে। সঙ্গী যেরকমই হোক না কেন, তাঁকে নিয়ে কথা বলতে, রাস্তায় হাঁটতে, সকলের সামনে যেতে কি অস্বস্তি হয়? এমন হলে ভাবতে হবে আপনাকেই।৪. আপনার প্রতি নিরুৎসাহসঙ্গী কি আপনার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলে না। আপনাকে এড়িয়ে চলছে বা নিরুৎসাহিত মনে হচ্ছে। আপনি ভাবছেন, সময় দেওয়া প্রয়োজন। আর এদিকে দূরত্ব আরও বেড়ে যাচ্ছে। কেন আপনার প্রতি উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে আপনার সঙ্গী তা ভেবে দেখুন। অথবা নিজেই কথা বলুন।৫. কিছু শেয়ার করার আগে ভাবাসম্পর্কে বন্ধুত্ব না থাকলে তা বেশি মজবুত হয় না। দুজনের একে অপরের প্রতি সৎ হতে হবে। বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। তাহলেই একে অপরকে মনের কথা খোলাখুলি বলতে অসুবিধা হবে না। যদি সঙ্গীর সঙ্গেই কিছু শেয়ার করতে গিয়ে হাজারবার ভাবতে হয় তাহলে অবশ্যই সেই বিষয়ে আপনাকে ভাবতে হবে।৬. আপনাকে অসম্মান করাকথায় কথায় আপনাকে ছোট বা অসম্মান করা কি আপনার সঙ্গীর স্বভাব? মজাচ্ছলে হোক অথবা সিরিয়াসভাবে, আপনাকে ছোট করা বা মজা ওড়ানো কি তিনি অভ্যাসেপরিণত করে ফেলেছেন? এমন হলে কিন্তু এবার এই সম্পর্ক নিয়ে আপনাকেই ভাবতে বসতে হবে।
Share:

Total Pageviews